বীরভূম জেলা

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা প্রসঙ্গে অবস্থান, সীমা, জনসংখ্যা, শহর, নামকরণ, ঐতিহাসিক গ্রাম, রাঙ্গামাটির দেশ, ঐতিহাসিক দিক, ভৌগোলিক দিক, অর্থনৈতিক দিক, জলবায়ু, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব, ভাষা, সংস্কৃতি, দ্রষ্টব্য স্থান, ও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জানবো।

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলা

ঐতিহাসিক স্থানবীরভূম
দেশভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
সদর দপ্তরসিউড়ি
বীরভূম জেলা

ভূমিকা :- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি প্রশাসনিক একক তথা জেলা হল বীরভূম। বর্ধমান বিভাগের অন্তর্গত সবথেকে উত্তরের জেলা হল বীরভূম৷

বীরভূম জেলার অবস্থান

কর্কটক্রান্তি রেখার উপরে ও পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত বীরভূম জেলার মোট আয়তন ৪৫৪৫ বর্গকিমি। ভৌগোলিক বিচারে এই অঞ্চল ছোটোনাগপুর মালভূমির উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।

বীরভূম জেলার সীমা

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার পশ্চিম দিকে ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের জামতাড়া, দুমকা ও পাকুড় জেলা। অন্য তিনদিকে দিকে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমানপশ্চিম বর্ধমান জেলা অবস্থিত।

বীরভূম জেলার জনসংখ্যা

এই বীরভূম জেলার মোট জনসংখ্যা ৩৫ লক্ষেরও বেশি, যা লিথুয়ানিয়া রাষ্ট্র বা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট রাজ্যের জনসংখ্যার সমতুল্য।

বীরভূম জেলার শহর

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সদর দফতর সিউড়ি শহরে অবস্থিত। এই জেলার অন্যান্য প্রধান শহর হল বোলপুর, রামপুরহাট ও সাঁইথিয়া।

বীরভূম জেলার নামকরণ

‘বীরভূমি’ শব্দ থেকে বীরভূম নামটির উৎপত্তি, যার অর্থ ‘বীরের দেশ’। অন্য একটি মতে, বাগদী রাজা বীর মল্লের নাম অনুসারে এই জেলার বীরভূম নামকরণ করা হয়েছে। ১৫০১ থেকে ১৫৫৪ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলের শাসক ছিলেন বীর মল্ল। আবার সাঁওতালি ভাষায় বীর শব্দের অর্থ বন। অর্থাৎ বীরভূম শব্দের অন্য অর্থ বনভূমিও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বীরভূম জেলার সদর দপ্তর ও শহর

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সদর দফতর সিউড়ি শহরে অবস্থিত। বীরভূম জেলার অন্য তিনটি প্রধান শহর হল বোলপুর, রামপুরহাট ও সাঁইথিয়া।

বীরভূম জেলার ঐতিহাসিক দিক

  • (১) বর্তমানে বীরভূম নামে পরিচিত স্থানটি প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই জনবসতিপূর্ণ। আউস গ্রামের পাণ্ডু রাজার ঢিবি সম্পর্কিত কিছু তাম্রপ্রস্তরযুগের প্রত্নস্থল এই জেলাতেই অবস্থিত। জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রস্তরযুগের বিভিন্ন নিদর্শনও পাওয়া গেছে।
  • (২) প্রাচীন জৈন ধর্মগ্রন্থ আচারাঙ্গ সূত্রের বিবরণ অনুযায়ী ২৪ তম তথা শেষ তীর্থঙ্কর মহাবীর ভ্রমণ করতে করতে এই অঞ্চলে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন। এই গ্রন্থে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের এই অঞ্চল বজ্জভূমি ও সুহ্মভূমি অঞ্চলে অবস্থিত লাড়ার পথহীন দেশ নামে চিহ্নিত হয়েছে।
  • (৩) কোনো কোনো ঐতিহাসিকের মতে রাঢ় অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মজৈন ধর্ম -এর প্রচার ছিল এই অঞ্চলের আর্যীকরণের অন্যতম অঙ্গ। দিব্যাবদান নামে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের ভিত্তিতে বলা হয় যে, গৌতম বুদ্ধ এই অঞ্চলের উপর দিয়েই ভ্রমণ করে পুণ্ড্রবর্ধন ও সমতট অঞ্চলে যান।
  • (৪) কোনো এক সময় রাঢ় অঞ্চল মৌর্য সাম্রাজ্য -এর অঙ্গীভূত হয়। পরবর্তীকালে এই অঞ্চল গুপ্ত সাম্রাজ্য, শশাঙ্কহর্ষবর্ধন -এর সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল। হর্ষবর্ধনের সাম্রাজ্যের পতনের পর দ্বাদশ শতক পর্যন্ত পাল সাম্রাজ্য -এর রাজারা এই অঞ্চল শাসন করেন। তারপর এই অঞ্চলের শাসনভার সেন বংশ -এর হস্তগত হয়।
  • (৫) পালযুগে এই অঞ্চলে মহাযান বৌদ্ধধর্ম বিকশিত হয়ে উঠেছিল। খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকে চীন -এর পর্যটক হিউয়েন সাঙ তাঁর ভ্রমণ-বিবরণীতে এই অঞ্চলের কয়েকটি মঠের বর্ণনা দিয়েছেন।
  • (৬) খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকে এই অঞ্চল মুসলমান শাসনের অধীন হয়। তবে জেলার পশ্চিম অংশে এই শাসনের প্রভাব ছিল কম। এই অঞ্চল মূলত বীর রাজবংশ নামে পরিচিত স্থানীয় হিন্দু শাসনকর্তাদের দ্বারা শাসিত হত।
  • (৭) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনকালে ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে বীরভূম নামে প্রশাসনিক জেলাটির জন্ম হয়। তার আগে এই অঞ্চল মুর্শিদাবাদ জেলার অংশ ছিল। ১৭৮৭ সালে সদ্য প্রতিষ্ঠিত ‘ডিস্ট্রিক্ট বীরভূম’ ছিল বর্তমান বীরভূমের তুলনায় আকারে অনেক বড়ো জেলা।
  • (৮) ১৭৯৩ সাল পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলাবিষ্ণুপুর এই জেলার অন্তর্গত ছিল। ১৮৫৭ সালে সংঘটিত মহাবিদ্রোহ -এর আগে পর্যন্ত সাঁওতাল পরগনাও এই জেলার অন্তর্গত ছিল। সেই সময় পশ্চিমে এই জেলার বিস্তৃতি ছিল দেওঘর পর্যন্ত।
  • (৯) ১৮৫৫-৫৬ সালে অবিভক্ত বীরভূমের পশ্চিমাঞ্চলে সংঘটিত সাঁওতাল বিদ্রোহ -এর কারণে এই আদিবাসী-অধ্যুষিত অঞ্চলটিকে জেলা থেকে বাদ দেওয়ার আশু প্রয়োজন দেখা দেয়। বিদ্রোহ দমনের পর কর্তৃপক্ষ জেলাটিকে ভাগ করে দেয়। তবে আজও বীরভূমে এই বিদ্রোহের দুই নায়ক সিধু ও কানুকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বীরভূম জেলায় অবস্থিত শক্তিপীঠ

বীরভূমে অনেকগুলি শক্তিপীঠ অবস্থিত। তারাপীঠ, বক্রেশ্বর, কঙ্কালীতলা, লাভপুরের নিকট ফুল্লরা, সাঁইথিয়া ও নলহাটি। তারাপীঠের অন্যতম প্রসিদ্ধ শক্তি উপাসক ছিলেন বামাখ্যাপা নামে পরিচিত বামদেব।

বীরভূম জেলার ঐতিহাসিক গ্ৰাম

  • (১) এই জেলার অন্তর্গত বামদেব পুর একটি ঐতিহাসিক গ্রাম। আনুমানিক ৬০০ থেকে ৭০০ বছরের পুরনো এই গ্রাম। বশিষ্ঠ মুনির বড় পুত্র বামদেব এই গ্রামের মহামায়া আশ্রমের বট বৃক্ষের তলায় সিদ্ধি লাভ করেন। তাই এই গ্রামের নাম হয় বামদেব পুর।
  • (২) বামা ক্ষ্যাপা তারাপীঠ থেকে বামদেব পুর এসে জটিমায়ের চরণে লাল জবা ফুল দিয়ে পূজা করতেন। এই জটিমা জীবন্ত কালি হয়ে জগৎ বিখ্যাত হয়ে আছেন। প্রায় ২০০ বছর আগে এই বামদেব পুর গ্রামেই জটিমা আবির্ভূত হয়েছিলেন।

রাঙামাটির দেশ বীরভূম জেলা

এই বীরভূম রাঙামাটির দেশ নামে পরিচিত। এই জেলার ভূসংস্থান ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলার তুলনায় আলাদা।

বীরভূম জেলার ভৌগোলিক দিক

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার পশ্চিমাঞ্চল ছোটোনাগপুর মালভূমির অন্তর্গত ঝোপঝাড়ে পরিপূর্ণ একটি এলাকা। এই অঞ্চলটি পশ্চিম দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে পূর্বদিকের পলিগঠিত উর্বর কৃষিজমিতে মিশেছে।

বীরভূম জেলার মামা ভাগ্নে পাহাড়

এই বীরভূম জেলার পশ্চিম দিকে প্রাকৃতিকভাবে তৈরী হয়েছে একমাত্র পাহাড়, যার নাম মামা ভাগ্নে পাহাড়। বীরভূমের দুবরাজপুর শহরের সন্নিকটে এই পাহাড় অবস্থিত। বর্তমানে এটি একটি সুপরিচিত পর্যটন কেন্দ্র।

বীরভূম জেলার অর্থনৈতিক দিক

এই বীরভূম জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। এখানকার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭৫ ভাগ কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। এখানে ব্যাপক ভাবে তুলা ও রেশম চাষ হয়। প্রধান শিল্প হল তাঁত বয়ন, চালকল, তৈলবীজের কল, লাক্ষা উৎপাদন, পাথর খনি, ধাতুশিল্প ও মৃৎশিল্প। এই জেলার একমাত্র ভারী শিল্পকেন্দ্র হল বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

বীরভূম জেলার জলবায়ু

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার পশ্চিম অংশের জলবায়ু শুষ্ক ও চরম প্রকৃতির, পূর্ব অংশের জলবায়ু অপেক্ষাকৃত মৃদু। জেলার পশ্চিমাংশের বৃষ্টিপাত পূর্বাংশের তুলনায় অধিক।

বীরভূম জেলার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে ইতিহাসে বীরভূম জেলা বিখ্যাত হয়ে রয়েছে। শান্তিনিকেতন -এ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা ও কেন্দুলির জয়দেব মেলা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

বীরভূম জেলার নদনদী

এই বীরভূম জেলায় অসংখ্য নদনদী প্রবাহিত হয়েছে। তার মধ্যে অজয়, ময়ূরাক্ষী, কোপাই, বক্রেশ্বর, ব্রাহ্মণী, দ্বারকা, হিংলো, চপলা, বাঁশলৈ, পাগলা নদী বিশেষ উল্লেখযোগ্য। সিউড়ির কাছে ময়ূরাক্ষী নদীতে তিলপাড়া বাঁধ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার ২৪২৮ বর্গকিমি অঞ্চলে জলসেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বীরভূম জেলার ভাষা

এই জেলার সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা বাংলা৷ বাঙালি ছাড়াও সাঁওতাল ও আরও দশটি উপজাতি এই এখানে বাস করে। এখানকার বাঙালিরা বাংলার স্থানীয় উপভাষায় কথা বলে থাকেন।

বীরভূম জেলার সংস্কৃতি

  • (১) বীরভূমের লোকসংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল বাউলদের দর্শন ও সঙ্গীত। এছাড়াও এখানে অনেক কবিয়াল, কীর্তনীয়া ও অন্যান্য লোকসংস্কৃতি গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
  • (২) বীরভূমে অসংখ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হল শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা। কবি জয়দেব -এর স্মৃতিতে জয়দেব কেন্দুলির মেলা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়।
  • (৩) বীরভূমে জয়দেব, চণ্ডীদাস ও জ্ঞানদাসের মতো অনেক কবির জন্ম হয়েছে। বৈষ্ণব, শাক্ত ও শৈবধর্মের ত্রিবেণীসংগম বীরভূমের গ্রামগুলিতে  গ্রামদেবতা পূজার প্রাগৈতিহাসিক প্রথা আজও বিদ্যমান।

বীরভূম জেলার দ্রষ্টব্য স্থান

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার প্রধান দ্রষ্টব্যস্থান গুলির মধ্যে বক্রেশ্বর, তারাপীঠ ও পাথরচাপড়ি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। জয়দেব কেন্দুলি, সুরুল ও নানুরের পুরনো মন্দিরগুলি তাদের টেরাকোটা বা পোড়ামাটির ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত।

বীরভূম জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

  • (১) বীরভূমে বিশেষ করে শান্তিনিকেতনে অনেক বিশিষ্ট মানুষ জন্মগ্রহণ করেছেন বা কর্মজীবন অতিবাহিত করেছেন। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন তাদের মধ্যে অন্যতম। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই জেলাকে তার বাসস্থানে পরিণত করেন। এখানেই তিনি তার প্রসিদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠা করেন।
  • (২) দ্বাদশ শতাব্দীর বিশিষ্ট সংস্কৃত কবি জয়দেব অজয় নদের তীরে জয়দেব কেন্দুলিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। চতুর্দশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি পদাবলিকার চণ্ডীদাস এই জেলার নানুরে জন্মগ্রহণ করেন।
  • (৩) বৈষ্ণবধর্মের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রধান পারিষদ নিত্যানন্দ স্বামী জন্মগ্রহণ করেন বীরভূমের একচক্রা গ্রামে। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের স্বনামধন্য কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এখানকার লাভপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার রচনায় বীরভূম জেলার গণজীবনের অনেক চিত্র পাওয়া যায়।
  • (৪) এই জেলার বোলপুরে জন্মগ্রহন করেন চৈতন্য গবেষক জয়দেব মুখোপাধ্যায়। অধুনা বাংলাদেশ -এর প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং পাকিস্তান -এর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আবদুস সাত্তার এই বীরভূম জেলাতেই জন্মগ্রহণ করেন৷
  • (৫) অধুনা বাংলাদেশের বৈজ্ঞানিক তথা পাকিস্তান একাডেমী অব সায়েন্সের এককালীন অধ্যক্ষ মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে এই বীরভূম জেলাতেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
  • (৬) এছাড়া ঊনিশ শতকের চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে হিন্দি ও বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী সুমিত্রা দেবী, বাঙালি বাউল গায়ক বাসুদেব দাস বাউল, ব্রিটিশ ভারতের উল্লেখযোগ্য বিচারক ও আইনবিদ সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহ, পটশিল্পী রাখাল চিত্রকর এখানকার প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব।

উপসংহার :- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সুসমৃদ্ধ বীরভূম জেলায় একাধিক উৎসব ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা ও জয়দেব কেন্দুলির বাউল মেলা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

(FAQ) বীরভূম জেলা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার বাউল গান বিশেষ বিখ্যাত?

বীরভূম।

২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন জেলায় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন?

বীরভূম জেলায়।

৩. বীরভূম জেলার সদর দপ্তর কোথায়?

সিউড়ি।

৪. ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?

বীরভূম জেলায়।

Leave a Comment