রাওলাট সত্যাগ্রহ

গান্ধীজীর রাওলাট সত্যাগ্রহ সম্পর্কে মন্তব্য, তারাচাঁদের উক্তি, সত্যাগ্রহ সভা প্রতিষ্ঠা, রাওলাট সত্যাগ্রহের সূচনা, গান্ধীজীকে সমর্থন, গান্ধীজীর বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্ৰহণ, সর্বভারতীয় ধর্মঘট, বিদ্রোহের আগুন, হিন্দু-মুসলিম ঐক্য, গান্ধীজীর কারাবরণ, রণকৌশল, রাওলাট সত্যাগ্রহের প্রকৃতি, সীমাবদ্ধতা ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানবো।

Table of Contents

রাওলাট সত্যাগ্রহ

পটভূমিকুখ্যাত রাওলাট আইন জারি
সময়কাল১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল
নেতৃত্বমহাত্মা গান্ধী
ফলাফলব্যর্থতা
রাওলাট সত্যাগ্রহ

ভূমিকা :- চম্পারণ সত্যাগ্রহ, খেদা সত্যাগ্রহআমেদাবাদ সত্যাগ্রহ – গান্ধী পরিচালিত এই আন্দোলনগুলি ছিল আঞ্চলিক আন্দোলন এবং সংকীর্ণ সীমানার মধ্যে আবদ্ধ। ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের সূচনায় কুখ্যাত রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে পরিচালিত গান্ধীজির রাওলাট সত্যাগ্রহ তাঁকে সর্বভারতীয় রাজনীতির অঙ্গনে প্রতিষ্ঠিত করে।

রাওলাট আইন সম্পর্কে গান্ধীজি

এই আইনের ধারাগুলি সম্পর্কে তিনি বীতশ্রদ্ধ ছিলেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, এই আইনের সুপারিশগুলি আমাকে বিস্মিত করেছে। এই আইন ব্রিটিশ শাসনের প্রতি অনুগত নাগরিক গান্ধীজিকে একজন বিদ্রোহীতে পরিণত করে।

আইন মানতে নারাজ

ব্রিটিশ শাসনকে তিনি “শয়তানবাদের’ পরিচায়ক বলে অভিহিত করে ঘোষণা করেন যে, “এই আইনগুলি এবং এই ধরনের অন্যান্য আইন আমরা ভদ্রভাবে মেনে নিতে রাজি নই।”

রাওলাট আইন সম্পর্কে গান্ধীজীর উক্তি

এই আইনের স্বরূপ উদ্ঘাটিত করে ব্যঙ্গ-ভরে তিনি বলেন যে, এই আইনে “উকিল নেহি, দলিল নেহি, আপিল নেহি”।

তারা চাঁদের উক্তি

ঐতিহাসিক তারা চাঁদ বলেন যে, গান্ধীজির মতো এক মহান সত্যের পূজারির এই মানসিক পরিবর্তন ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নৈতিক ভিত্তির ধ্বংস সুনিশ্চিত করে। তাঁর বিদ্রোহী মনোভাব ভারতে যে বিদ্রোহের সূচনা করল তা শেষ পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন ঘটাল।

সত্যাগ্রহ সভা প্রতিষ্ঠা

এই স্বৈরাচারী আইনটির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে গান্ধীজির সভাপতিত্বে ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে ‘সত্যাগ্রহ সভা’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর প্রস্তুতি ও কর্মসূচি ছিল বোম্বাই-এ।

সত্যাগ্রহে অবতীর্ণ

মুষ্টিমেয় কিছু নরমপন্থী কংগ্রেস নেতার বিরোধিতা সত্ত্বেও মূলত নেতৃত্বহীন হোমরুল লীগের কর্মী এবং প্রগতিশীল কয়েকটি ইসলামপন্থী গোষ্ঠীর সমর্থন নিয়ে গান্ধীজি রাওলাট আইন-বিরোধী রাওলাট সত্যাগ্রহে অবতীর্ণ হন।

গান্ধীজিকে সমর্থন

মন্টেগু-চেমসফোর্ড শাসন সংস্কারকে সমর্থন জানিয়ে শ্রীমতী বেশাস্ত তখন নরমপন্থী দলভূক্ত হয়েছেন এবং ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দের সেপ্টেম্বরে তিলক ইংল্যাণ্ড যাত্রা করেছেন। অন্যদিকে তুরস্কের সুলতানের প্রতি ইংল্যাণ্ডের আচরণে ক্ষুব্ধ প্রগতিশীল তরুণ মুসলিম নেতৃত্বও তাঁর প্রতি সমর্থন জানায়।

অসহযোগ আন্দোলনের সূচনা

গান্ধীজি পরিচালিত এই আন্দোলনকে অসহযোগ আন্দোলনের সূচনা বলা যায়। আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসেবে তিনি একটি শপথপত্র রচনা করে নিজে তাতে স্বাক্ষর করেন এবং অন্যান্য সত্যাগ্রহীদেরও স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেন।

বিভিন্ন শহরে ভ্রমণ

প্রচারমূলক রচনাদি প্রকাশ করা হতে থাকে এবং মার্চ এপ্রিলের মধ্যে তিনি নিজে বোম্বাই, দিল্লী, এলাহাবাদ, লক্ষ্ণৌ এবং দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি শহর পরিভ্রমণ করেন।

শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি

শান্তিপূর্ণভাবে আইন অমান্য করে গ্রেপ্তার ও কারাবরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এতদিন পর্যন্ত আন্দোলনগুলি কেবলমাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শন, জনসভা, মিছিল ও সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

কংগ্রেসের সক্রিয়তা

গান্ধীজির সত্যাগ্রহ জাতীয় আন্দোলনকে একটি উচ্চতর ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করে। জাতীয়তাবাদী কর্মীদের কাছে সত্যাগ্রহ কেবলমাত্র মৌখিক ক্রোধ বা বিক্ষোভ প্রকাশের কর্মসূচি ছিল না—সত্যাগ্রহের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী কর্মীদের তিনি গঠনমূলক কর্মে অবতীর্ণ হবার সুযোগ করে দেন এবং নেতৃত্বহীন ও দুর্বল জাতীয় কংগ্রেস সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে পরিণত হয়।

সাধারণ মানুষের সমর্থন

দেশের দরিদ্রতম মানুষটিকেও তিনি তাঁর কর্মসূচির আওতায় টেনে আনেন এবং সাধারণ মানুষের সমর্থন অর্জনের জন্য তাঁর কর্মীদের গ্রামাঞ্চলে পাঠাতে থাকেন।

সর্বভারতীয় ধর্মঘট

১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে মার্চ গান্ধীজি সমগ্র দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেন। কিন্তু পরে তারিখ পরিবর্তিত করে ৬ই এপ্রিল ধার্য করা হয়। ভারতবর্ষে এটাই প্রথম সর্বভারতীয় ধর্মঘট।

৩০ মার্চ ধর্মঘট

নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ কোন স্থানীয় আন্দোলন, দুর্বল প্রতিবাদ বা নিছক নিন্দা প্রকাশ নয়—সরকারের বিরুদ্ধে ভারতব্যাপী হরতাল। উপযুক্ত সময়ে সংবাদ না পাওয়ায় ৩০শে মার্চ-ই দিল্লী, মুলতান, লাহোর ও অমৃতসরে ধর্মঘট পালিত হয়।

দিল্লীর জনপ্রিয়তা

দিল্লীতে হাকিম আজমল খাঁ ও আর্য সমাজের নেতা স্বামী শ্রদ্ধানন্দের নেতৃত্বে ধর্মঘট বিপুল সাফল্য অর্জন করে। দিল্লীতে পুলিশের গুলিতে আট জন নিহত ও প্রায় একশ জন আহত হলে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে।

বিদ্রোহের আগুন

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সাতদিন দিল্লীর সব দোকানপাট এমনকি রেল চলাচলও বন্ধ থাকে। দিল্লীর এই হত্যাকাণ্ড সারা ভারতে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দেয়।

হিন্দু-মুসলিম ঐক্য

এই সময় দিল্লীতে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ছিল অভূতপূর্ব। হিন্দু মুসলিম একে অন্যের হাত থেকে জল খেত। হিন্দু নেতা স্বামী শ্রদ্ধানন্দকে জামা মসজিদের বেদি থেকে ভাষণ দিতে দেওয়া হয়।

গান্ধীজীর দিল্লী যাত্রা

দিল্লীর ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য দিল্লীর নেতৃবৃন্দ গান্ধীজির কাছে আবেদন জানান। ৭ই এপ্রিল তিনি দিল্লী অভিমুখে যাত্রা করেন। কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর দিল্লী ও পাঞ্জাব প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

গান্ধীজীকে গ্রেপ্তার

সরকারের আদেশ অমান্য করলে ১০ই এপ্রিল দিল্লীর কাছে পালওয়াল স্টেশনে গান্ধীজীকে গ্রেপ্তার করে বোম্বাই পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে সারা দেশে বিক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে।

আমেদাবাদ শহরের পরিস্থিতি

আমেদাবাদের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে। জনতা-পুলিশে সংঘর্ষ শুরু হয়। সুতাকলের ধর্মঘটী শ্রমিকরা ৫১টি সরকারি বাড়ী ভস্মীভূত করে এবং রেললাইন তুলে ফেলে দু’টি সৈন্যবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত করে।

রণকৌশল

সত্যাগ্রহ আন্দোলনকে পরিচালিত করবার জন্য গান্ধীজি কতকগুলি রনকৌশল অবলম্বন করেন –

  • (১) তিনি কংগ্রেসের আবেদন নিবেদন নীতির বদলে অহিংস পথে আইন অমান্য করে সরকারের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ডাক দেন।
  • (২) ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাস থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে তিনি বোম্বে, দিল্লি, এলাহাবাদ, লখনউ ও দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিভ্রমন করে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করেন।
  • (৩) কুখ্যাত আইনের বিরুদ্ধে গান্ধীজি ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ৬ ই এপ্রিল ভারতব্যাপী হরতালের ডাক দেন।
  • (৪) যে সকল স্থানে হরতাল শুরু হয়, সেখানে পুলিশ জনতা খন্ডযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এর ফলে কোনো কোনো স্থানে আন্দোলন হিংসাশ্রয়ী হয়ে ওঠে।

সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রকৃতি

এই সত্যাগ্রহ আন্দোলনের চেহারা সর্বত্র এক রকম ছিল না।

  • (১) মধ্যপ্রদেশের মারাঠি-ভাষী অঞ্চলে এই আন্দোলন তেমন সফল হয় নি। মাদ্রাজেও এর তেমন কোনো প্রভাব পড়ে নি।
  • (২) বাংলার কয়েকটি জেলায় ধর্মঘট হয়। কলকাতায় কিছু দোকান-পাট বন্ধ ছিল মাত্র।
  • (৩) বিহারের পাটনা, ছাপড়া, মুঙ্গের, গয়া প্রভৃতি শহরে হরতাল পালিত হয়। জম্মু কাশ্মীর ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে কোনো ধর্মঘট হয় নি।

তীব্র দমন নীতি

গান্ধীজির নেতৃত্বে আন্দোলন তীব্র আকার ধারন করলে ব্রিটিশ সরকার নৃশংস দমন পীড়ন চালিয়ে রাওলাট আন্দোলন স্তব্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

আন্দোলন প্রত্যাহার

বিভিন্ন স্থানে রাওলাট সত্যাগ্রহে হিংসার প্রবেশ ঘটলে অহিংস আন্দোলনে হিংসার প্রবেশ ঘটায় গান্ধীজি অত্যন্ত মর্মাহত হন এবং ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ১৮ এপ্রিল রাওলাট আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।

রাওলাট সত্যাগ্রহের সীমাবদ্ধতা

এই রাওলাট আন্দোলনের বিফলতার পিছনে কতকগুলি সীমাবদ্ধতা ছিল। এগুলি হল –

  • (১) সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারনে এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে নি।
  • (২) সব শ্রেণীর মানুষ এই আন্দোলনে সামিল হয় নি।
  • (৩) এই আন্দোলন ছিল প্রধানত শহরকেন্দ্রীক। গ্রামাঞ্চলে এই আন্দোলনের তেমন কোন প্রভাব পড়ে নি।
  • (৪) স্থানীয় মানুষ নানা কারনে ক্ষুব্ধ হয়ে এই আন্দোলনে সামিল হয়েছিল।
  • (৫) অহিংস নীতি ও সত্যাগ্রহ আদর্শের অনুশীলনে সাধারন মানুষকে খুব ভালো ভাবে অনুরক্ত করে তোলা যায় নি।

রাওলাট সত্যাগ্রহের গুরুত্ব

যে মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে মহাত্মা গান্ধী রাওলাট সত্যাগ্রহের ডাক দিয়েছিলেন তা শেষ পর্যন্ত সফলতা লাভ করতে পারে নি। ব্রিটিশ সরকার রাওলাট আইন প্রত্যাহার করে নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইতিহাসে রাওলাট সত্যাগ্রহ ও আন্দোলন একাধিক গুরুত্ব ও তাৎপর্যের বার্তা বহন করে এনেছিল। যেমন –

  • (১) রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে গান্ধীজি যে গন আন্দোলন গড়ে তোলেন তা ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের মহাবিদ্রোহের পর ছিল সবচেয়ে বড়ো গন আন্দোলন।
  • (২) এই আন্দোলন গান্ধীজিকে সর্বভারতীয় স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল।এই আন্দোলনের আদর্শ, চিন্তাধারা ও রনকৌশল সব কিছুই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। রাওলাট সত্যাগ্রহ গান্ধীকে একজন প্রভূত ক্ষমতাশালী সর্বভারতীয় নেতা হিসেবে তুলে ধরেছিল।
  • (৩) এই আইনের প্রতিবাদে গান্ধীজী ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ৬ ই এপ্রিল ভারতব্যাপী যে হরতাল বা ধর্মঘটের ডাক দেন তা ছিল ভারতের ইতিহাসে প্রথম সর্বভারতীয় ধর্মঘট।
  • (৪) এই আন্দোলন থেকেই প্রথম জাতীয় কংগ্রেসের সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়। তাই গান্ধীজি কংগ্রেসকে পুনর্গঠিত করে সর্বভারতীয় আন্দোলন পরিচালনার কথা ভাবেন।
  • (৫) রাওলাট আন্দোলনের ফলেই ১৯২০ খ্রিঃ মধ্যে কংগ্রেস দল ও দলীয় রাজনীতি দুটি ক্ষেত্রেই মহাত্মা গান্ধী নিজের আধিপত্য স্থাপন করতে সক্ষম হন।
  • (৬) রাওলাট আন্দোলনে গান্ধীজী কংগ্রেসের আবেদন নিবেদন নীতির বদলে অহিংস সত্যাগ্রহের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ সংগ্রাম বা লড়াইয়ের যে আদর্শ স্থাপন করেন তা ব্রিটিশ শাসনে নুহ্যমান দেশবাসীর মনে এক নতুন চেতনা ও আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার করে।

উপসংহার :- নিঃসন্দেহে, রাওলাট আইনের সীমাবদ্ধতা গুলি থেকে গান্ধীজি তার রাজনৈতিক শিক্ষা লাভ করেন এবং পরবর্তী গন আন্দোলন গুলিতে এই সমস্ত সীমাবদ্ধতা গুলি দূর করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

(FAQ) রাওলাট সত্যাগ্রহ সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. রাওলাট সত্যাগ্রহের প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?

বোম্বাই।

২. কে কবে রাওলাট সত্যাগ্রহের সূচনা করেন?

মহাত্মা গান্ধী, ৬ এপ্রিল, ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে।

৩. গান্ধীজীর রাওলাট সত্যাগ্রহের উদ্দেশ্য কী ছিল?

কুখ্যাত রাওলাট আইনের বিরোধিতা ও তার প্রত্যাহার।

Leave a Reply

Translate »