জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি প্রসঙ্গে সিংহাসনে আরোহন, যোগ্যতা স্বীকৃত, উদার শাসননীতি, জালালউদ্দিনের আপোষ নীতির বিরোধিতা, মোঙ্গল দমন, মালিক চাজ্জুর বিদ্রোহ, নব মুসলমান, ঠগী ও দস্যুদের দমন, সিদি মৌলার বিদ্রোহ, জালাল উদ্দিনের হত্যা ও তার কৃতিত্ব সম্পর্কে জানবো।

সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি

সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি
রাজত্ব ১২৯০-১২৯৬ খ্রি:
বংশ খলজি বংশ
পূর্বসূরি দাস বংশ
উত্তরসূরি আলাউদ্দিন খলজি
জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি

ভূমিকা :- জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির শিরায় মূলতঃ তুর্কী রক্ত থাকলেও, তাঁর পূর্বপুরুষরা দীর্ঘকাল ভারত -এ থাকার ফলে তিনি এবং সহযোগী খলজিরা হিন্দুস্থানী মুসলমান বলে পরিচিত ছিলেন।

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির সিংহাসনে আরোহণ

জালালউদ্দিন খলজি ১২৯০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর সুলতানি সিংহাসন অধিকার করেন। তিনি যখন সিংহাসনে বসেন তখন তার বয়স ছিল ৭০ বৎসর।

যোগ্যতা স্বীকৃত

কাইকোবাদের আমলে তিনি শির-ই-জান্দার, আরিজ-ই-মামালিক ও মুলতানের শাসনকর্তার পদে নিযুক্ত হয়ে নিজ যোগ্যতার পরিচয় দেন। শাসন ও যুদ্ধবিদ্যা উভয় ক্ষেত্রেই তাঁর যোগ্যতা স্বীকৃত হয়।

সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি উদার শাসননীতি

  • (১) সিংহাসনে বসার পর তিনি তাঁর পূর্বতন সক্রিয় শাসননীতি ছেড়ে উদারপন্থী নীতি নেন। যুদ্ধ-বিগ্রহ বা শত্রুদের নির্মূল করার কাজে তিনি অবহেলা দেখান। কোনো কোনো ঐতিহাসিক বলেছেন যে, জালালউদ্দিনের বার্ধক্য দশার জন্য তার নীতিতে এরূপ শিথিলতা দেখা দেয়, যাকে কেউ কেউ উদারতা বলে বর্ণনা করেছেন।
  • (২) ডঃ নিজামি এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, ইলতুৎমিস হতে বলবনের আমল পর্যন্ত তুর্কী সুলতানরা একচেটিয়া তুর্কী আধিপত্য স্থাপনের চেষ্টা করে যে জাতিগত বিরোধ সৃষ্টি করেন, জালালউদ্দিন তার নিরসন চান।
  • (৩) এজন্যই তিনি হিন্দুস্থানী, তুর্কী সকল সম্প্রদায়ের প্রতি উদার নীতি নেন, যাতে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি ও সাম্য স্থাপিত হয়। এজন্য তিনি বিভিন্ন পদ থেকে তুর্কীদের উচ্ছেদ করা থেকে বিরত থাকেন।
  • (৪) অবশ্য প্রধান পদগুলি তিনি তার অনুগত হিন্দুস্থানী মুসলিমদের দেন। কোনো তুর্কী সেনাপতি বিদ্রোহ করলে তাকে দমন করে তিনি ক্ষমা করে দেন। জালালউদ্দিনের, এই নীতিকে সাম্য বা সৌভ্রাত্র নীতি বলাই সঙ্গত।

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি কর্তৃক আপোষ নীতির বিরোধিতা

  • (১) জালালউদ্দিন বুঝেছিলেন যে, দিল্লীর প্রভাবশালী লোকেরা তখনও তুর্কীদের পক্ষে ছিল এবং হিন্দুস্থানী সমর্থক খলজিদের পছন্দ করত না। এজন্য জালালউদ্দিন বেশ কিছুদিন দিল্লীতে ঢুকেন নি। তিনি কালিঘিরী থেকে শাসনকার্য চালান।
  • (২) প্রায় এক বৎসর পরে তিনি দিল্লীতে ঢুকেন। দিল্লীর লোকেরা তার উদারনীতিতে সন্তুষ্ট হয়ে তাকে বরণ করে। বলবনের নিষ্ঠুর রক্ত-লৌহ নীতির স্থলে জালালউদ্দিনের উদারতা ও সহনশীলতা জনসাধারণকে বিস্মিত করে। অবশ্য সুলতানের এই উদারতাকে অনেকে দুর্বলতা মনে করে।
  • (৩) উচ্চাকাঙ্ক্ষী লোকেরা এই সুযোগে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তরুণ খলজি মালিকরা জালালুদ্দিনের এই শান্তিবাদী সহনশীল নীতিকে অবাস্তব ও ক্ষতিকারক মনে করে। কারণ তারা মনে করত যে, বিদ্রোহ ও অরাজকতার যুগে এই ধরনের নিষ্ক্রিয় শান্তিবাদী নীতি খলজি সিংহাসনের নিরাপত্তা নষ্ট করবে।
  • (৪) খলজি বিপ্লবের পর খলজি সিংহাসনকে দৃঢ় ভিত্তিতে স্থাপন করার জন্য যে বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নীতির দরকার জালালউদ্দিনের কাজে তার অভাব তাদের হতাশাগ্রস্থ করে। এমন কি, তার নিজ ভ্রাতুষ্পুত্র আলাউদ্দিন খলজিও তাঁর পিতৃব্যের নরম নীতির ঘোর সমালোচক ছিলেন।

মালিক চাজ্জুর বিদ্রোহ

  • (১) ফিরোজ তার সমর্থকদের প্রতিবাদে কান না দিয়ে তার সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব নীতি অনুসরণ করেন। জালালউদ্দিনের সহনশীলতা ও সৌভ্রাত্র নীতির সুযোগে ভূতপূর্ব সুলতান বলবনের ভ্রাতুষ্পুত্র মালিক চাজ্জু (Malik Chajju) ১২৯০ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহ করেন।
  • (২) তিনি কারা বা অযোধ্যা অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন। তিনি সুলতান মুঘিসউদ্দিন উপাধি নিয়ে নিজ নামে খুৎবা পাঠ করেন। স্থানীয় হিন্দু রাণা ও রায়ৎরা চাজ্জুর পক্ষ নেয়। ফিরোজ ও তার পুত্র আরকালি খান মালিক চাজ্জুর বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেন। মালিক চাজ্জু ও তাঁর সহচররা যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে আরকালি খানের হাতে বন্দী হন।
  • (৩) ফিরোজ বিদ্রোহী রাণা ও রায়ৎদের দমন করে রাজধানীতে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনি মালিক চাজ্জুকে কোন শাস্তি না দিয়ে ক্ষমা প্রদর্শন করেন এবং তাকে মূলতানে পাঠিয়ে দেন। ফিরোজের এরূপ উদার ব্যবহারের ফলে বিরক্ত হয়ে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আলাউদ্দিন প্রতিবাদ জানান।

মোঙ্গোল দমন

জালালউদ্দিনের রাজত্বকালে আবদুল্লা নামে এক মোঙ্গল সেনাপতির অধীনে মোঙ্গল বাহিনী পাঞ্জাব আক্রমণ করে। জালালউদ্দিন মোঙ্গল বাহিনীকে বিতাড়ন করেন।

নব মুসলমান

মোঙ্গল নেতা হালাগুর পৌত্র উলুগু এই সময় কয়েক হাজার মোঙ্গলসহ সুলতানের আশ্রয় ভিক্ষা করলে, জালালউদ্দিন তাদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষা দেন এবং দিল্লীর উপকণ্ঠে বাসের আদেশ দেন। এদের নাম হয় ‘নব মুসলমান’।

ঠগী ও দস্যুদের দমন

  • (১) জালালউদ্দিনের উদারতার সুযোগে এই সময় বহু ঠগী নামে প্রতারক ও হত্যাকারী দস্যু হিন্দুস্থানের সর্বত্র উৎপাত ও লুণ্ঠন করত। জালালউদ্দিন কয়েক হাজার ঠগী ও দস্যুকে গ্রেপ্তার করেন। কিন্তু তাদের দুরবস্থা দেখে তিনি তাদের ক্ষমা করে দেন এবং নৌকা যোগে বাংলা সীমান্তে তাদের পাঠিয়ে সেখানে ছেড়ে দেওয়া হয়।
  • (২) দিল্লী থেকে তাদের দূরে পাঠিয়ে সুলতান নিশ্চিত হন। সুলতানের এই উদার নীতিকে অনেকে তার দুর্বলতা বলে মনে করে। এজন্য তরুণ খলজি মালিকরা বৃদ্ধ জালালউদ্দিনের ওপর দারুন অসন্তুষ্ট হন।

সিদি মৌলার বিদ্রোহ

  • (১) ফিরোজ কেবলমাত্র সিদি মৌলার বিদ্রোহে তার স্বভাবসিদ্ধ ক্ষমাশীল নীতির বিচ্যুতি ঘটান। সিদি মৌলা ছিলেন পারস্য থেকে আগত এক বিদেশী দরবেশ। তিনি সুফীমতের প্রচারক ছিলেন। বলবনের আমল হতে এই দরবেশের ধনসম্পদ ও অলৌকিক ক্ষমতার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
  • (২) খলজি বিপ্লবের পর বহু ইলবারী অভিজাত সিদি মৌলার ভক্ত হন। জালালউদ্দিনের জোষ্ঠপুত্র খান-ই-খানানও সিদি মৌলার ভক্তে পরিণত হন। সুলতান জালালউদ্দিনের কাছে তার মধ্যমপুত্র আরকালি খান ও অন্যান্য গুপ্তচররা অভিযোগ করেন যে, দরবেশ সিদি মৌলা সুলতানের বিরুদ্ধে চক্রান্তে লিপ্ত এবং তিনি জালালউদ্দিনকে হত্যা করে নিজে সুলতান হতে চেষ্টা করছেন।
  • (৩) সুলতান এই অভিযোগের সত্যাসত্য বিচার না করে সিদি মৌলাকে নিহত করেন। এজন্য জালালউদ্দিন লোক সমাজে নিন্দিত হন। সিদি-মৌলার মৃত্যুর পর দিল্লীতে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে লোকে মনে করে যে, জালালউদ্দিনের পাপে ঈশ্বরের অভিশাপে এরূপ হয়েছে।

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি কর্তৃক মধ্যপ্রদেশ অভিযান

সুলতান জালালুদ্দিন ফিরোজ মধ্যপ্রদেশের রাণা হাম্বীরদেবের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে আশঙ্কিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযানে ঝাঁই দুর্গ অধিকার করেন। হাম্বীরদেব রণথম্ভোরের দুর্গে আশ্রয় নিলে সুলতান কিছুকাল এই দুর্গ অবরোধ করে ব্যর্থ হন। এই অভিযানের সূত্রে তিনি মেওয়াটী ও চম্বলের দস্যুদলকে দমন করেন এবং মাণ্ডোর দুর্গ অধিকার করেন।

সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির উত্থান

  • (১) সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ তার ভ্রাতুষ্পুত্র আলাউদ্দিন খলজিকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আলাউদ্দিন তাঁর পিতৃব্যের উদারতার সুযোগে নিজ উচ্চাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করার চেষ্টা করেন।
  • (২) মালিক চাজ্জুর বিদ্রোহের পর কারা-মানিকপুর বা অযোধ্যার শাসনকর্তার পদ খালি হলে সুলতান তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আলাউদ্দিনকে এই শূন্য পদে নিয়োগ করেন। আলাউদ্দিন এইস্থানে নিযুক্ত হওয়ার পর তার উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করার চেষ্টা করেন।
  • (৩) আলাউদ্দিনের পত্নী ছিলেন সুলতান জালালউদ্দিনের কন্যা। মুখরা স্ত্রী ও প্রভুত্বপরায়ণ শ্বাশুড়ী আলাউদ্দিনের সাংসারিক জীবনকে খুবই অসুখী করেছিল। কারণ তারা আলাউদ্দিনকে একথা ভুলতে দিতেন না যে, তিনি তাঁর কাকা ও শ্বশুর জালালউদ্দিনের অনুগ্রহে এই পদে আছেন। এর ফলে আলাউদ্দিনের মনে স্বাধীনভাবে নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার বাসনা জাগে।

ভিলসা আক্রমণ

যে সময় সুলতান জালালউদ্দিন রাজপুতানায় যুদ্ধে ব্যাপৃত থাকেন, সেই সুযোগে আলাউদ্দিন মধ্যপ্রদেশে পারমার বংশের রাজধানী ভিলসা (বিদিশা) আক্রমণের সঙ্কল্প নেন। তিনি সুলতানের মৌখিক অনুমতি নিয়ে চান্দেরী ও ভিলসা আক্রমণ করেন। মন্দির ও গ্রাম লুণ্ঠন করে তিনি বিরাট ধন-রত্ন, বহু গবাদিপশু ও দাস পান। এই অর্থের দ্বারা তিনি গোপনে নিজ সেনাদল গড়েন।

দেবগিরি অভিযান

  • (১) এরপর তিনি ৮ হাজার বাছাই সেনা নিয়ে সুলতান জালালউদ্দিনের অজ্ঞাতসারে দক্ষিণে দেবগিরি রাজ্য আক্রমণ করেন। দেবগিরির ধনসম্পদ লুঠ করা ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য। দেবগিরির রাজা রামচন্দ্রদেব মুসলিম আক্রমণের কোনো আশঙ্কা করেন নি।
  • (২) এর ফলে তিনি সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত অবস্থায় আক্রান্ত হয়ে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হন। দেবগিরির বিরাট ধন-রত্ন আলাউদ্দিন লুঠ করেন। রামচন্দ্রদেব আলাউদ্দিনকে নিয়মিত কর পাঠাতে অঙ্গীকার করেন। সোনা, রূপা, মুক্তা, দামী পাথর, রেশম, দাস-দাসী, হাতি ও ঘোড়া নিয়ে আলাউদ্দিন দেবগিরি হতে নিজ শাসনকেন্দ্র কারায় ফিরে আসেন।

জালালউদ্দিনের হত্যা

  • (১) এদিকে দেবগিরিতে অনুমোদনহীন অভিযানের খবর দিল্লীতে পৌঁছালে সুলতান জালালউদ্দিন চিন্তিত হন। সভাসদরা সুলতানকে অবিলম্বে আলাউদ্দিনের উচ্চাকাঙ্খা দমিয়ে দিতে পরামর্শ দেয়। কিন্তু জালালুদ্দিন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রের প্রতি অন্ধ স্নেহবশতঃ এই পরামর্শে কান দেন নি।
  • (২) এদিকে আলাউদ্দিন ছল করেন যে, তিনি তার খুল্লতাতকে সম্বর্ধনা জানাবেন। জালালউদ্দিন এই ছলে বিশ্বাস করে গঙ্গাতীরে এলে আলাউদ্দিনের নির্দেশে তাকে হত্যা করা হয়। এইভাবে জালালউদ্দিন খলজির রাজত্বের অবসান ঘটে।

সুলতান জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির কৃতিত্ব

  • (১) জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির শাসনকালে কোনো উল্লেখ্য ঘটনা না ঘটলেও, তার রাজত্বকাল একটি বিশেষ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। “মামেলুক সুলতানদের পরীক্ষামূলক শাসন ব্যবস্থা এবং আলাউদ্দিন খলজির আমলের সুপরিকল্পিত সাম্রাজ্যবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে জালালুদ্দিনের রাজত্বকাল সেতু বন্ধন করেছে, একথা বলা যায়।”
  • (২) জালালউদ্দিনের শাসন জাতি বৈরতার ওপর প্রতিষ্ঠিত ইলবারী তুর্কী শাসনের অবসান ঘটায় এবং ভারতীয় মুসলিমদের সংহতিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি স্থাপন করে। জালালউদ্দিনের উদারপন্থী রোমান্সবাদী নীতি এজন্য বিশেষ কার্যকরী ছিল এতে সন্দেহ নেই। জালালউদ্দিন তাঁর প্রভু বলবনের বংশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার দ্বারা সিংহাসন লাভ করেন।
  • (৩) তিনি বৈধ উত্তরাধিকার অপেক্ষা ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খাকে গুরুত্ব দিয়ে এক কুদৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাঁরই প্রদর্শিত নীতি নিয়ে তাঁর প্রিয় ভ্রাতুষ্পুত্র আলাউদ্দিন তাকে নিহত করে সিংহাসন দখল করেন। এই হত্যাকে কোনো কোনো ঐতিহাসিক “কাব্যিক বিচার” (poetic justice) বলেন।

উপসংহার :- যাই হোক সিংহাসন লাভের পর জালালউদ্দিন যে উদার ও নমনীয় নীতি নেন তার দ্বারা তিনি তাঁর চরিত্রের উন্নত দিকের পরিচয় দেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি ছিলেন বিচক্ষণ শাসক ও সেনাপতি। মোঙ্গল যুদ্ধে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্ব দেখান।

(FAQ) জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. খলজি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি।

২. খলজি বিপ্লব কখন হয়?

১২৯০ খ্রিস্টাব্দে।

৩. খলজি বিপ্লবের নায়ক কে?

জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজি।

৪. জালালউদ্দিন ফিরোজ খলজির পর কে দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন?

আলাউদ্দিন খলজি।

Leave a Reply

Translate »