গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা

গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা প্রসঙ্গে জনসাধারণের জীবনযাত্রা, ধর্ম ব্যবস্থা, জাতিভেদ প্রথা, বর্ণভেদ প্রথার বাস্তব দিক, অবসর বিনোদন, দাসপ্রথা, নৈতিক মান, নারীর অবস্থা, খেলাধুলা ও শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানবো।

গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা

বিষয় গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা
সাম্রাজ্য গুপ্ত সাম্রাজ্য
প্রতিষ্ঠাতা শ্রীগুপ্ত
শ্রেষ্ঠ রাজা সমুদ্রগুপ্ত
শকারি দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা

ভূমিকা :- চীনা পর্যটক ফা-হিয়েন ৪০১-৪১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গুপ্ত যুগে ভারত পরিভ্রমণ করেন। তার রচনা হতে গুপ্ত যুগের সমাজ সম্পর্কে অনেক কথা জানা যায়। ফা-হিয়েন পাটলিপুত্রে তিন বছর এবং তাম্রলিপ্তে দু বছর ছিলেন। পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, বাংলা ও বিহারে তিনি ভ্রমণ করেন।

জনসাধারণের জীবনযাত্রা

  • (১) ফা-হিয়েনের মতে, লোকে সুখী ও সন্তুষ্ট ছিল। তারা সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হয়ে যেখানে খুশী যেতে পারত। জনসাধারণের নৈতিক মান ছিল উন্নত। ফৌজদারী আইন খুবই মৃদু ছিল। সাধারণত আইনভঙ্গকারীদের দৈহিক শাস্তির পরিবর্তে জরিমানা করা হত।
  • (২) জনসাধারণ সাধারণত নিরামিষ খাদ্য পছন্দ করত। পেঁয়াজ বা রসুন তারা খেত না। কদাচিৎ লোকে মদ্যপান করত। চণ্ডাল প্রভৃতি পঞ্চম শ্রেণী মাংস, মদ্যের অনুরাগী ছিল। তারা নগর বা গ্রামের বাইরে বাস করতে বাধ্য হত।

ধর্ম ব্যবস্থা

ফা-হিয়েন পাটলিপুত্র, উজ্জয়িনী, রাজগৃহ প্রভৃতি নগরীগুলিকে ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় দেখেন। অশোকের প্রাসাদের বিশালতা দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের জনপ্রিয়তা ছিল। তিনি নালন্দা মহাবিহারের উচ্চ প্রশংসা করেছেন।

জাতিভেদ প্রথা

  • (১) ফা-হিয়েনের বিবরণ থেকে গুপ্ত যুগের সমাজের সঠিক চিত্র জানা সম্ভব নয়। কারণ এই বিদেশী পর্যটক গভীরভাবে জাতিভেদ, দাস ব্যবস্থা প্রভৃতি সম্পর্কে লক্ষ্য করেননি। তবে তাঁর বিবরণ থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, সমাজে বর্ণভেদ প্রথা বেশ প্রবল ছিল।
  • (২) কারণ শূদ্র বা হীন বর্ণ যথা চণ্ডাল প্রভৃতিকে অস্পৃশ্য মনে করে গ্রাম, শহরের বাইরে বাস করতে বাধ্য করা হত। তাদের অবস্থা খুব স্বচ্ছল ছিল একথা মনে করা যায় না। কামন্দকের নীতিসার গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, শহরের উচ্চ শ্রেণীর লোকেদের অবস্থা স্বচ্ছল ছিল। ধনী ও অভিজাতরা আরামে ও বিলাসে কাল কাটাত।
  • (৩) বাৎসায়নের কামসূত্র থেকেও একই প্রতিবেদন পাওয়া যায়। গুপ্তযুগের স্মৃতিশাস্ত্রগুলিতে একই অপরাধে বিভিন্ন বর্ণের অপরাধীর জন্য বিভিন্ন প্রকার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ব্রাহ্মণদের পবিত্র, দ্বিজ এবং চারবর্ণের বাইরের লোকেদের “পঞ্চম” বা অপবিত্র বলা হয়েছে।
  • (৪) স্মৃতিশাস্ত্রে বর্ণের সঙ্গে বৃত্তিকে যুক্ত করা হয়েছে। তবে বাস্তবে তা পালন করা সম্ভব হত না। লোকে সুবিধা ও সুযোগ মত বিভিন্ন বৃত্তি নিত। গুপ্তযুগের স্মৃতিশাস্ত্রে বর্ণভেদ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। বরাহমিহির চার বর্ণের আলাদা এলাকায় বাসস্থান হওয়া উচিত বলেছেন।
  • (৫) বাস্তবে বৃত্তি, বিবাহ ও বাসস্থান অনেক সময় আলাদা রাখা সম্ভব হত না। ব্রাহ্মণরাও অব্রাহ্মণের জীবিকা গ্রহণ করত। গুপ্ত সম্রাটদের অধীনে ব্রাহ্মণ পরিব্রাজক মহারাজারা সামন্ত ছিলেন। গুপ্ত সম্রাটরা নিজেরা বৈশ্য ছিলেন। তাদের বাহিনীতে বহু শূদ্র ছিল। তবে বর্ণ ও জাতি বংশানুক্রমিক ছিল। তাছাড়া সমাজে মিশ্র বিবাহের ফলে বহু সঙ্কর বর্ণের উদ্ভব হয়।

বর্ণভেদ প্রথার বাস্তব দিক

  • (১) গুপ্ত যুগের স্মৃতিশাস্ত্রগুলিতে শূদ্রদের সঙ্গে দাসদের পার্থক্য দেখান হয়েছে। দাস অপেক্ষা শূদ্রদের শ্রেণীকে উন্নত বলা হয়েছে। স্মৃতিশাস্ত্রে যাই থাকুক, বাস্তবে শূদ্রদের থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকা ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়দের পক্ষে সম্ভব ছিল না।
  • (২) কারণ দৈনন্দিন কাজকর্ম, কৃষি ও কায়িক শ্রমের কাজ শূদ্ররাই করত। রোমিলা থাপারের মতে, গুপ্ত যুগে, মৌর্য যুগ অপেক্ষা শূদ্রদের অবস্থার উন্নতি হয়। অসবর্ণ বিবাহ এবং বিদেশীদের সঙ্গে বিবাহের প্রসার এই যুগে দেখা যায়।
  • (৩) যাজ্ঞবল্কের স্মৃতিতে উচ্চশ্রেণীর ব্রাহ্মণ বা ক্ষত্রিয়ের পক্ষে কৃষক, নাপিত, গোয়ালা বা শূদ্র বংশীয় পারিবারিক মিত্রদের সঙ্গে একত্রে আহারকে নিন্দা করেন নি। এক শ্রেণীর লোক তাদের শ্রেণীগত জীবিকা ছেড়ে অন্য শ্রেণীর জীবিকা নিতে পারত। পশ্চিম ভারতের রেশম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এভাবে শাস্ত্রচর্চা ও যুদ্ধবিদ্যাকে জীবিকা হিসাবে নেয়।
  • (৪) তথাপি বলা দরকার যে, সমাজে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়ের স্থান সবার উপরে ছিল। কিছু সংখ্যক ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয় অন্য বৃত্তি নিলেও বেশীর ভাগ ব্রাহ্মণ বা ক্ষত্রিয় নিজ বৃত্তির অনুসরণ করত।

অবসর বিনোদন

নগরের ধনী ও স্বচ্ছল লোকেরা যাদের হাতে প্রচুর অবসর ও অর্থ ছিল তারা কাব্য রচনা, চারুকলা, নাট্যশাস্ত্রের চর্চা করত। তাদের বিনোদনের জন্য নৃত্য, নাটক অভিনয় ও সঙ্গীত রচনা করা হত। কামসূত্র থেকে জানা যায় যে, উচ্চশ্রেণীর যুবকরা বাঁশী বা বীণা বাজাত এবং তারা প্রণয় নিবেদনের কলা-কৌশলে রপ্ত ছিল।

দাসপ্রথা

  • (১) গুপ্তযুগে আগের মতই দাসপ্রথা ছিল। ক্রয়-বিক্রয় বা দান সূত্রে দাস পাওয়া যেত। মনু ও নারদ স্মৃতিতে দানসূত্রে দাসদের দান করার কথা বলা হয়েছে। মনু অপরাধীদের শাস্তি হিসেবে দাসত্বের কথা বলেছেন। নারদ স্মৃতিতে দুর্ভিক্ষের সময় খাদ্যের জন্য স্বেচ্ছায় দাসত্ব গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। যুদ্ধে বন্দীদেরও দাসে পরিণত করা হত।
  • (২) দাসরা নানারকম কাজে নিযুক্ত হত। দাসের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তার কাজ ঠিক করা হত। ধর্মশাস্ত্রে দাসদের প্রতি মানবিক আচরণের কথা বলা হয়েছে। দাস বৃদ্ধ বা অসুস্থ হলে প্রভুকে তার দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে হবে বলা হয়েছে।
  • (৩) যাজ্ঞবন্ধ স্মৃতিতে দাসদের মুক্তি অর্জন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, প্রভুর জীবন রক্ষা করলে দাসকে মুক্তি দেওয়া উচিত। উচ্চবর্ণের লোকেদের দাসে পরিণত করায় বাধা ছিল। আইনের চোখে দাসের কোনো অধিকার ছিল না।

নৈতিক মান

সাধারণভাবে সমাজের নৈতিক মানদণ্ড খুব উন্নত ছিল না। সমাজে গণিকারা প্রায়শ‍ই থাকত। তাদের ঘৃণা করা হত না অথবা অত্যধিক প্রশ্রয় দেওয়া হত না। বাৎসায়নের কামসূত্রে বলা হয়েছে যে, গণিকাদের নানাবিধ কলা শিখতে হত। উচ্চশ্রেণীর ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনের জন্য তাদের সুপটু বাকভঙ্গি ও পরিশীলিত আচরণ আয়ত্ব করতে হত।

পরিবার প্রথা

যৌথ পরিবার প্রথা জনপ্রিয় ছিল। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ পুরুষ পরিবারের কর্তা হিসেবে কাজ করতেন। তবে স্মৃতিশাস্ত্রে পরিবারের সম্পত্তি ভাগ করে আলাদা হওয়ার বিধানও দেখা যায়। বৃহস্পতি ও কাত্যায়ণ স্মৃতি থেকে জানা যায় যে, পিতৃপুরুষের সম্পত্তিতে পিতা-পুত্রের সমান অধিকার ছিল। আর পিতার সম্পত্তিতে পিতার মৃত্যুর পর সকল পুত্র সমান অধিকার পেত। পরিবারের পুরুষরাই প্রাধান্য ভোগ করত।

নারীদের অবস্থা

  • (১) কাব্য শাস্ত্রে যদিও যৌবনপ্রাপ্তা হলে তবে কন্যার বিবাহ হয়েছে বলে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, বাস্তবে কন্যাদের বাল্য বিবাহ অনেকক্ষেত্রে চালু ছিল। অনেকের মতে স্মৃতিশাস্ত্রের কন্যাদের অল্প বয়সে বিবাহের নির্দেশ কেবলমাত্র ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। তবে গুপ্ত যুগে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়স্কা উভয় রকম কন্যার বিবাহ দানের প্রথা ছিল।
  • (২) যাজ্ঞবন্ধ স্মৃতিতে আট রকম বিবাহের প্রথার কথা জানা যায়। আনুষ্ঠানিক বিবাহে যজ্ঞ ও সপ্তপদীর পর বিবাহবন্ধন ছিন্ন করা সম্ভব ছিল না। বিবাহের আগে ও পরে নারীদের সতীত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হত। তবে নারদ স্মৃতিতে আছে যে, স্বামী দীর্ঘকাল বিদেশে থাকলে স্ত্রী পুনরায় স্বামী নির্বাচন করতে পারবে।
  • (৩) নারদ স্মৃতিতে, অর্থশাস্ত্রের মতই বিধবাদের পুনর্বিবাহের অধিকার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মনু ও যাজ্ঞবল্ক তা দেননি। তবে যাজ্ঞবল্ক “পৌনর্ভবা” অর্থাৎ পুনরায় বিবাহিত নারীর কথাও উল্লেখ করেছেন। সুতরাং নারীর একাধিক বিবাহের সম্ভাব্যতা তিনিও স্বীকার করেছেন।
  • (৪) পরাশর স্মৃতিতে নারীদের পুনর্বিবাহ ও বিধবাদের বিবাহের অধিকার বিশেষভাবে স্বীকার করা হয়েছে। মোট কথা, স্মৃতিশাস্ত্রে নারীর একাধিক বিবাহকে উৎসাহ দেওয়া হয়নি। পুরুষেরাও সাধারণত একটি বিবাহ করত। তবে উচ্চ বর্ণের লোকের অনেক সময় একাধিক স্ত্রী থাকত।
  • (৫) কালিদাসের মালবিকাগ্নিমিত্র নাটকে রাজা অগ্নিমিত্রের তিন স্ত্রীর কথা কবি বলেছেন। সাধারণত নারীর বহু পতি গ্রহণকে অনার্য প্রথা বলে মনে করা হত। পুরুষ-প্রধান সমাজে পুরুষের একাধিক পত্নী গ্রহণ কিন্তু নিন্দিত হত না। নিষিদ্ধ সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ হত না।
  • (৬) অসবর্ণ বিবাহের ক্ষেত্র সঙ্কুচিত হয়েছিল। যদিও সাহিত্যে নারীদের গুণগান করা হয়েছে, বাস্তবে নারীদের কিছুমাত্র স্বাধীনতা ছিল না। তাদের আজীবন পুরুষ আত্মীয়দের অধীনে থাকতে হত। সমাজে পুরুষরাই প্রাধান্য ভোগ করত।

খেলাধুলা

লোকে দাবা, পাশা খেলে, গান, বাজনা বা নাটক অভিনয় করে অবসর কাটাত। জুয়া খেলা ছিল বেশ জনপ্রিয়। এছাড়া জীব-জন্তুর লড়াই, কুস্তি খেলাধূলা, রথের দৌড় প্রভৃতিও জনপ্রিয় ক্রীড়া ছিল। উৎসবের সময় লোকে নতুন পোষাক পরত এবং নানারকম খাদ্য খেত।

শিক্ষার ব্যবস্থা

  • (১) গুপ্ত যুগে ব্রাহ্মণদের অগ্রহার ও বৌদ্ধমঠে শিক্ষা দান করা হত। বৌদ্ধ এবং হিন্দু শাস্ত্র ও সাহিত্য সকল বিষয়ই পড়ান হত। বাড়ীতে প্রাথমিক শিক্ষার পর অগ্রহার বা মঠে উচ্চশিক্ষা দান করা হত। সাধারণত দশ বছর উচ্চশ্রেণীর লোকেরা সন্তানের শিক্ষার জন্যে ব্যয় করত। যারা সন্ন্যাস নিত তারা আরও দীর্ঘকাল পড়াশোনা করত।
  • (২) কাঞ্চি, কাশী, নাসিক প্রভৃতি নগর উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে খ্যাত ছিল। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বিশ্ববিখ্যাত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্য পাঠকক্ষ এবং একটি বিরাট পাঠাগার ছিল। পণ্ডিতের নিকট প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করলে তবেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া সম্ভব ছিল। বিদ্যার্থী ছাত্রকে এখানে নানা পরীক্ষা দিয়ে যোগ্যতা দেখাতে হত।
  • (৩) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রখ্যাত অধ্যাপকদের মধ্যে ছিলেন মহাপণ্ডিত ধর্মপাল, কমলশীল, রাহুলভদ্র প্রমুখ। ভারতের বাইরে চীন ও দূর প্রাচ্যের নানা দেশ থেকে জ্ঞানপিপাসু ছাত্ররা এখানে বৌদ্ধ শাস্ত্র পড়তে আসত। ব্যাকরণ, গদ্য, ছন্দ, অলঙ্কার, তর্কশাস্ত্র, দর্শন, চিকিৎসা ছাড়াও ধর্মশাস্ত্রের অধ্যাপনা এখানে হত।
  • (৪) নিগম বা সঙ্ঘগুলিতে ধাতুবিদ্যা, পাথর খোদাই, সোনার অলঙ্কার তৈরি, কাঠের কাজ, হাতির দাঁতের কাজ শেখান হত। গণিত ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের স্বতন্ত্র চর্চা হত। আর্যভট্টের গাণিতিক উৎকর্ষই তার প্রমাণ।

উপসংহার :- নালন্দার বিশ্ববিদ্যালয় বিশাল স্থান নিয়ে স্থাপিত হয়েছিল। এখানে শত শত পাঠকক্ষ ও ছাত্রাবাস ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচ নির্বাহের জন্যে গ্রাম দান ও প্রচুর অর্থ দান করা হত।

(FAQ) গুপ্ত যুগের সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. গুপ্ত যুগের সময় বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি ছিল?

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়।

২. কামসূত্র কার লেখা?

বাৎসায়ন।

৩. নীতিসার কার লেখা?

কামন্দক।

৪. কবিরাজ কার উপাধি ছিল?

সমুদ্রগুপ্ত।

Leave a Reply

Translate »