রাশিয়া

বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া প্রসঙ্গে অবস্থান, সীমা, আয়তন ও জনসংখ্যা, নামকরণ, ঐতিহাসিক দিক, রাজনৈতিক দিক, প্রশাসনিক অঞ্চল, ভৌগোলিক দিক, বৈদেশিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক দিক, ভাষা ও খেলাধুলা সম্পর্কে জানবো।

রাশিয়া

দেশ রাশিয়া
রাজধানী মস্কো
বিশেষ বৈশিষ্ট্য বিশ্বের বৃহত্তম দেশ
রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন
প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন
রাশিয়া

ভূমিকা:- বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া সরকারিভাবে রুশ ফেডারেশন নামে পরিচিত। দেশটি অর্ধ প্রেসিডেনসিয়াল ফেডারেল প্রজাতন্ত্র, যার সংবিধান ৮৩ টি ফেডারেল বিষয় দ্বারা গঠিত।

অবস্থান

পূর্ব ইউরোপে এবং উত্তর এশিয়ায় অবস্থিত রাশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দেশ। পৃথিবীর মোট আবাসযোগ্য জমির এক অষ্টমাংশ রয়েছে রাশিয়ায়।

সীমা

রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব পর্যন্ত নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ড, বেলারুশ, ইউক্রেন, জর্জিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, চীন, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সাথে সীমান্ত আছে। দেশটির অখতস্ক সাগরের মাধ্যমে জাপান -এর সাথে ও বেরিং প্রণালীতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার সাথে সামুদ্রিক সীমানা রয়েছে।

আয়তন ও জনসংখ্যা

রাশিয়ার মোট আয়তন ১৭,০৭৫,৪০০ বর্গকিমি বা ৬,৫৯২,৮০০ বর্গমাইল। পূর্ব ইউরোপে জায়গা সম্প্রসারণের ফলে রাশিয়া ১১টি সময় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এখানে অনেক রকম ও বিস্তৃত পরিবেশের সমন্বয় ঘটেছে। রাশিয়া বিশ্বের নবম জনবহুল দেশ। এখানে ১৪৩ মিলিয়নের বেশি লোক বসবাস করে।

নামকরণ

  • (১) রুশ নামক মধ্যযুগীয় একটি রাষ্ট্র থেকে রাশিয়া নামটি এসেছে, যেখানকার অধিকাংশ জনগণই ছিল ইস্ট স্লাভ গোত্রের অন্তর্গত। পরবর্তী ইতিহাসে এই নামটি আরও বিশিষ্ট হয়ে ওঠে। জনগণ দেশটিকে রুশকায়া যেমল্যা বলে ডাকতো যার অর্থ দাড়ায় রুশ ভূমি বা রুশ এর ভূমি।
  • (২) রাশিয়া ও এই রাষ্ট্র থেকে উদ্ভূত রাষ্ট্রের নামের পার্থক্য করার জন্য আধুনিক ইতিহাস -এ একে কিয়েভান রুশ বলে ডাকা হয়। রুশ নামটি রুশ নামের একটি গোত্র থেকে এসেছে যারা ছিল মূলত ভারাঞ্জিয়ানদের একটি দল এবং এরাই প্রথম রুশ নামে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
  • (৩) রুশ শব্দটির পুরনো ল্যাটিন ভাষার একটি সংস্করণ ছিল রুথেনিয়া যেটি দক্ষিণ ও পশ্চিম রুশে বেশি ব্যবহার করা হত এবং এই অঞ্চলটি ক্যাথলিক ইউরোপ সংলগ্ন ছিল। দেশটির বর্তমান নাম রাশিয়া কিয়েভান রাশ -এর বাইজান্টাইন গ্রিক শব্দ রোসিয়া থেকে এসেছে। আর রাশিয়ার অধিবাসীদের রুশ বলা হয়।

ইতিহাস

  • (১) রাশিয়ার ইতিহাস শুরু হয় তৃতীয় ও অষ্টম শতকের মধ্যবর্তী সময়ে পূর্ব স্লাভদের মাধ্যমে যারা ইউরোপের একটি স্বীকৃত জাতি হিসেবে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে ভারাঞ্জিয়ান যোদ্ধা ও তাদের বংশধরদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও শাসিত হয় এবং নবম শতকে দেশটির উত্থান শুরু হয়।
  • (২) ৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য থেকে গোঁড়া খ্রিস্টান রীতি গৃহীত হয়। এর ফলে বাইজান্টাইন ও স্লাভ সংস্কৃতির সংমিশ্রণ ঘটে, যা পরবর্তী সহস্রাব্দ পর্যন্ত বহাল থাকে। রাশিয়া অনেকগুলি ছোট ছোট অঞ্চলে ভাগ হয়ে যায় এবং বেশিরভাগ জমি মোঙ্গলদের আক্রমণের পদদলিত হয় ও যাযাবরদের জন্য স্বর্গ হয়ে ওঠে।
  • (৩) মস্কোর গ্র্যান্ড ডিউক শেষ পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী রুশ অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করেন ও যাযাবরদের কাছে থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেন। তারা মূলত কিয়েভান রাশিয়ার রাজনীতি ও সংস্কৃতিকে শাসন করেন।
  • (৪) অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত এই জাতি বিজয়, আত্মসাৎ এবং অন্বেষণের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ করে ইউরোপের পোল্যান্ড থেকে উত্তর আমেরিকার আলাস্কা পর্যন্ত বিস্তার ঘটায়, যা ছিল ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম সাম্রাজ্য।
  • (৫) রুশ বিপ্লব -এর পর রুশীয় সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্রীয় সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের বৃহত্তম, নেতৃস্থানীয় ও প্রয়োজনীয় সদস্য হয়ে ওঠে যা সংবিধান অনুযায়ী একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ। সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
  • (৬) রুশীয়দের মতে রুশ সমাজতন্ত্র সমস্ত ধরনের শোষণ থেকে মানুষকে মুক্ত করেছিল, মানুষকে বিকশিত করে উন্নত সুন্দর মানুষ বানিয়েছিল। সেখানে ধনী দরিদ্রের ভেদরেখা ভেঙ্গা ফেলা হয়, শ্রমিকে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ মূল। বিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রে, সাহিত্যের বিশাল অবদান রাখে।
  • (৭) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সোভিয়েত দেখে বলেছিলেন, স্বর্গ দেখে এলাম। এই সময় রাশিয়া অত্যন্ত শক্তিশালী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ -এর সময় সোভিয়েত ইউনিয়নেই প্রথম জার্মানির পরাজয় ঘটে, তারপর নাৎসি জার্মানির পতন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠে এবং শেষমেষ পরাজিত হয়।
  • (৮) বিংশ শতকের কিছু উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত সাফল্য পেয়েছিল যার মধ্যে ছিল বিশ্বের প্রথম মহাকাশযান ও প্রথম নভোচারী। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর সোভিয়েতের রুশীয় প্রজাতন্ত্র রুশ ফেডারেশন হিসেবে গঠিত হয় এবং একক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত হয়।

রাজনীতি

রাশিয়া একটি আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত দেশ যেখানে প্রেসিডেন্ট সর্ব ক্ষমতার অধিকারী। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করে থাকেন। রাশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন মিখাইল মিশুস্তিন।

প্রশাসনিক অঞ্চল

রাশিয়া ৮টি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্টে বিভক্ত। উল্লেখযোগ্য ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট ও তাদের মূল শহর গুলি হল –

  • (১) কেন্দ্রীয় বিভাগ- মস্কো।
  • (২) উত্তর-পশ্চিম বিভাগ- সেন্ট পিটার্সবার্গ, কালিনিনগ্রাদ।
  • (৩) ভলগা বিভাগ- নিঝনি নোভগরদ, কাজান, সামারা, দক্ষিণ রোস্তভ-ন্য-দানু, ভলগোগ্রাদ, সোচি
  • (৪) উরাল বিভাগ- ইয়েকাতেরিনবুর্গ।

বৈদেশিক সম্পর্ক

পররাষ্ট্রনীতি বা বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাশিয়া মিত্রতার নীতি গ্রহণ করে। তবে বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন সম্পর্ক তিক্ত হয়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নামে পরিচিত।

ভৌগোলিক দিক

  • (১) ইউরেশিয়া ভূখণ্ডের উত্তর অংশের বেশির ভাগ এলাকা জুড়ে রাশিয়া বিস্তৃত। পূর্ব ইউরোপের বেশির ভাগ অংশ রাশিয়াতে পড়েছে। এটি আয়তনের বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ।
  • (২) বিশাল রাশিয়ার প্রকৃতি একই সাথে বৈচিত্র্যময় ও বৈচিত্র্যহীন। উত্তর থেকে দক্ষিণে তুন্দ্রা, তৈগা, স্তেপ ও অর্ধ-ঊষর মরুভূমি বিস্তৃত। দেশটিতে ৪০টি ইউনেস্কো জীবমণ্ডল সংরক্ষণ এলাকা রয়েছে। রাশিয়া বিশ্বের সর্বপ্রথম বৃহত্তম দেশ এবং প্রথম শীতলতম দেশ বলে এ দেশে সারাবছর হিমশীতল এবং শৈত্যপূর্ণ আবহাওয়া থাকে।
  • (৩) অতিরিক্ত আর্কটিক বরফাচ্ছন্নতা, অতি উচ্চভূমি এবং রুশ প্রকৃতির হেতু দ্বারা শৈত্যপ্রবাহ সৃষ্টি হয় এবং সারাদিন শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকে। এই দেশে বছরে ১০ মাস শৈত্যপ্রবাহ (সেপ্টেম্বর-মে) এবং ৮ মাস বরফাচ্ছন্ন (অক্টোবর-এপ্রিল) হয়ে থাকে।
  • (৪) রাশিয়ার সাইবেরিয়া এলাকায় সারাদিন ঠাণ্ডা ও শৈত্যপ্রবাহ থাকে এবং পশ্চিম-দক্ষিণাংশে গরম থাকে। রাশিয়া দেশটি হাড়কাঁপানি ঠাণ্ডা বলে এখানে থাকা খুবই কষ্টকর এবং প্রতিকূল।

অর্থনীতি

  • (১) রাশিয়ার ব্যাপক খনিজ ও জ্বালানি সম্পদ একে বিশ্বের বৃহত্তম মজুতদার হিসেবে তৈরি করেছে। রাশিয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি পারমাণবিক শক্তি সম্পন্ন পাঁচটি স্বীকৃত দেশের মধ্যে অন্যতম এবং দেশটির বিশ্বের বৃহত্তম ধ্বংসাত্মক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে।
  • (২) পরাক্রমশালী রাষ্ট্র রাশিয়া জাতিসংঘ -এর নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং জি ৮, জি ২০, দি কাউন্সিল অফ ইউরোপ, দি এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনোমিক কোঅপারেশন, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা, ইউরেশীয় অর্থনৈতিক কমিউনিটি, ইউরোপ নিরাপত্তা সংগঠন কাউন্সিল (ও এস সি ই) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য।
  • (৩) সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়াতে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং ১৯৯০-এর দশকে দেশে লাগামহীনভাবে পুঁজিবাদী অর্থনীতি বিস্তার লাভ করে। এর ফলে স্বল্পসংখ্যক ক্ষমতাবান ব্যক্তির হাতে বেশির ভাগ সম্পদ কুক্ষিগত হয়।
  • (৪) ১৯৯৮ সালে রাশিয়ার অর্থনীতিতে ধ্বস নামে, কিন্তু বিশ্ববাজারে তেলের উচ্চমূল্যের কারণে রাশিয়া এই বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠে। রাশিয়ার অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও প্রায় এক দশক যাবত দেশটির অর্থনীতিতে ভাল প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
  • (৫) রাশিয়াতে বর্তমানে মুক্ত বাজার ব্যবস্থা প্রচলিত। প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, কয়লা ইত্যাদির বিশাল ভান্ডার রাশিয়ার অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা পালন করে। রাশিয়ার অর্থনীতি বিশ্বে দশম বৃহত্তম। একুশ শতকের শুরু থেকে সুষ্ঠ রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং অভ্যন্তরীন ব্যবস্থাপনা রাশিয়ার অর্থনীতির ব্যাপকায়নে ভূমিকা রেখেছে।
  • (৬) সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাবার পর ১৯৯৮ সালে রাশিয়ার জাতীয় দারিদ্রসীমার নিচে ছিল ৪০% যা ২০১০ নাগাদ ১৩% এ নেমে আসে। ২০০৬ সালের মাঝেই রাশিয়া তার বৈদেশিক ঋণের অধিকাংশ মিটিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়, বর্তমানে দেশটি বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতির দেশের মধ্যে খুব কম ঋনগ্রস্ত।
  • (৭) রাশিয়ার অর্থনীতির বিশাল অংশই প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল। বড় শিল্পায়ন প্রাধান্য দেবার মাধ্যমে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেবল মস্কো এলাকাতেই রাশিয়ার অর্থনীতির বিশাল অংশ নিয়ন্ত্রিত হয়, এটাই বড় সমস্যা।

ভাষা

  • (১) রাশিয়া বা রুশ প্রজাতন্ত্রের সরকারি ভাষা হল রুশ ভাষা। রাশিয়ার প্রায় ৮০% লোক এই ভাষায় কথা বলে। রাশিয়াতে আরও প্রায় ৮০টিরও বেশি ভাষা প্রচলিত আছে। এদের মধ্যে কতগুলি ভাষার আঞ্চলিক সহ-সরকারি মর্যাদা আছে।
  • (২) চেচেন, চুভাশ, কালমিক, কাবার্দিয়ান, কোমি, মারি, মর্দভিন, ওসেটীয়, তাতার, তুভিন, উদমুর্ত, ইয়াকুত, অ্যাভার, বুরিয়াত, বাশকির ইত্যাদি। এছাড়া বেশ কিছু মধ্য ইউরোপীয় ভাষা যেমন জার্মান, পোলীয় এবং য়িডিশ ভাষাও প্রচলিত। জিপসি বা রোমানি ভাষাতেও অনেকে কথা বলে।

খেলাধুলা

সর্বকালীন অলিম্পিক গেমসের পদক তালিকায় রাশিয়ার স্থান দ্বিতীয়। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ও ২০১৪ সালে শীতকালীন অলিম্পিক রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালে দেশটি প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করে।

উপসংহার:- রাশিয়ার বেশিরভাগ অংশ এশিয়, সংস্কৃতিক ভাবে পূর্ব ইউরোপের তুলনায় কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া বা উত্তর-পূর্ব চীনের সংস্কৃতির সঙ্গে বেশি সাদৃশ্য পূর্ণ। এই এলাকার একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সংস্কৃতি আছে।

(FAQ) রাশিয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. বিশ্বের বৃহত্তম দেশের নাম কি?

রাশিয়া।

২. রাশিয়ার রাজধানীর নাম কি?

মস্কো।

৩. রাশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি কে?

ভ্লাদিমির পুতিন।

৪. রাশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?

মিখাইল মিশুস্তিন।

৫. রাশিয়ার মুদ্রার নাম কি?

রাশিয়ান রুবেল।

Leave a Reply

Translate »