পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু -র জন্ম, শৈশব, শিক্ষা, ব্যক্তিজীবন, রাজনীতিতে যোগ, গান্ধীজির প্রভাব, কংগ্রেসের সভাপতি, ভারত ছাড়ো আন্দোলনে অংশগ্রহণ, ১৯৪৬ -এর নির্বাচন, প্রথম প্রধানমন্ত্রী পদ গ্ৰহণ, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সূচনা শিশু দিবস ও নেহরুর মৃত্যু সম্পর্কে জানবো।

Table of Contents

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

জন্ম ১৪ নভেম্বর, ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ
পিতামাতা মতিলাল নেহেরু ও স্বরূপ রাণী
রাজনৈতিক দল জাতীয় কংগ্রেস
পেশা ওকালতি
প্রভাবিত মহাত্মা গান্ধী দ্বারা
প্রধানমন্ত্রী ১৯৪৭-১৯৬৪ খ্রিস্টাব্দ
পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

ভূমিকা:- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিবিদ, ভারত -এর স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, আদর্শবাদী, পণ্ডিত এবং কূটনীতিবিদ নেহেরু ছিলেন একজন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব।

জওহরলাল নেহরুর জন্ম

ভারতের প্রধান নদী গঙ্গার তীরে এলাহাবাদ শহরে ১৪ নভেম্বর ১৮৮৯ সালে জওহরলাল নেহেরু জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মতিলাল নেহেরু ও মা স্বরুপ রানি।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর শৈশব

আইন ব্যবসার কারণে মতিলাল নেহেরু এলাহাবাদে বসবাস শুরু করেন এবং সেখানে একজন আইনজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এই সময়েই মতিলাল নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন। জওহরলাল ও তার দুই বোন বিজয়া লক্ষ্মী ও কৃষ্ণা ‘আনন্দ ভবন’ নামে বিশাল বাড়িতে পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে বেড়ে উঠেন।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর শিক্ষা

তৎকালীন ভারতের সবথেকে আধুনিক স্কুলে পড়ার পর ১৫ বছর বয়সে নেহেরু ইংল্যান্ড -এর হ্যারোতে চলে যান। তিনি প্রকৃতি বিজ্ঞানের উপরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজে লেখাপড়া করেন। এরপর তিনি কেমব্রিজেই ব্যারিস্টারি পড়া শুরু করেন।

সমাজতন্ত্রের প্রতি জওহরলাল নেহরুর আকৃষ্ট

ইংল্যান্ডে পড়ার সময় নেহেরু ভারতীয় ছাত্র সংসদের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এই সময়েই তিনি সমাজতন্ত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর ব্যক্তিগত জীবন

ভারতে ফিরে আসবার পরে ১৯১৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জওহরলাল নেহেরু কমলা কাউলকে বিয়ে করেন। তখন তার বয়স ২৭ আর তার স্ত্রীর বয়স ছিল ১৬। পরের বছরেই কমলা কাউলের গর্ভে তাদের একমাত্র কন্যা ইন্দিরা প্রিয়দর্শীনির জন্ম হয়।

জওহরলাল নেহরুর রাজনীতিতে যোগ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে একজন আইনজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সাথে সাথে নেহেরু ভারতীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯১৬ সালে লক্ষ্মৌ সম্মেলনে কংগ্রেস ভারতের স্বাধীনতার আহ্বান জানায়। সে সময় পিতার হাত ধরেই নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগ দেন। যদিও মহাত্মা গান্ধীর ভারত আগমনের পূর্বে নেহেরু কংগ্রেসের রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় ভূমিকা রাখেন নি।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর গান্ধীজির প্রভাব

  • (১) গান্ধীর দর্শন ও নেতৃত্ব জওহরলাল নেহেরুকে গভীরভাবে আকৃষ্ট করে। ভারতে ফিরে গান্ধী চম্পারন সত্যাগ্ৰহখেদা সত্যাগ্ৰহ আন্দোলন শুরু করেন। গান্ধীর নীতি ছিল সত্যাগ্রহ ও অহিংসা। চম্পারন আন্দোলনের সময় নেহেরু গান্ধীর সাথে পরিচিত হন এবং তাকে সাহায্য করেন।
  • (২) নেহেরু গান্ধীর প্রভাবে নেহেরু খাদির তৈরি কাপড় পরতেন, ভগবত গীতা পাঠ এবং যোগ-ব্যায়াম শুরু করেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনেও গান্ধীর কাছ থেকে পরামর্শ নিতেন এবং গান্ধীর সাথেই বেশির ভাগ সময় কাটাতেন।

জওহরলাল নেহরুর বিশেষ জনপ্রিয়

একজন বিশিষ্ট সংগঠক হিসেবে নেহেরু উত্তর ভারতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেন, বিশেষ করে যুক্ত প্রদেশ, বিহার ও কেন্দ্রীয় প্রদেশগুলোতে।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর কারাবাস

পিতা মতিলাল ও গান্ধী গ্রেফতার হবার পর নেহেরু তার মা ও বোনদের সহ কয়েক মাস কারাবরণ করেন। গান্ধী ঐ সময় কারাগারে অনশন ধর্মঘট পালন করেন।

মতিলাল নেহেরুর কংগ্রেস ত্যাগ

১৯২২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চৌরিচৌরাতে বাইশজন পুলিশকে বিদ্রোহীরা হত্যা করলে গান্ধী এহেন হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবাদে গান্ধী অসহযোগ আন্দোলন ত্যাগ করেন। এই ঘটনার পরে মতিলাল নেহেরু কংগ্রেস ছেড়ে স্বরাজ্য দল -এ যোগ দেন। কিন্তু জওহরলাল নেহেরু গান্ধীর সাথে কংগ্রেসে থেকে যান।

মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের সভাপতি জওহরলাল নেহরু

এরপর নেহরু জাতীয়তাবাদী কর্মকাণ্ড স্থগিত রেখে সামাজিক সমস্যা ও স্থানীয় সরকারের প্রতি নজর দেন। তিনি ১৯২৪ সালে এলাহাবাদ মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি দুই বছর এই পদে আসীন থাকেন।

শ্রমিক কংগ্রেসের সভাপতি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

১৯২০ সালে নেহেরু নিখিল ভারত শ্রমিক ইউনিয়ন কংগেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। এই সময় সুভাষ চন্দ্র বসু যথেষ্ট প্রভাবশালী নেতা ছিলেন।

নেহরু রিপোর্ট

১৯২৮ সালে মতিলাল নেহেরুর নেহেরু রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এতে ব্রিটিশ সরকারের কাছে ভারতের জন্য “ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস” দাবী করা হয়। মহাত্মা গান্ধী ঘোষণা করেন দুই বছরের মধ্যে ভারতকে ডোমিনিয়ন স্টাটাস দেওয়া না হলে তিনি ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতার আন্দোলন শুরু করবেন।

কংগ্রেসের সভাপতি জওহরলাল নেহরু

  • (১) ১৯২৯ সালের লাহোর কংগ্রেস -এ গান্ধীর পরামর্শে নেহেরুকে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সভাপতি নেহেরু রাভি নদীর তীরে এক জনসভায় ভারতের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেন।
  • (২) ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি কংগ্রেস পূর্ণ স্বরাজ আন্দোলনের ডাক দেয়। লবণের উপর করারোপ করায় নেহেরু গুজরাটসহ দেশের অন্যান্য অংশে সফর করে গণআন্দোলনের ডাক দেন। তিনি এই সময় গ্রেফতারও হন।
  • (৩) ১৯৩১ থেকে ১৯৩৫ সালের মাঝে মাত্র চার মাস ছাড়া বাকি সময় তিনি বোন ও স্ত্রীসহ কারাগারে ছিলেন।

সমাজতন্ত্রের পক্ষে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর বক্তব্য

১৯৩৫ সালে জেল থেকে মুক্ত হয়ে পরের বছর নেহেরু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং লক্ষ্মৌ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। এই সম্মেলনে ভবিষ্যত ভারতের জাতীয় অর্থনৈতিক নীতি হিসেবে সমাজতন্ত্রকে গ্রহণ করার পক্ষে নেহেরু বক্তব্য রাখেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জওহরলাল নেহরুর প্রতিক্রিয়া

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ -এর সময় ভারতের ভাইসরয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কোন রূপ আলোচনা ছাড়াই, ভারতের পক্ষে মিত্রশক্তির বিরূদ্ধে যুদ্ধে যোগদানের ঘোষণা করেন। এর প্রতিবাদে সকল কংগ্রেসী জনপ্রতিনিধি তাদের পদ থেকে ইস্তফা দেন। যুদ্ধের পর ভারতীয়দের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করা হবে এই আশায় নেহেরু ব্রিটিশদের সমর্থন করেন।

গান্ধী ও বল্লভভাই প্যাটেলের আন্দোলনের প্রতিবাদে পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সুভাষ চন্দ্র বসু অক্ষ শক্তিকে সমর্থন করেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার কংগ্রেস নেতাদের বিশ্বাস ভঙ্গ করলে গান্ধী ও বল্লভভাই প্যাটেল আন্দোলনের ডাক দেন। রাজাগোপালচারী এর পক্ষে ছিলেন না। অন্যদিকে নেহেরু ও মৌলানা আজাদ এর তীব্র প্রতিবাদ করেন।

ভারত ছাড়ো আন্দোলনে জওহরলাল নেহরুর ভূমিকা

অনেক আলোচনার পরে কংগ্রেস ভারত ছাড়ো আন্দোলন -এর ডাক দেয়। পক্ষে না থাকলেও, দলের সিদ্ধান্তে নেহেরু ভারত ছাড়ো আন্দোলনকে জনপ্রিয় করতে ভারতের বিভিন্ন স্থানে সফর করেন।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর গ্রেফতার

ব্রিটিশ সরকার ১৯৪২ সালের ৯ আগস্ট নেহেরু ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করে। তারা প্রায় সকলেই ১৯৪৫ এর জুন মাস নাগাদ কারাবন্দি ছিলেন। নেহেরুর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ও তার স্বামী ফিরোজ গান্ধীও কয়েক মাসের জন্য গ্রেফতার হন।

১৯৪৬-এর নির্বাচনে জওহরলাল নেহরুর প্রস্তুতি

  • (১) ১৯৪৪ সালে ইন্দিরা গান্ধীর পুত্র রাজীব গান্ধীর জন্ম হয়। ১৯৪৫ সালে জেল থেকে বের হয়ে তিনি ১৯৪৬-এর নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।
  • (২) নির্বাচনের আগে থেকেই নিখিল ভারত মুসলিম লীগ নেতা মহম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র পাকিস্তানের দাবি জানাচ্ছিলেন।
  • (৩) নেহেরু ভারত বিভাগকে সমর্থন করেন। অবশেষে ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হয়। এই দিনটিতে ভারতে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়।

প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু

১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে নেহেরু ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার শাসনাকালে ভারত-পাকিস্তান ও ভারত-চীন যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ২৭ মে, ১৯৬৪ পর্যন্ত তিনি ভারতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

নেহরু-লিয়াকত চুক্তি

ভারত-পাকিস্তানের শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নেহেরু ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান নেহেরু-লিয়াকত চুক্তি করেন।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সূত্রপাত

জওহরলাল নেহেরু ছিলেন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন মানুষ, এই দূরদৃষ্টিতার জোরেই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সূত্রপাত করেছিলেন তিনি, আজ এই পরিকল্পনার জোরে লাভবান হচ্ছে দেশ।  ১৯৫১-৫৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সূচনা হয়েছিল।

জওহরলাল নেহরুর এক ভারত, অখন্ড ভারতের ডাক

দক্ষিণ ভারত যখন পৃথক দেশ হিসাবে নিজেদের গড়ে তোলার দাবি জানাচ্ছিল, তখন তিনি ‘এক ভারত, অখন্ড ভারত’-এর কথা বলেছিলেন। তিনি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই বিষয়টিকে আরও জোরালো করে তোলেন।

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিন উপলক্ষে শিশু দিবস

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু শিশুদের কাছে ছিলেন প্রিয় ‘চাচা নেহেরু’। অন্যদিকে জওহরলাল নেহরুও ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভালোবাসতেন। ১৯৬৪ সালের ২৭ মে,পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর প্রয়াণের পর শিশুদের প্রতি তার চরিত্রের এই বিশেষ দিকটিকে স্মরণে রেখে সর্বসম্মতভাবে তার জন্মদিনটি ভারতে শিশু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপর থেকেই প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর দিনটি ভারতে শিশু দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।

নেহরু কোট

ব্যক্তি জীবনে রুচিবান পুরুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন জওহরলাল নেহরু। তার পরিধেয় বহুল ব্যবহৃত প্রিয় কোটটি নেহেরু কোট নামে পরিচিত। সম্প্রতি নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ট্যাবলয়েড টাইম ম্যাগাজিনের নতুন ফ্যাশন তালিকায় কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর ট্র্যাকস্যুট এবং চীনের অবিসংবাদিত নেতা মাও সে তুং-এর ব্যবহৃত চার পকেটবিশিষ্ট মাও স্যুটের পাশাপাশি স্থান পায় নেহরুর কোটটি।

জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু

১৯৬২ সালের প্রথম ভারত-চীন যুদ্ধের পর নেহেরু অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কাশ্মীরে কিছুদিন বিশ্রাম নেন। ১৯৬৪ সালের মে মাসে কাশ্মীর থেকে ফেরার পর নেহেরু হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং ২৭ মে তার কার্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

উপসংহার:- স্বাধীন ভারতের সত্ত্বা অটুট রাখার জন্য নেহরু চাইতেন, যেন ভারতকে অন্য কোনো দেশের চাপ সহ্য করতে না হয়। দেশ নিজের সত্ত্বা বজায় রাখবে, অন্য দেশের বিষয়ে মাথা গলাবে না – এটাই ছিল তার নীতি। তিনি চেয়েছিলেন ভারত নিজের স্বাধীন বিদেশ নীতি বজায় রাখবে, কখনই তার বিসর্জন দেবে না।

(FAQ) পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

২. কার জন্মদিনে ভারতে শিশু দিবস পালিত হয়?

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

৩. কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে পূর্ণ স্বরাজের দাবি ঘোষণা করেন কে?

সভাপতি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

৪. ভারতে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সূচনা করেন কে?

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

৫. কোন প্রধানমন্ত্রীর সময়ে ভারত-পাক ও ভারত-চীন যুদ্ধ হয়?

পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু।

Leave a Reply

Translate »