বর্ধমান জেলা

অধুনালুপ্ত বর্ধমান জেলা প্রসঙ্গে সীমা, আয়তন ও জনসংখ্যা, বর্ধমান নামের প্রথম উল্লেখ, নামের উৎপত্তি, কৃষি প্রধান জেলা, শিল্প, ঐতিহাসিক দিক, রাজ পরিবার, বর্ধমানের রাজা, মহকুমা শহর, উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব ও দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে জানবো।

অধুনালুপ্ত বর্ধমান জেলা

জেলাবর্ধমান
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
দেশভারত
বর্তমান অবস্থাবিভাজিত
বিভাজন কাল২০১৭ খ্রি:
অধুনালুপ্ত বর্ধমান জেলা

ভূমিকা :- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বর্ধমান বিভাগের অধুনালুপ্ত একটি জেলা হল বর্ধমান জেলা। ২০১৭ খ্রিস্টাব্দের ৭ এপ্রিল এই জেলা বিভক্ত হয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা গঠিত হয়েছে।

সীমা

বর্ধমান জেলার উত্তরে বীরভূম জেলামুর্শিদাবাদ জেলা, পূর্বে নদীয়া জেলা, দক্ষিণ-পূর্বে হুগলি জেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলা এবং উত্তর-পশ্চিমে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ জেলা অবস্থিত।

আয়তন ও জনসংখ্যা

অবিভক্ত বর্ধমান জেলার আয়তন ছিল ৭০২৪ বর্গকিমি। বর্ধমান জেলা ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্বে এখানকার জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটিরও বেশি।

বর্ধমান নামের প্রথম উল্লেখ

গলসি থানা সংলগ্ন ‘মল্লসরুল’ গ্রামে প্রাপ্ত ষষ্ঠ শতকের একটি তাম্রলিপিতে প্রথম বর্ধমান নামটির উল্লেখ পাওয়া যায়। তাছাড়া মার্কন্ডেয় পুরাণে বর্ধমানের উল্লেখ আছে।

নামের উৎপত্তি

  • (১) বর্ধমান নামের উৎপত্তি নিয়ে দুটি মত রয়েছে। প্রথম মতানুযায়ী বর্ধমান নামটি ২৪ তম জৈন তীর্থঙ্কর বা বর্ধমানস্বামীর নাম অনুসারে প্রণীত হয়েছে। জৈন কল্পসূত্র অনুসারে মহাবীর কিছুসময় অস্তিকগ্রামে কাটিয়েছিলেন, যা পরে বর্ধমান নামে পরিচিত হয়।
  • (২) দ্বিতীয় মত অনুযায়ী, বর্ধমান কথার অর্থ সম্পন্ন কেন্দ্র। গাঙ্গেয় উপত্যকায় আর্য সভ্যতার বিকাশের সময়ে উন্নতি এবং সম্পনতার প্রতীক হিসেবে স্থানটি পরিচিত ছিল।

ইংরেজি নামের উৎপত্তি

এই জেলার ইংরেজি Burdwan নামটি সংস্কৃত বর্ধমান থেকে ইংরেজ কর্তৃক প্রদত্ত হয়েছে।

কৃষি প্রধান জেলা

বর্ধমান ছিল মূলত কৃষিপ্রধান জেলা। একে পশ্চিমবঙ্গের শস্য ভান্ডার বলা হয়। ধান এই জেলার প্রধান ফসল। তাছাড়া পাট, আলু, পেঁয়াজ, আখ চাষ হয়। জেলার বৃহত্তম শহর বর্ধমান।

শিল্প

এই জেলার রানিগঞ্জ এবং আসানসোল কয়লাখনির জন্য প্রসিদ্ধ। এই জেলার দুর্গাপুরে আছে লৌহ-ইস্পাত কারখানা। জেলা সদর বর্ধমান থেকে অল্প দূরে কাঞ্চন নগর ছুরি, কাচির জন্য প্রসিদ্ধ। জেলার ধাত্রিগ্রাম তাঁতের কাপড়ের জন্য প্রসিদ্ধ।

ঐতিহাসিক দিক

  • (১) বর্ধমানের ইতিহাস শুরু খ্রীষ্টপূর্ব যুগ তথা মধ্য প্রস্তর যুগের অন্তিম সময়ে। পান্ডু রাজার ঢিবি এবং বীরভানপুরে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলি প্রায় ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মধ্যপ্রস্তর যুগে অজয় এবং দামোদর উপত্যকায় বসতি স্থাপনের ইঙ্গিত দিয়েছে।
  • (২) মগধ, মৌর্য, কুষাণ এবং গুপ্ত সাম্রাজ্যের মতো বৃহৎ এবং শক্তিশালী সাম্রাজ্যগুলি এই অঞ্চলে এবং এর বাইরেও আধিপত্য বিস্তার করেছিল। সপ্তম শতকে এলাকাটি শশাঙ্ক শাসিত গৌড় রাজ্যের অংশ ছিল। ১১৯৯ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজির দখল করার পূর্ব পর্যন্ত এটি পাল ও সেনদের দ্বারা শাসিত হয়।
  • (৩) মুঘল সম্রাট আকবর রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য বাংলা সুবাকে উনিশটি সরকারে ভাগ করেন। পরবর্তীতে বর্ধমানের নাম হয় শরিফাবাদ। তখন বীরভূমের দক্ষিণাংশ, মুর্শিবাদ জেলার কান্দি এবং বর্ধমান জেলার মধ্য অংশ জুড়ে এর সীমানা ছিল।
  • (৪) আইন-ই-আকবরী গ্ৰন্থ অনুযায়ী বর্ধমান জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত যে তিনটি সরকারের নাম পাওয়া যায় তার মধ্যে একটি শরিফাবাদ। এর শরিফ শব্দের অর্থ সম্ভ্রান্ত। সেই অর্থ অনুসারে এলাকাটি ছিল অপেক্ষাকৃত সম্ভ্রান্ত অঞ্চল।
  • (৫) জাহাঙ্গীরের আমলে এই স্থানের নাম ছিল বাধ-ই-দিওয়ান (জেলা রাজধানী)। ১৬০৬ সালে বর্ধমানের জায়গিরদার শের আফগান বর্ধমানের ঠিক বাইরে নিহত হন। শের আফগানের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী মেহেরউন্নিসাকে জাহাঙ্গীর তার সহধর্মিণী হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তার নাম রাখেন নুরজাহান।
  • (৬) ১৬২২ সালে জাহাঙ্গীরের ছেলে খুররম, যিনি পরে শাহজাহান নাম ধারণ করেছিলেন, তার পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে তিনি বর্ধমানের দুর্গ দখল করেন।
  • (৭) ১৬৮৯ সালে বর্ধমান রাজ পরিবারের রাজা কৃষ্ণরাম রায়, ঔরঙ্গজেবের কাছ থেকে একটি রাজকীয় ফরমান পেয়েছিলেন। তখন থেকে রাজ পরিবারের ইতিহাস জেলার সাথে অভিন্ন হয়ে ওঠে।
  • (৮) ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মুর্শিদকুলি খান মুঘল সম্রাটের প্রতি নামমাত্র আনুগত্যের মালিক হয়ে বাংলার নবাব হন। সেই সময়ে বর্ধমানকে চাকলা বলা হত, যা পূর্ববর্তী পরগণার পরিবর্তন।
  • (৯) পরবর্তীকালে আলীবর্দী খানের রাজত্বকালে, বর্গীরা বর্ধমান আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয়ের পর, মেদিনীপুর ও চট্টগ্রামসহ উর্বর জেলা বর্ধমান ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
  • (১০) ১৭৬৫ সালে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বর্ধমানের দেওয়ানি অধিগ্রহণ করে তখন এটি বর্ধমান, বাঁকুড়া, হুগলি এবং বীরভূমের এক তৃতীয়াংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল। ১৮২০ সালে হুগলি, ১৮৩৭ সালে বাঁকুড়া ও বীরভূম আলাদা হয়।
  • (১১) ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সময়ে কর্নওয়ালিস চাকলাগুলিকে আরও পরিচালনাযোগ্য করার জন্য আকারে ছোট করে জেলা তৈরি করা হয়েছিল। বর্ধমান জেলায় ছয়টি মহকুমা তৈরি করা হয়েছিল – ১৮৪৬ সালে বাড বাড, ১৮৪৭ সালে কাটোয়া, রানিগঞ্জ, জাহানাবাদ (পরবর্তীতে আরামবাগ নামকরণ করা হয়েছিল) এবং বর্ধমান সদর এবং ১৮৫০ সালে কালনা।

রাজ পরিবার

  • (১) রাজা কৃষ্ণরাম রায়ের শাসনামলে, বর্ধমানের তৎকালীন অংশ চিতুয়া ও বরদার জমিদার সুভা সিং ১৬৯৬ সালে বিদ্রোহ করেন। রাজকুমারী সত্যবতী তাকে ক্ষোভ প্রকাশ করার চেষ্টা করলে তিনি নিহত হন।
  • (২) কীর্তি চন্দ্র রায় চিতুয়া, ভুর্শুট, বরদা এবং মনোহরশাহসি পরগণাগুলিকে তাঁর অঞ্চলে যুক্ত করেন। তিনি বেলঘড়ার রাজার সম্পত্তিও দখল করেন এবং বিষ্ণুপুরের শক্তিশালী রাজাকে আক্রমণ ও পরাজিত করেন।
  • (৩) ১৭৪০ সালে মুঘল সম্রাট চিত্র সেন রায়কে রাজা উপাধিতে ভূষিত করেন। তার স্থলাভিষিক্ত হন তিলকচাঁদ রায়, যিনি মুঘল সম্রাট কর্তৃক রাজা উপাধিতেও ভূষিত হন। তাঁর শাসনামলেই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বর্ধমান ও বাংলার অন্যান্য এলাকা অধিগ্রহণ করে।
  • (৪) মহাতাবচাঁদ ভাইসরয়ের কার্যনির্বাহী পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য নিযুক্ত হন। ১৮৭৭ সালে তাঁর নামের আগে মহামান্য উপাধি ব্যবহার করার অনুমতি পান। বিজয় চাঁদ মাহাতাব ১৯০৮ সালে লর্ড মিন্টো কর্তৃক মহারাজাধিরাজ উপাধিতে ভূষিত হন।
  • (৫) উদয় চাঁদ মাহতাব ১৯৪১ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দেশের স্বাধীনতার পর ১৯৫৪ সালে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

বর্ধমানের রাজা

বর্ধমানের প্রথম মহারাজধিরাজ ছিলেন রাজা তিলকচাঁদ। তাদের বংশের অন্যতম বিখ্যাত রাজারা হলেন প্রতাপচাঁদ ও মহতাবচাঁদ। ব্রিটিশ শাসন কালে রানী বেনদেয়ী তার দেওয়ান বনবিহারীর পুত্রকে দত্তক নিয়ে বিজয়চাঁদ নাম দিয়ে বর্ধমানের সিংহাসনে বসান।

মহকুমা শহর

বর্ধমান জেলার মহকুমা শহর গুলি ছিল দুর্গাপুর, আসানসোল, কালনা, কাটোয়া ও বর্ধমান সদর দক্ষিন

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

বর্ধমান জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন –

(১) রাসবিহারী বসু

ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা রাসবিহারী বসু পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলা অধুনা পূর্ব বর্ধমান জেলায় অবস্থিত তাঁর পৈতৃক গ্রাম সুবলদহে জন্মগ্রহণ করেন।

(২) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী

ষোড়শ শতাব্দীর বাঙালি কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বর্ধমান জেলারই মানুষ।

(৩) বৃন্দাবন দাস ঠাকুর

পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি বৃন্দাবন দাস বর্ধমানের কাছে দেনুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

(৪) কাশীরাম দাস

মহাভারতের বাংলা অনুবাদক বাঙালি কবি কাশীরাম দাস বর্ধমান জেলার উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি।

(৫) অক্ষয়কুমার দত্ত

ব্রাহ্ম ধর্মসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক অক্ষয়কুমার দত্ত কালনা মহাকুমার চুপি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

(৬) যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা

ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব এবং আইন ব্যবসায়ী যাদবেন্দ্রনাথ পাঁজা এই জেলার মানুষ।

(৭) কালিদাস রায়

রবীন্দ্রযুগের বিশিষ্ট রবীন্দ্রানুসারী কবি, প্রাবন্ধিক ও পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা কালিদাস রায় বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

(৮) কাজী নজরুল ইসলাম

বাঙালি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই জেলার (অধুনা পশ্চিম বর্ধমান) আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

(৯) সুবোধ চৌধুরী

ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী সুবোধ চৌধুরী এই জেলার মানুষ।

(১০) অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়

নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় আসানসোলের রেপো গ্ৰামে জন্মগ্ৰহণ করেন।

(১১) কমলাকান্ত ভট্টাচার্য

শাক্ত পদাবলী তথা শ্যামা সংগীতের অন্যতম প্রধান কবি সাধক কমলাকান্ত এই জেলার বর্ধমান শহরের বিখ্যাত ব্যক্তি।

(১২) রাসবিহারী ঘোষ

ভারতীয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, সমাজকর্মী এবং সমাজসেবী রাসবিহারী ঘোষ পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের খণ্ডঘোষ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

(১৩) বটুকেশ্বর দত্ত

ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী এবং ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা বটুকেশ্বর দত্ত এই জেলার মানুষ।

(১৪) বিজয় কুমার ভট্টাচার্য

গান্ধীবাদী স্বাধীনতা সংগ্রামী বিজয় কুমার ভট্টাচার্য রাঢ়ের গান্ধী নামে পরিচিত।

(১৫) অমল দত্ত

বিশ্ববিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়, কোচ এবং ফুটবল ম্যানেজার অমল দত্ত বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভারতের ফুটবলের অন্যতম পথ প্রদর্শক।

(১৬) প্রীতি ভট্টাচার্য

সুপার স্টার সিঙ্গার ২০১৯ এর বিজয়ী প্রীতি ভট্টাচার্য এই জেলার বর্ধমান শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

দ্রষ্টব্য স্থান

কার্জন গেট, সর্বমঙ্গলা মন্দির, শের আফগানের সমাধি, কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির, ১০৮ শিবমন্দির, জলটুঙ্গীর চাঁদনী পার্ক, ভাল্কিমাচান, কালনা রাজবাড়ী মন্দির, অট্টহাস সতী পীঠ মন্দির, রমনাবাগান – প্রাণিবিদ্যা পার্ক, কৃষক সেতু ও দামোদর নদ, খ্রিস্টান গির্জা,খাজা আনোয়ার বেড় (নবাব বাড়ি), গোলাপবাগ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, ঝুলন্ত রেলওয়ে ওভার ব্রিজ, টাউন হল, কৃষ্ণসায়র ইকোলজিকাল উদ্যান, কৃষ্ণচন্দ্রজী মন্দির, নব কৈলাশ মন্দির, শ্রী গৌরাঙ্গ মন্দির, মাধাইতলা আশ্রম, শ্যামারূপা মন্দির, ইছাই ঘোষের দেউল, রাধেশ্যাম মন্দির, ডিয়ার পার্ক, নাচন পক্ষীরালয় ইত্যাদি।

উপসংহার :- বর্তমানে বর্ধমান জেলা অবলুপ্ত। ২০১৭ সালে বর্ধমান জেলা ভেঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা গঠিত হয়েছে।

(FAQ) বর্ধমান জেলা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. পূর্বের বর্ধমান জেলা কবে বিভাজিত হয়?

২০১৭ সালে।

২. অবিভক্ত বর্ধমান জেলার সদর কোথায় ছিল?

বর্ধমান শহরে।

৩. কোন পুরাণে বর্ধমানের উল্লেখ আছে?

মার্কেণ্ডেয় পুরাণ।

৪. বর্ধমান কথার অর্থ কি?

সম্পন্ন কেন্দ্র।

Leave a Comment