সুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা

সুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা প্রসঙ্গে সিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রথা, অভিজাতদের দ্বারা নির্বাচন, সুলতানের ক্ষমতা ও তার নিয়ন্ত্রণ, মন্ত্রীসভা, উজির ও তার দায়িত্ব, দেওয়ান-ই-আরজ, আরজ-ই-মামালিক, দেওয়ান-ই-ইনসা, দেওয়ান-ই-রিসালত, বিচার ব্যবস্থা, মন্ত্রীদের মর্যাদা, গুপ্তচর বিভাগ ও ইক্তাদারি সম্পর্কে জানবো।

সুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা

ঐতিহাসিক ঘটনাসুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা
রাষ্ট্রের প্রধানসুলতান
প্রধানমন্ত্রীউজির
গুপ্তচরবারিদ
সুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা

ভূমিকা :- দিল্লি সুলতানি সাম্রাজ্য শাসনকাল ছিল ১২০৬-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ। দাস বংশ, খলজি বংশ, তুঘলক বংশ, সৈয়দ বংশ, লোদী বংশ – এই পাঁচটি বংশ পর্যায়ক্রমে দিল্লি সুলতানি শাসন করে।

সিংহাসনের উত্তরাধিকার প্রথা

সুলতান ছিলেন রাষ্ট্রের প্রধান। সুলতানের পদে নিয়োগ সম্পর্কে দুই প্রকার প্রথা ছিল। যথা –

  • (১) বংশানুক্রমিক সিংহাসন লাভ। সুলতানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বা কন্যা যোগ্যতা থাকলে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতে পারতেন। ইলতুৎমিসের কন্যা রাজিয়া, তুঘলক শাহ এই নীতির ভিত্তিতে সিংহাসন পান।
  • (২) যোগ্য প্রার্থীকে অভিজাতরা নির্বাচন করত। এক্ষেত্রে প্রার্থী সব সময় একই রাজবংশের লোক হত না। অভিজাতদের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী নির্বাচন নিয়ে সুলতানি যুগে বহু গণ্ডগোল হয়। কিন্তু সুলতানি অভিজাতরা সর্বদাই সিংহাসনের উত্তরাধিকারী নির্বাচন করার অধিকারকে ধরে থাকে।

অভিজাতদের দ্বারা নির্বাচন

  • (১) সিংহাসনের উত্তরাধিকারী নির্বাচন প্রথাটি এসেছিল “মিল্লাৎ প্রথা থেকে। ইসলামী সংবিধান অনুসারে সকল সুন্নী মুসলমানের ইচ্ছায় সুলতান নির্বাচিত হন। এক্ষেত্রে সুখী জনসাধারণের তরফে অভিজাতরা নির্বাচন করার প্রথা চালু করেন। এইভাবে ইলতুৎমিস, বলবন, জালালউদ্দিন খলজি, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক নির্বাচিত হন।
  • (২) মুসলমান সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো মুসলমান সুলতান পদে নির্বাচিত হতে পারতেন। কার্যত কেবলমাত্র তুর্কীদের মধ্যে থেকেই সুলতান নির্বাচন করা হত। নির্বাচন প্রথার গুরুত্ব এই ছিল যে, এই প্রথার ফলে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিকে অভিজাতরা সুলতানের পদ থেকে দূরে রাখতে পারত।

সুলতানের ক্ষমতা

  • (১) সুলতান ছিলেন শাসন, আইন, বিচার প্রভৃতি সকল বিভাগের পরিচালক। প্রজাদের ধন-প্রাণ রক্ষা ছিল তার দায়িত্ব। এছাড়া ইসলামের মর্যাদা তাকে রাখতে হত। শরিয়তী আইন উলেমারা ব্যাখ্যা করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হত। তাকে সেনাদলের সংগঠন ও যুদ্ধ-বিগ্রহ করতে হত।
  • (২) তিনি ছিলেন মুসলিম প্রজাদের রক্ষক। রাজার ক্ষমতা ছিল একাধারে ধর্মীয় ও সামরিক (Religious and military)। সুলতান কেবলমাত্র শাসনকর্তা ছিলেন না। তিনি ছিলেন মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ও রক্ষক। তার সামরিক দক্ষতা ছিল অপ্রতিহত।

সুলতানের ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ

সুলতানের অপ্রতিহত ক্ষমতা তিন প্রকারে নিয়ন্ত্রিত হত। যেমন –

  • (১) বংশানুক্রমিকভাবে সুলতানি পদ সর্বদা কার্যকরী ছিল না। এজন্য সুলতান অভিজাতদের বিরোধিতা করতে সাহস পেতেন না। অবশ্য আলাউদ্দিন ও মহম্মদ ব্যতিক্রম ছিলেন।
  • (২) সংখ্যাগরিষ্ঠ অ-মুসলিম প্রজাদের বাস্তব কারণে ইসলামীকরণ করা থেকে তাঁরা বিরত থাকতেন।
  • (৩) সুলতানের ব্যক্তিগত দক্ষতার জোরে সুলতানি শাসন চলত। সুতরাং সুলতানদের সর্বদাই কাজ করতে হত।

মন্ত্রীসভা

সুলতানকে শাসনকার্যে সহায়তার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রীর পদ সৃষ্টি হয়েছিল। প্রথম ৪ জন মন্ত্রীর পদ ছিল – উজীর, আরিজ-ই-মামালিক, দেওয়ান-ই-ইনশা, দেওয়ান-ই-রিসালৎ। পরে নায়ের-ই-মামালিকের পদ সৃষ্টি হয়। এছাড়া সদর-উস-সুদূর দেওয়ান-ই-কাজার পদও সৃষ্টি হয়।

উজির ও তার দায়িত্ব

  • (১) মন্ত্রী পদগুলির মধ্যে উজীবের পদ ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সিংহাসন ও প্রজার মধ্যে উজীর ছিলেন যোগসূত্র। সুলতানের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি কর্মচারী নিয়োগ, বিচার করতেন। সুলতানের অনুপস্থিতির সময় তিনি পূর্ণ দায়িত্ব বহন করতেন।
  • (২) তিনি সুলতানকে যোগ্য পরামর্শ দিতেন এবং সমগ্র প্রশাসন দেখাশোনা করতেন। তাঁর অন্যতম প্রধান কাজ ছিল সরকারের রাজস্ব আদায় করা, আয়-ব্যয়ের হিসেব রাখা। উজীর অনেক সময় সামরিক দায়িত্বও বহন করতেন এবং সামরিক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ করতেন।
  • (৩) মোট কথা, সুলতানি শাসনব্যবস্থায় মেরুদন্ড হিসেবে উজীর কাজ করতেন। তবে উজারের প্রধান দায়িত্ব ছিল অর্থ দপ্তরের ভার বহন। সেনাদল, কর্মচারীদের ব্যয় এবং রাজস্ব আদায় ঠিকমত করা ছিল তাঁর দায়িত্ব। ফিরোজ তুঘলকের আমলে উজীর খান-ই-জাহান মকবুল সর্বোচ্চ ক্ষমতা ভোগ করেন।

দেওয়ান-ই-আরজ

সেনা নিয়োগ, সামরিক শিক্ষাদান, সেনাদলের শৃঙ্খলা রক্ষা, বিভিন্ন স্থানে সেনা স্থাপন প্রভৃতি দায়িত্ব বহন করতেন দেওয়ান-ই-আরজ।

আরজ-ই-মামালিক

যদিও আইনত সুলতান নিজে ছিলেন প্রধান সেনাপতি, কিন্তু সেনাদপ্তরের প্রধান দায়িত্ব আরজ-ই-মামালিকই বহন করতেন। বলবন ও আলাউদ্দিনের আমলে, দাগ, হুলিয়া, সেনাদলের নিয়মিত হাজিরা পরীক্ষার কাজও তাদের করতে হত।

দেওয়ান-ই-ইনশা

সুলতানের আদেশ, তার গোপন সরকারী চিঠিপত্র, চুক্তির খসড়া রচনা করতেন দেওয়ান-ই-ইনশা। এই কাজে সাহায্যের জন্য দচির নামে কর্মচারী থাকত।

দেওয়ান-ই-রিসালাৎ

অধ্যাপক হবিবুল্লাহের মতে বৈদেশিক দপ্তরের দেখাশোনা করতেন দেওয়ান-ই-রিসালাৎ। আলাউদ্দিনের আমলে দেওয়ান-ই-রিয়াসৎ-এর দপ্তর গঠিত হয়। মূল্য নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত কাজকর্ম এই মন্ত্রী করতেন।

সদর-উস-সুদূর

ধর্মীয় ব্যাপার ও দাতব্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ছিলেন সদর-উস-সুদূর। প্রধান সদরের অধীনে প্রদেশে ও জেলায় সদর থাকত। এদের প্রধান কাজ ছিল ইসলামীয় অনুশাসনগুলি পালনে সুলতান ও জনসাধারণকে নির্দেশ দেওয়া। জাকাৎ অর্থাৎ দাতব্যের অর্থ তিনি বন্টন করতেন।

বিচার ব্যবস্থা

  • (১) প্রধান কাজী বিচার বিভাগ পরিচালনা করতেন। তার নির্দেশে অন্যান্য কাজীরা নিযুক্ত হতেন। বিচারের কাজে মুফতিরা সাহায্য করতেন। সুলতানি আমলে দন্ডবিধি খুবই কঠোর ছিল। ফিরোজ শাহ দন্ডবিধি নমনীয় করে দেন।
  • (২) কাজীরা প্রধানত ফৌজদারী মামলার বিচার করতেন। প্রধান কাজীর নাম ছিল কাজী-উল-কাজাৎ। সম্পত্তি-ঘটিত দেওয়ানী মামলা রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীরা বিচার করতেন।

মন্ত্রীদের মর্যাদা

উজীর ছিলেন মন্ত্রীদের মধ্যে পদ মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ। অপর সকল মন্ত্রীরা সমমর্যাদা ভোগ করতেন। সুলতানকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বেসরকারী লোকেদের একটি পরিষদ থাকত। তার নাম ছিল মজলিস-ই-খালওয়াত।

গুপ্তচর বিভাগ

বারিদ-ই-মামালিক নামে এক গুপ্তচর বিভাগ ছিল। সুলতান নিজে এই বিভাগের কাজ দেখতেন।

অন্যান্য দপ্তর

এছাড়া দেওয়ান-ই-আমীর কোহি বা কৃষি দপ্তর, দেওয়ান-ই-মুস্তাকরাজ বা সরকারী ঋণ আদায়ের দপ্তর, দেওয়ান-ই-ইসতিকাক বা ভাতা ও পেনসন দপ্তর প্রভৃতি বিভিন্ন দপ্তর ছিল।

কোতোয়াল

কোতোয়াল বা পুলিশের দপ্তর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, চুরি-ডাকাতি বন্ধ করার কাজ করত। প্রতি শহরে কোতোয়াল ছিল। গ্রামে গ্রামসভা ও গ্রাম রক্ষী শান্তি রক্ষা করত।

ইক্তাদারি

  • (১) আলাউদ্দিন খলজির আগে পর্যন্ত সুলতানি সাম্রাজ্যকে কয়েকটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়। এগুলির নাম ছিল ইক্তা। ইক্তাগুলি সমান আকারের ছিল না। ইক্তার শাসনকর্তার নাম ছিল মাকতি বা মাকতা। তিনি ছিলেন প্রধানত সামরিক কর্মচারী, মালিক বা আমীর।
  • (২) তাঁর প্রধান দায়িত্ব ছিল সুলতানকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় সেনার জোগান দেওয়া, ইক্তার খরচা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত অর্থ কেন্দ্রীয় রাজকোষে জমা দেওয়া। স্থানীয়ভাবে তার দায়িত্ব ছিল উলেমাদের রক্ষা, ইসলাম ধর্মের অনুশাসন প্রয়োগ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা।

প্রাদেশিক শাসন

সুলতানি যুগে প্রাদেশিক শাসনের ক্ষেত্রে সব প্রদেশে সমান ব্যবস্থা ছিল না। আল-মাওয়ার্দির মতে সুলতানি যুগে দুরকমের প্রাদেশিক শাসকের পদ ছিল। যথা –

  • (১) যে প্রদেশগুলির শাসনকর্তারা প্রচুর ক্ষমতা ভোগ করতেন,
  • (২) যে প্রদেশগুলির শাসকদের সীমাবদ্ধ ক্ষমতা ছিল।

তিন ধরনের প্রদেশ

প্রকৃত পক্ষে দিল্লীর সুলতানি যুগে তিন রকমের প্রদেশ দেখা যায়। যথা –

  • (ক) রাজধানী দিল্লীর নিকটস্থ প্রদেশগুলির শাসকদের হাতে সীমিত ক্ষমতা দেওয়া হত। এই প্রদেশগুলির আকৃতি ছিল ক্ষুদ্র।
  • (খ) দূরবর্তী প্রদেশগুলি ছিল বৃহৎ। এগুলির শাসনকর্তাদের সুলতান নিয়োগ করতেন। যথা বাংলা, গুজরাট প্রভৃতি এই প্রদেশগুলির শাসনকর্তার উপাধি ছিল ওয়ালি অথবা নায়েব সুলতান। এঁরা প্রচুর ক্ষমতা ভোগ করতেন।
  • (গ) দূরবর্তী প্রদেশ, যেগুলির শাসনকর্তারা জবর দখল দ্বারা পদ অধিকার করতেন। এঁরা অনেকে ছিলেন দেশীয় রাজা বা সর্দার।

আলাউদ্দিনের প্রাদেশিক শাসন

আলাউদ্দিন খলজির আমল থেকে প্রাদেশিক শাসনে কিছু পরিবর্তন ঘটে। আলাউদ্দিন বহু নতুন স্থান জয় করেন। তাকে নতুন করে প্রাদেশিক শাসন গড়ার কথা ভাবতে হয়। তিনি তিন প্রকার প্রাদেশিক শাসন প্রবর্তন করেন যথা –

  • (১) পুরাতন ইক্তা বা প্রদেশগুলি যেমন ছিল তেমন থাকে। এখানে স্থিতাবস্থা রক্ষা করা হয়।
  • (২) নতুন বিজিত বৃহৎ প্রদেশগুলি শাসনের জন্য ওয়ালি নামে শাসনকর্তা নিয়োগ করা হয়। এই প্রদেশগুলি ছিল বৃহৎ আকৃতির যথা, গুজরাট, বাংলা, জৌনপুর, খান্দেশ প্রভৃতি।
  • (৩) দক্ষিণের বিজিত অঞ্চল হিন্দু রাজাদের সামন্ত শাসনে রাখা হয়।

নতুন পর্যায়

এইভাবে আলাউদ্দিনের আমল থেকে প্রাদেশিক শাসনে নতুন পর্যায় আরম্ভ হয়। ওয়ালিদের মর্যাদা নিঃসন্দেহে মাকতিদের অপেক্ষা বেশী ছিল। ওয়ালিদেরও সুলতানকে নিয়মিত রাজস্ব, দরকার মত সেনা সাহায্য দিতে হত এবং আনুগত্য দিতে হত।

প্রাদেশিক শাসন-ব্যবস্থা

সুলতানকে তাঁর প্রাপ্য মিটিয়ে দিলে তিনি সাধারণত প্রাদেশিক শাসনে হস্তক্ষেপ করতেন না। ওয়ালিরাও মাকতির মতই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ইসলামের আইনগুলি প্রয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষির উন্নতির জন্য কাজ করত। প্রদেশের খরচা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত অর্থ কেন্দ্রে পাঠাত। যাতে এই টাকা ফাঁকি না দেওয়া হয়। এজন্য খাজা নামে এক শ্রেণীর কর্মচারীকে হিসেব পরীক্ষা করতে পাঠান হত।

মহম্মদ তুঘলকের প্রাদেশিক শাসন

সুলতান মহম্মদ-বিন-তুঘলকের আমলে সুলতানি সাম্রাজ্যের সীমা খুব বেড়ে যায়। মহম্মদ সুশাসনের জন্য কোনো কোনো প্রদেশকে শিক বা জেলায় ভাগ করেন। শিকের দায়িত্ব শিকদারের হাতে দেওয়া হয়। শিক বা জেলাগুলিকে ভেঙে পরগণা গঠন করা হয়।

ফিরোজ তুঘলকের প্রাদেশিক শাসন

আফিকের মতে, ফিরোজ শাহ তুঘলক দোয়াব অঞ্চল ভেঙে ৫২টি পরগণা গড়েন। পরগণা কয়েকটি করে গ্রাম নিয়ে গড়া হয়। পরগণার অপর নাম ছিল ‘কসবা’। প্রদেশ ও জেলার দায়িত্বে সর্বদাই মুসলিম কর্মচারী নিযুক্ত হত। পরগণা ও গ্রাম শাসনের জন্য হিন্দু খুৎ, চৌধুরীদের নিয়োগ করা হত। গ্রাম স্তরে গ্ৰাম পঞ্চায়েত বা গ্রামসভা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করত।

উপসংহার :- সুলতানি আমলে শাসনব্যবস্থার চরিত্র আক্ষরিক অর্থেই ছিল স্বৈরতান্ত্রিক। কিন্তু ধর্মশাস্ত্রের নির্দেশনামা সুলতানি আমলে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের চালিকা শক্তিতে পরিণত হতে পারে নি।

(FAQ) সুলতানি যুগের শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. সুলতানী যুগে রাষ্ট্রের প্রধান কে ছিলেন?

সুলতান।

২. সুলতানী যুগে পরগণার অপর নাম কি ছিল?

কসবা।

৩. দিল্লির কোন কোন সুলতান বংশানুক্রমিক সিংহাসন লাভ করেন?

রাজিয়া, তুঘলক শাহ।

৪. সুলতানী যুগে মন্ত্রীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কারা ছিল?

উজির।

Leave a Comment