জার প্রথম আলেকজান্ডার

রাশিয়ার জার প্রথম আলেকজান্ডার -এর প্রথম জীবন, চরিত্র, সিংহাসনে আরোহণ, আভ্যন্তরীণ নীতি, উদারনৈতিক সংস্কার, ভূমিদাস প্রথা বিষয়ে পদক্ষেপ, সাংবিধানিক সংস্কার, ব্যর্থতা, বৈদেশিক নীতি ও তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে জানবো।

জার প্রথম আলেকজান্ডার

জন্ম১৭৭৭ খ্রিস্টাব্দ
জার শাসন১৮০১-১৮২৫ খ্রিষ্টাব্দ
কৃতিত্বউদারনৈতিক সংস্কার, সাংবিধানিক সংস্কার
মৃত্যু১৮২৫ খ্রিস্টাব্দ
জার প্রথম আলেকজান্ডার

ভূমিকা :- প্রথম আলেকজান্ডার ছিলেন বাস্তবতাবর্জিত একজন আদর্শবাদী কূটনীতিক। সমকালীন ইউরোপের দুই শক্তিধর পুরুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। একজন হলেন নেপোলিয়ন এবং অপরজন হলেন মেটারনিখ।

সিংহাসনে আরোহণ

১৭৯৬ খ্রিস্টাব্দে জারিনা দ্বিতীয় ক্যাথারিন-এর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র প্রথম পল সিংহাসনে বসেন। তিনি জনৈক সেনাপতির হাতে নিহত হলে তাঁর পুত্র প্রথম আলেকজান্ডার ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে জারের সিংহাসনে বসেন।  

ইউরোপের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব

নেপোলিয়নের সাহস, আত্মপ্রত্যয় বা সামরিক প্রতিভা, অথবা মেটারনিখের কূটনৈতিক প্রজ্ঞা তাঁর ছিল না। তা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন সমকালীন ইউরোপের এক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব।

চরিত্র

তিনি ছিলেন এক জটিল, দুর্বোধ্য ও রহস্যাবৃত চরিত্রের মানুষ। তাঁর চরিত্রে নানা পরস্পর-বিরোধী গুণাবলীর সমন্বয় ঘটেছিল। সমকালীন ইউরোপের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কূটনীতিক মেটারনিখ তাকে ‘বিকৃতমস্তিষ্ক’ বলে মনে করতেন।

প্রথম জীবন

  • (১) পিতামহী দ্বিতীয় ক্যাথারিনের ইচ্ছানুযায়ী তিনি বাল্যকালে উদারতান্ত্রিক সুইশ গৃহশিক্ষক লা হার্প -এর তত্ত্বাবধানে থাকাকালে রুশোর গণতান্ত্রিক মতবাদ ও ফরাসি বিপ্লবের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হন।
  • (২) এই উদারপন্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল দুর্জ্ঞেয় অধ্যাত্মবাদ। মাদাম ত্রুডিনার নামক জনৈকা সন্ন্যাসিনীর প্রভাবে তাঁর ঈশ্বরানুরাগ বৃদ্ধি পায় এবং তিনি গির্জার অধিকারবাদকে আঁকড়ে ধরেন। এই যোগাযোগের ফলেই হয়তো তিনি ‘পবিত্র চুক্তি‘ -র মতো একটি ধর্মভিত্তিক চুক্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন।
  • (৩) রুশ জাররা ছিলেন স্বৈরতন্ত্রী শাসক। তাঁদের পক্ষে পারিবারিক ঐতিহ্য বা স্বৈরাচারী কর্তৃত্বকে উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না। এর ফলে উদারনৈতিকতা, অধ্যাত্মবাদ ও স্বৈরাচারের সংমিশ্রণে তাঁর মধ্যে এক প্রহেলিকার সৃষ্টি। হয়েছিল। এই কারণে সমকালীন লেখকরা তাঁকে ‘a sphinx full of riddles এবং ‘মুকুটধারী হ্যামলেট’ বলে অভিহিত করেছেন।

অভ্যন্তরীণ নীতি

  • (১) প্রথম আলেকজান্ডারের আমল থেকে রাশিয়াতে উদারনৈতিকতার সূচনা হয়। এজন্য তিনি ‘উদারনৈতিক জার’ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। ক্রমে তিনি স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
  • (২) ভিয়েনা কংগ্রেস ও ইউরোপীয় শক্তি সমবায়ের ব্যাপারে মেটারনিখের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়। মেটারনিখের প্রভাবে তাঁর মধ্যে রক্ষণশীল চিন্তা জাগ্রত হয়, এবং ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি উদারনীতি ত্যাগ করে পুরোপুরি স্বৈরতন্ত্রের পথ ধরেন।

উদারনৈতিক সংস্কার

তাঁর উল্লেখযোগ্য উদারনৈতিক সংস্কার গুলি হল –

  • (১) তিনি রাশিয়াতে গুপ্ত ও দমনমূলক পুলিশ বাহিনীর বিলোপ ঘটান।
  • (২) বিদেশ ভ্রমণ ও বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠন-পাঠনের জন্য রুশ ছাত্র ও অধ্যাপকদের অনুমতি দেওয়া হয়।
  • (৩) শিক্ষাবিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি বহু প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও শিক্ষক-শিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
  • (৪) মস্কো, ভিলনা ও ডোরনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পুনর্গঠিত হয় এবং তিনি কাজান, সেন্ট পিটার্সবাগ ও খারকোভে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
  • (৫) কারাগার, হাসপাতাল, অনাথ আশ্রম এবং কৃষি ও ব্যবসার উন্নতির জন্য তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
  • (৬) দুর্ভিক্ষ-পীড়িতদের সাহায্যের জন্য দুর্ভিক্ষ ত্রাণ নীতি গ্রহণ করা হয়।
  • (৭) তিনি বহু জলাভূমি সংস্কার করে আবাদযোগ্য করেন।
  • (৮) তিনি ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে একটি ‘বাইবেল সোসাইটি’ গঠন করেন এবং ১৮১৪ খ্রিস্টাব্দে যোগ্যতা অনুসারে যাজকদের বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। গির্জা-সংক্রান্ত সকল প্রশাসনিক দায়িত্ব শিক্ষামন্ত্রীর হাতে দেওয়া হয়।

ভূমিদাস প্রথা

তিনি ভূমিদাসদের স্বার্থরক্ষার কথা চিন্তা করেন এবং এই উদ্দেশ্যে বেশ কিছু আইন প্রণয়ন করেন। যেমন –

  • (১) ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে এক নির্দেশ দ্বারা তিনি অভিজাত ছাড়াও অন্যান্যদের জমির মালিকানা-বিষয়ক স্বত্বলাভের অধিকার দেন।
  • (২) এক আইন মারফত ভূস্বামীদের সম্পত্তি নিজ নিজ ভূমিদাসদের হস্তান্তরের অনুমতি দেওয়া হয়।
  • (৩) ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দের এক আইন দ্বারা অভিজাতদের কিছু জমিদারি সরকারের পক্ষ থেকে কিনে নিয়ে সেই সব অঞ্চলের ভূমিদাসদের মুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়।
  • (৪) তিনি ভূমিদাসদের উপর দৈহিক নির্যাতন বন্ধ করার জন্য আইন করেন এবং তাদের পণ্যসামগ্রীর মতো বাজারে বিক্রি করা নিষিদ্ধ হয়।
  • (৫) পোল্যান্ডের কিছু এলাকা রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত হয়। এই অঞ্চলের ভূমিদাসদের চাষবাস করা ও ফসল বিক্রির অধিকার দেওয়া হয়। এই অঞ্চলে মাসের কয়েকটি নির্দিষ্ট দিন ছাড়া ভূমিদাসদের বেগার খাটানো নিষিদ্ধ হয়।
  • (৬) এইসব পরিবর্তন সত্ত্বেও তিনি কিন্তু ভূমিদাস প্রথায় মৌলিক কোনও পরিবর্তন আনতে রাজি ছিলেন না। তিনি মনে করতেন যে, ভূমিদাস প্রথার উচ্ছেদ ঘটলে জারতন্ত্র ভেঙে পড়বে। তা সত্ত্বেও মনে রাখতে হবে যে, তাঁর এই কার্যকলাপ ভবিষ্যতে ভূমিদাস প্রথার উচ্ছেদের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে।

সাংবিধানিক সংস্কার

ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে তিনি সাংবিধানিক সংস্কার শুরু করেন।

  • (১) সংবিধান সংশোধনের উদ্দেশ্যে চারজন উদারপন্থীকে নিয়ে তিনি একটি ‘প্রাইভেট কমিটি” গঠন করেন। এই কমিটি সরকারের ক্ষমতা বিভাজন, ব্যক্তি-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি কয়েকটি বিষয়ে খসড়া তৈরি করে।
  • (২) জার পিটার-এর সময় থেকে শাসনব্যবস্থার প্রত্যেকটি বিভাগের উপর কয়েকজন কর্মচারীর যৌথ দায়িত্ব ছিল। তিনি এই ব্যবস্থা রদ করে প্রত্যেক বিভাগের জন্য একজন ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নিয়োগ করেন।
  • (৩) ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দের ভিয়েনা চুক্তির শর্ত হিসেবে তিনি ‘ডাচি অব ওয়ারশ’-র অধিকাংশ অঞ্চল লাভ করেন। পোল্যান্ডের এই অংশ নিয়ে তিনি পোল্যান্ড রাজ্য গঠন করেন এবং এই অঞ্চলকে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেন।
  • (৪) পোল্যান্ডে উদারনৈতিক শাসনতন্ত্র প্রবর্তিত হয় এবং তারা জাতীয় পরিষদ বা ডায়েট-এ বাজেট পাস ও আইন রচনার অধিকার পায়। সংবাদপত্র ও ধর্মাচরণের স্বাধীনতা স্বীকৃত হয়।
  • (৫) পোল ভাষা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। একমাত্র জারের অধীনতা স্বীকার করা ছাড়া পোলরা স্বাধীন বলেই বিবেচিত হত।
  • (৬) কেবলমাত্র এই নয় জার প্রথম আলেকজান্ডারের চেষ্টার ফলেই ভিয়েনা সম্মেলনে ফ্রান্সের প্রতি যথেষ্ট উদারতা দেখানো হয় এবং তাঁরই অনুরোধে ফরাসি সম্রাট অষ্টাদশ লুই ফ্রান্সে উদারনৈতিক সংস্কার প্রবর্তনে সম্মত হন।
  • (৭) জার্মানির প্রতিও তিনি উদার ব্যবস্থা অবলম্বনের পক্ষপাতী ছিলেন।

ব্যর্থতা

জারের প্রগতিমূলক সংস্কার প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। ক্রমে তিনি স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়েন এবং ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি পুরোপুরি রক্ষণশীলতার নীতি গ্রহণ করেন। তার ব্যর্থতার কারণ গুলি হল –  

  • (১) নেপোলিয়নের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত থাকার দরুন রুশ অর্থনীতির উপর চাপ পড়ে এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ প্রশাসনে নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
  • (২) ফরাসি বিপ্লবের আদর্শের সঙ্গে পরিচিত রুশ বুদ্ধিজীবীরা জারের সীমাবদ্ধ সংস্কার মানতে পারছিলেন না। তাঁরা অধিকতর সংস্কারের দাবি করতে থাকলে জার ক্ষুব্ধ হন।
  • (৩) এই সময় ইউরোপে বিপ্লবী ভাবধারার প্রসার ঘটতে থাকলে জার রক্ষণশীলতার পথ ধরেন এবং এ ব্যাপারে তাঁর উপর অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী মেটারনিখের প্রভাবও যথেষ্ট কার্যকর ছিল।
  • (৪) পোলদের তিনি স্বায়ত্তশাসন দিয়েছিলেন। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে তারা স্বাধীনতার দাবি করতে থাকলে তিনি তাদের স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে কঠোরতর দমননীতি গ্রহণ করেন।
  • (৫) সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে তিনি দমননীতি গ্রহণ করেন। সংবাদপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, ছাত্র-শিক্ষকদের বিদেশযাত্রা নিষিদ্ধ হয়। এইসব কারণে সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে একাধিক গুপ্ত সমিতি প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে।

বৈদেশিক নীতি

সিংহাসনে বসার সময় জারের সামনে প্রধান সমস্যা ছিল নেপোলিয়ন সম্পর্কে নীতি নির্ধারণ।

  • (১) ১৮০১ থেকে ১৮০৪ সাল পর্যন্ত তিনি নেপোলিয়ন সম্পর্কে নিরপেক্ষতার নীতি অবলম্বন করেন। কিন্তু নেপোলিয়নের জার্মানি জয়ের পর তিনি নিরপেক্ষতার নীতি ত্যাগ করেন।
  • (২) তিনি ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় শক্তিজোটে যোগ দেন এবং ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামেন। শেষ পর্যন্ত নেপোলিয়নের হাতে ফিডল্যান্ডের যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তিনি ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে টিলজিটের সন্ধি স্বাক্ষরে বাধ্য হন।
  • (৩) নেপোলিয়নের সঙ্গে জারের মৈত্রী দীর্ঘস্থায়ী হয় নি। রাশিয়া মহাদেশীয় অবরোধ মেনে নিয়েছিল, কিন্তু এই ব্যবস্থা রুশ অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করলে জার এই প্রথা অগ্রাহ্য করেন। এর ফলে দুই পক্ষে তিক্ততা দেখা দেয়।
  • (৪) ১৮১২ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি বাহিনী রাশিয়া আক্রমণ করে, এবং এই অভিযানে নেপোলিয়নের ‘গ্র্যান্ড আর্মি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
  • (৫) নেপোলিয়ন-বিজেতা হিসেবে জার আলেকজান্ডার ও রাশিয়ার মর্যাদা বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
  • (৬) ভিয়েনা সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে মেটারনিখের পরেই ছিল তাঁর স্থান। এই সময় তিনি উদারনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করেন এবং তাঁরই চেষ্টার ফলে ফ্রান্স কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার হাত থেকে রক্ষা পায়।
  • (৭) আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষার উদ্দেশ্যে তিনি ‘পবিত্র চুক্তি’ -র প্রস্তাব দেন। অবাস্তবতার কারণে এই চুক্তি কার্যকর হয় নি।
  • (৮) মেটারনিখের প্রভাবে তিনি ধীরে ধীরে উদারপন্থা থেকে বিচ্যুত হয়ে রক্ষণশীলতার কোলে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
  • (৯) তিনি ‘কনসার্ট অব রক্ষণশীল জার ইউরোপ’-এর ‘আই-লা-স্যাপেল অধিবেশনে যোগ দিয়ে জার্মানির ছাত্র আন্দোলনের নিন্দা করেন।
  • (১০) তিনি স্পেন, নেপলস্ ও জার্মানির গণ-আন্দোলন দমনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনি ট্রোপোর ঘোষণাপত্রে (১৮২০ খ্রিঃ) স্বাক্ষর করে যে কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার নীতি অনুমোদন করেন।

মৃত্যু

১৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ১লা ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উপসংহার :- সবশেষে এটুকু বলাই যায় যে, দ্ব্যর্থকতার এক চূড়ান্ত নিদর্শন প্রথম আলেকজান্ডারের শাসনকাল। মানসিকভাবে তিনি উদারনৈতিক ভাবধারায় শিক্ষিত হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী পর্বে সমকালীন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে গিয়ে প্রথম আলেকজান্ডার মাঝেমধ্যেই তাঁর উদারতন্ত্রের পথ থেকে স্খলিত হয়েছেন এবং চরম রাজতন্ত্রের সমর্থকের মতো মনোভাব তাঁর আচরণে বারে বারেই ফুটে উঠেছে।

(FAQ) জার প্রথম আলেকজান্ডার সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. রাশিয়ার জার প্রথম আলেকজান্ডারের শাসনকাল কত?

১৮০১ থেকে ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

২. রাশিয়ার কোন জার পবিত্র চুক্তির উদ্ভাবক?

জার প্রথম আলেকজান্ডার।

৩. রাশিয়ার কোন জার টিলজিটের সন্ধিতে স্বাক্ষর করে?

জার প্রথম আলেকজান্ডার।

৪. কোন জারের শাসনকালে নেপোলিয়ন রাশিয়া আক্রমণ করেন?

জার প্রথম আলেকজান্ডার।

Leave a Reply

Translate »