অশোকের ধর্ম প্রচার

অশোকের ধর্ম প্রচার প্রসঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মের কনষ্টানটাইন, অশোকের ধর্মপ্রচারের আদর্শ, ধর্মযাত্রা, অনুসংযান বা পরিক্রমা, ধর্মমহামাত্র নিয়োগ, স্তম্ভ ও শিলালিপি স্থাপন, অভাব অভিযোগের প্রতিকার, শাসন নীতি, বৌদ্ধ ধর্মের সংহতি রক্ষা, ধর্মপ্রচারক প্রেরণ, ইউরোপীয় পণ্ডিতদের মতামত, স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের উন্নতি সম্পর্কে জানবো।

অশোকের ধর্ম প্রচার

বিষয় অশোকের ধর্ম প্রচার
রাজা সম্রাট অশোক
ধর্ম বৌদ্ধ ধর্ম
পূর্বসূরি বিন্দুসার
উত্তরসূরি কুণাল
অশোকের ধর্ম প্রচার

ভূমিকা :- অশোক বৌদ্ধধর্ম এবং তার নিজস্ব ধম্ম প্রচারের জন্য রাষ্ট্রের সকল বিভাগকে নিয়োগ করেন। তার ধর্ম প্রচারের ফলে ভারত ও ভারতের বাইরে ব্যাপক বিস্তার লাভ করে এবং বৌদ্ধ ধর্ম বিশ্বধর্মে পরিণত হয়।

বৌদ্ধ ধর্মের কনষ্টানটাইন

এইচ জি ওয়েলসের মতে, অশোকের চেষ্টার ফলে গাঙ্গেয় অঞ্চলে প্রচারিত একটি ধর্মমত এক বিশ্বজনীন ধর্মে পরিণত হয়। এজন্য তাকে বৌদ্ধধর্মের কনষ্টানটাইন বলে অভিহিত করা হয়।

অশোকের ধর্মপ্রচারের আদর্শ

ষষ্ঠ শিলালিপিতে অশোক বলেছেন যে, “বিশ্বের মানুষের উপকার করা অপেক্ষা উচ্চতর কোনো কর্তব্য নেই। মানুষ ও প্রাণীজগতের নিকট আমি যে ঋণী, তা পরিশোধ করার জন্য আমি সামান্যমাত্র চেষ্টা করছি।”

ধর্মযাত্রা

অশোকের মানবতাবোধ এবং বিনীত ও মার্জিত ভঙ্গি তার বাকশৈলীতে ধরা যায়। বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেওয়ার পরেই অশোক নানাভাবে এই ধর্মের উন্নতি ও প্রচারের চেষ্টা করেন। যেমন –

  • (১) অষ্টম শিলালিপিতে তিনি বলেছেন যে, তাঁর রাজত্বের দশম বছরে তিনি ‘বিহারযাত্রা’কে ধর্মযাত্রায় পরিণত করেন। ধর্মযাত্রার সূত্রে তিনি ভগবান বুদ্ধের জন্মস্থান ও তার স্মৃতির দ্বারা পবিত্র স্থান পরিক্রমা করেন।
  • (২) ধর্ম যাত্রার সময় তিনি ব্রাহ্মণ, শ্রমণ, নির্গ্রন্থদের দান করেন।
  • (৩) তিনি জনসাধারণের মধ্যে বুদ্ধের বাণী প্রচার করেন।
  • (৪) চতুর্থ শিলালিপিতে তিনি বলেন যে, ভেরী ঘোষকে তিনি ধম্ম ঘোষে পরিণত করেন।
  • (৫) তিনি প্রজাদের স্বর্গীয় দৃশ্য দেখিয়ে তাদের ধর্মবুদ্ধি জাগান। এর ফলে জম্বুদ্বীপের সকল মানুষ ধর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়।

অনুসংযান বা পরিক্রমা

  • (১) অশোক শীঘ্রই বুঝতে পারেন যে, একক চেষ্টায় এত বড় কাজ সম্পন্ন করা যাবে না। সুতরাং তিনি যুত, মহামাত্র, রাজুক প্রভৃতি কর্মচারীদের নির্দেশ দেন যে, তারা যেন জনসাধারণের নিকট ধম্মের বাণীগুলি প্রচার করে।
  • (২) সপ্তম স্তম্ভলিপিতে তিনি বলেছেন যে রাজুক, যুত প্রভৃতি কর্মচারীরা জনসাধারণের কাছে ধম্ম প্রচারের সময় ‘ধম্ম শবণ’ বা ধম্ম সম্পর্কিত ঘোষণাগুলি, ‘ধম্মানুসতি’ বা ধম্ম সম্পর্কিত শিক্ষাগুলি বুঝিয়ে দেয়।
  • (৩) তৃতীয় শিলালিপিতে তিনি বলেন যে, প্রতি ৩/৫ বছর রাজুক, ঘৃত, প্রাদেশিক প্রভৃতি কর্মচারীরা গ্রামাঞ্চলে পরিক্রমা বা অনুসংযান করে এবং ধম্ম প্রচার করে। রাজুক নামক কর্মচারীদের দায়িত্ব দেন যে, তারা যেন প্রজাদের বৈষয়িক ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্যে আন্তরিক চেষ্টা করে।

ধর্মমহামাত্র নিয়োগ

  • (১) তিনি ধর্মমহামাত্র নামে এক বিশেষ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ করেন। ধর্মমহামাত্রদের কাজ ছিল বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি, রাজকীয় দান ও জনহিতকর কাজগুলির পরিচালনা এবং অশোকের ‘ধম্ম’ নীতির প্রচার।
  • (২) পঞ্চম শিলালিপিতে ধর্মমহামাত্রদের কর্তব্যের বিবরণ পাওয়া যায়। বৌদ্ধভিক্ষু, জৈন বা নিগ্রন্থ ও আজীবিকদের মধ্যে যাতে বিবাদ না হয় তা দেখা ধর্মমহামাত্রদের বিশেষ কর্তব্য ছিল। তাদের মধ্যে ধম্মের বাণী প্রচার করে সাম্য ও মৈত্রী স্থাপন করার তিনি নির্দেশ দেন।

স্তম্ভ ও শিলালিপি স্থাপন

অশোক তার ধম্মের বাণীগুলি জনসমক্ষে প্রচারের জন্য এক অসাধারণ প্রচার কৌশল গ্ৰহণ করেন। তিনি পাহাড় বা স্তম্ভের গায়ে তার ধম্মের বাণীগুলি উৎকীর্ণ করে দেন, যাতে লোকে সর্বদা তা জানতে পারে। আজ পর্যন্ত অশোকের এরূপ ৩৫ টি লিপি পাওয়া গেছে। সপ্তম শিলালিপিতে অশোক বলেন যে, জনসাধারণের আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য তিনি ‘ধম্ম স্তম্ভ’ স্থাপন, ধম্ম শরণ ও ধম্মানুসতির ব্যবস্থা করেছেন।

অভাব অভিযোগের প্রতিকার

  • (১) কেবলমাত্র ধম্মের বাণী প্রচার করলেই তাঁর কর্তব্য শেষ হবে না, একথা অশোক জানতেন। তিনি বলেন, “সবে মুনিষে প্রজা মমা”, সকল মানুষ আমার সন্তান। ধম্ম প্রচার দ্বারা প্রজাদের পরলোকের উন্নতির ব্যবস্থা তিনি করেন।
  • (২) ইহলোকে তারা যাতে সুখে থাকে তা দেখাও ছিল তাঁর ধম্মের অঙ্গ। এজন্য তিনি ধর্মমহামাত্র, রাজুক প্রভৃতি কর্মচারীদের নির্দেশ দেন যে, তারা যেন জনসাধারণের অভাব অভিযোগের প্রতিকার করে। রাজুক নামে কর্মচারীদের প্রজাদের অভিযোগের প্রতিকার করার তিনি বিশেষ দায়িত্ব দেন।
  • (৩) জনহিতের জন্য তিনি পথিপার্শ্বে বৃক্ষরোপণ পানীয় জলের কূপ খনন ও বিশ্রামশালা তৈরী করান। যাতে লোকে রোগের চিকিৎসা পায় তার জন্য ঔষধির চারা রোপণ করান। তিনি পশুচিকিৎসালয় স্থাপন করেন।
  • (৪) তিনি মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা-প্রাপ্ত কয়েদীকে তিনদিন সময় দেন। সম্ভবত এই সময়। সেই ব্যক্তি তার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারত। তাঁর অভিষেকের বার্ষিকীতে তিনি কারাগার থেকে বন্দীদের মুক্তি দেন। মানুষ ছাড়া জীব-জন্তুর মঙ্গলের জন্যেও তিনি কাজ করেন।

শাসন নীতি

তাঁর রাজ্য শাসন ও পররাষ্ট্র নীতিতে অহিংসা নীতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এজন্য তিনি যুদ্ধের দ্বারা রাজ্য জয় ছেড়ে ধর্মবিজয় নীতিকেই শ্রেয় জ্ঞান করেন। রাজ্যে প্রাণীহত্যার বিরুদ্ধে আইন জারী করেন।

বৌদ্ধধর্মের সংহতি রক্ষা

বৌদ্ধধর্ম ছিল অশোকের হৃদয়ের জিনিষ। যাতে বৌদ্ধ সংঘে দলীয় মনোবৃত্তি সংঘকে ভেঙে না দেয় এজন্য তিনি পাটলিপুত্রে তৃতীয় বৌদ্ধ সঙ্গীতি আহ্বান করেন। এই সম্মেলনে বৌদ্ধ শাস্ত্রের বিতর্কিত বিষয়গুলি সম্পর্কে এক ঐক্যমতে আসার চেষ্টা করা হয়। অশোক এই সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান। যে সকল ভিক্ষু এর বিরোধিতা করেন তাদের বহিষ্কার করা হয়। এই সভার সিদ্ধান্ত সারনাথ লিপিতে প্রচার করা হয়।

ধর্ম প্রচারক প্রেরণ

  • (১) তৃতীয় সঙ্গীতির পর অশোক বিভিন্ন অঞ্চলে বৌদ্ধ প্রচারক পাঠিয়ে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। তিনি ত্রয়োদশ শিলালিপিতে দাবী করেছেন যে, তার সীমান্তবর্তী রাজ্যের ৬০০ যোজন পর্যন্ত তার ধর্ম বিজয় ও জনকল্যাণ নীতি কার্যকর করেন।
  • (২) তৃতীয় বৌদ্ধ সঙ্গীতির পর তিনি কাশ্মীর, গান্ধার, নেপাল, মহারাষ্ট্র, মহীশূর ও সুবর্ণভূমি বা ব্রহ্মদেশে ধর্মদূত বা প্রচারক পাঠিয়ে স্থানীয় বৌদ্ধদের মধ্যে মতভেদ দূর করেন এবং ধর্মের দীপ জ্বালিয়ে দেন।
  • (৩) ভারতের বাইরে তাঁর প্রচারকরা নানা দেশে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন বলে জানা যায়। সিংহলী মহাবংশ এবং স্থানীয় প্রমাণে একথার সমর্থন মেলে। ত্রয়োদশ লিপিতে অশোক বলেছেন যে, তাঁর ধর্মমত পাঁচটি গ্রীক শাসিত রাজ্য যথা সিরিয়া, মিশর, কাইরেনী, ম্যাসিডন ও এপিরাসে বিস্তার লাভ করেছিল।
  • (৪) তার পুত্র মহেন্দ্র ও কন্যা সঙ্ঘমিত্রা সিংহলে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। রুশ গবেষক বনগার্ড লেভিনের মতে, অশোক গোড়া থেকে ধর্মসহিষ্ণুতা নীতি নেন এবং এই নীতিকে তিনি তাঁর ধর্ম প্রচারের প্রধান অঙ্গ হিসাবে গ্রহণ করেন।
  • (৫) তার রাজত্বের শেষদিকে তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি বেশী পক্ষপাত দেখাতে থাকেন। এই মতের সমর্থনে লেভিন অশোকের বৈরাট লিপির উল্লেখ করেছেন, যেখানে অশোক “বুদ্ধ, ধর্ম ও সঙ্ঘের” প্রতি তাঁর অবিচল আনুগত্য ঘোষণা করেছেন। লেভিনের মতে, এই লিপিটি অশোকের রাজত্বের শেষ দিকে ক্ষোদিত হয়।
  • (৬) ভাণ্ডারকর প্রমুখ গবেষক অবশ্য এই মতের বিপক্ষেই বলেছেন যে, অশোক আগাগোড়া সকল সম্প্রদায়ের প্রতি সহিষ্ণুতা দেখান। হালশ (Hultzsch) ভাণ্ডারকরদের এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে বলেছেন যে, অশোক সর্বদাই প্রত্যেককে নিজ নিজ উপায়ে মুক্তিলাভের সুযোগ দেন। তিনি সকল মানুষকে তাঁর সন্তান বলে গণ্য করেন।

ইউরোপীয় পণ্ডিতদের মতামত

  • (১) কোনো কোনো ইউরোপীয় ঐতিহাসিক গ্রীকদের মধ্যে বৌদ্ধধর্ম প্রচার সম্ভব ছিল না বলে মনে করেন। ইউরোপীয় লেখকরা বলেন যে, গ্রীকরা ছিল ভয়ানক আত্মগর্বী জাতি। তারা বাইরের জগতের কারও প্রচারিত ধর্মমত গ্রহণ করবে একথা ভাবা যায় না।
  • (২) এ সম্পর্কে কোনো  সন্তোষজনক প্রমাণ নেই। কিন্তু যদি হেলিওডোরাসের মত গ্রীক বৈষ্ণবধর্ম গ্রহণ করেন, মিনান্দার-এর মত গ্রীক রাজা বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন, তবে অশোকের প্রচারকরা গ্রীকদের প্রভাবিত করতে ব্যর্থ হবেন এমন কথা বলা যায় না।
  • (৩) খ্রি পূর্ব দ্বিতীয় শতকে সিংহলে এক বৌদ্ধ স্তূপের স্থাপনার সময় আলেসান্দা বা ব্যাকট্রিয়ার আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ৩০ হাজার বৌদ্ধ ভিক্ষু মহারক্ষিতের নেতৃত্বে যোগ দেন। এঁদের মধ্যে অধিকাংশ গ্রীক ছিলেন।
  • (৪) ডঃ পি. সি. বাগচির মতে, ব্যাকট্রিয়া থেকে গ্রীক বৌদ্ধ প্রচারকরা চীনে যান। পশ্চিম ভারতের নাসিক, কার্লে, কানহেরী প্রভৃতি স্থানের বৌদ্ধ গুহামন্দির নির্মাণে গ্রীকদের দানের উল্লেখ পাওয়া যায়।
  • (৫) ডঃ বাগচী দেখিয়েছেন যে, খ্রিস্টিয় প্রথম শতকে পশ্চিম এশিয়ার ইরাণ অঞ্চলে বৌদ্ধধর্ম প্রতিষ্ঠিত ছিল। সুতরাং অশোকের দাবীর বাস্তব ভিত্তি ছিল একথা সত্য। তবে সিরিয়া ও ব্যাকট্রিয়ার বাইরে তার ধম্ম মিশন কাজ করেছিল কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
  • (৬) পণ্ডিত ম্যাক্সমুলার দেখিয়েছেন যে, গ্রীকদের চিন্তাধারার মধ্য দিয়ে বৌদ্ধধর্ম কিভাবে খ্রীষ্টধর্মকে প্রভাবিত করে। খ্রীষ্টীয় ধর্মে সন্ন্যাস, উপবাস ও খ্রিস্টিয় পুরোহিতদের ব্রহ্মচর্য প্রথার উদ্ভব বৌদ্ধ ভিক্ষুদের অনুকরণে হয়। বৌদ্ধ অহিংসা মন্ত্র খ্রীষ্টধর্মের ওপর গভীর ছাপ ফেলে। মোট কথা, পশ্চিম এশিয়ায় বৌদ্ধধর্ম প্রচারের কৃতিত্ব অশোকের প্রাপ্য বলে মনে করা সঙ্গত।

স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের উন্নতি

  • (১) অশোকের ধর্মপ্রচারের জন্য স্তম্ভ ও পাথরের লিপির ব্যবহার পাথরের শিল্পের উন্নতি ঘটায়। স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের নতুন দিক খুলে যায়। অশোকের আগে মৌর্য স্থাপত্য প্রধানত কাঠের কাজেই আবদ্ধ ছিল। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের কাঠের তৈরি প্রাসাদ ও পাটলিপুত্রের কাঠের প্রাচীরের কথা মেগাস্থিনিস বলেছেন।
  • (২) অশোক তাঁর ধম্মের বাণী প্রচারের জন্য পাথরের ফলক ও পাথরের স্তম্ভের ব্যাপক ব্যবহার আরম্ভ করেন। ভাণ্ডারকরের মতে, পাহাড়ের বা পাথরের ফলক পালিশ করে লিপি খোদাই-এর ব্যাপারে পারসিক শিল্পীদের প্রভাব থাকলেও স্বতন্ত্র স্তম্ভ নির্মাণ করে তাতে উন্নত পালিশের কাজ করে তার গায়ে লিপি খোদাই-এর প্রণালী ছিল অশোকের নিজস্ব উদ্ভাবন।

উপসংহার :- পালি ভাষা ও ব্রাহ্মী লিপির তিনি ব্যাপক প্রচার ঘটান। পালি ছিল লোকের মুখের ভাষা। ব্রাহ্মী লিপি সারা ভারতে চালু করে অশোক ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্য দৃঢ় করেন। এইচ. জি. ওয়েলস বলেছেন যে, অশোক তাঁর কাজের জন্যে “ভারত থেকে জাপান পর্যন্ত সর্বত্র এখনও সম্মানিত হচ্ছেন।”

(FAQ) অশোকের ধর্ম প্রচার সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. তৃতীয় মৌর্য সম্রাট কে ছিলেন?

অশোক।

২. অশোক কোন ধর্ম গ্ৰহণ করেন?

বৌদ্ধ ধর্ম।

৩. অশোক কার কাছে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হন?

উপগুপ্ত।

৪. অশোক ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে কোন কোন কর্মচারী নিয়োগ করেন?

রাজুক, যুত, ধর্মমহামাত্র।

Leave a Reply

Translate »