স্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্ৰগতি

স্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্রগতি প্রসঙ্গে স্বাধীন ভারতের শিল্প, ভারী শিল্প, ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের শিল্পনীতি, মহলানবিশের ভূমিকা, ভারতে ভারী শিল্পের ভিত্তিপ্রতিষ্ঠা ও ভারতে ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশ সম্পর্কে জানবো।

স্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্ৰগতি

ঐতিহাসিক ঘটনাস্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্ৰগতি
শিল্প নীতি১৯৪৮ খ্রি
পরিকল্পনা কমিশনজওহরলাল নেহরু
প্রথম আই আই টিখড়্গপুর
শক্তি কমিশনহোমি জাহাঙ্গীর ভাবা
প্রথম ইস্পাত কারখানা১৯৫৩ খ্রি
স্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্ৰগতি

ভূমিকা :- স্বাধীন ভারতে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কৃষির পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিভিন্ন অর্থনৈতিক পদক্ষেপের দ্বারা দেশে ভারী শিল্প গঠনের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্বাধীন ভারতের শিল্প

স্যার এম. বিশ্বেশ্বরাইয়া ভারতের শিল্পায়ন সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে সমস্ত শিল্পকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেন। যথা – বৃহৎ শিল্প বা ভারী শিল্প, মাঝারি শিল্প, ও ক্ষুদ্র শিল্প।

ভারী শিল্প

এক কথায় ভারী শিল্পের সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব নয়। সাধারণভাবে মনে করা হয় যে, যে শিল্পের মাধ্যমে বৃহৎ মাত্রায় বিপুল পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগ করে পণ্য উৎপাদিত হয় তাকে ভারী শিল্প বলে। বৃহৎ নির্মাণ শিল্প, রাসায়নিক শিল্প, লৌহ-ইস্পাত শিল্প, ক্লেন বা বুলডোজারের মতো বড়ো আকারের যন্ত্রপাতি নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে ভারী বা বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের শিল্পনীতি

  • (১) ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে সরকারি শিল্পনীতিতে ভারতের সমস্ত শিল্পকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করে বেশিরভাগ ভারী শিল্পকে দ্বিতীয় শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে ছিল লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, যোগাযোগ ও পরিবহণ-বিষয়ক জাহাজ, উড়োজাহাজ, টেলিফোন, টেলিগ্রাফ প্রভৃতি বড়ো শিল্প, কয়লা শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদন, খনিজ তেল উৎপাদন প্রভৃতি।
  • (২) এই শ্রেণিভূক্ত ভারী শিল্পগুলি সম্পর্কে ওই শিল্পনীতিতে বলা হয় যে, যেসব শিল্পে আগে থেকেই বেসরকারি মালিকানা রয়েছে, তাতে সরকার আপাতত হস্তক্ষেপ করবে না। সরকার মনে করলে ১০ বছর পর এগুলি জাতীয়করণ করতে পারে। তবে নতুন করে এসব ভারী শিল্পে বেসরকারি বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে না।
  • (৩) মহলানবিশের ভূমিকা: (i) প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর অর্থনৈতিক উপদেষ্টাদের মধ্যে অন্যতম পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ নেহরুকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, ভারতের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও অগ্রগতির জন্য ভারী শিল্প গড়ে তোলা খুবই জরুরি। (ii) মহলানবিশ আমেরিকা, সোভিয়েত রাশিয়া-সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে সেখানকার ভারী শিল্প সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। বিদেশ ভ্রমণের পর তিনি ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পরিকল্পনা কমিশনের কাছে তাঁর পরিকল্পনা পেশ করেন। (iii) তার এই পরিকল্পনায় তিনি ভারী শিল্পের বিকাশ ও আধুনিক যন্ত্রচালিত শিল্পায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। মহলানবিশের পরিকল্পনাকে পণ্ডিত নেহরু সমর্থন করলে ‘পরিকল্পনা কমিশন’ সেইভাবে দেশে ভারী শিল্প ও আধুনিক যন্ত্রচালিত শিল্পায়ন বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ নেয়।

ভারতে ভারী শিল্পের ভিত্তিপ্রতিষ্ঠা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ভারতে ভারী শিল্পের বিকাশে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। অধ্যাপক অমলেশ ত্রিপাঠী লিখেছেন, “বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে নেহরু অসীম উৎসাহ দেখিয়েছিলেন।” নেহরুর উদ্যোগের ফলে এদেশে ভারী শিল্পের ভিত্তি বা পটভূমি প্রস্তুত হয়। যেমন –

(১) বিদেশি সহায়তা

নেহরু সরকারি উদ্যোগে ভারী শিল্প স্থাপনের উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আমেরিকা, সোভিয়েত রাশিয়া-সহ ইউরোপের বিভিন্ন উন্নত দেশ থেকে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা গ্রহণ করা হয়।

(২) CSIR প্রতিষ্ঠা

সারা দেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পণ্ডিত নেহরু ‘Council for Scientific and Industrial Research’ (CSIR) প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্রতিষ্ঠান ভারতের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

(৩) কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান

শিল্পের অগ্রগতির জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রযুক্তিবিদদের সংখ্যাবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তিনি আই. আই. টি (Indian Institute of Technology) নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেন। ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে খড়্গপুরে এবং পরবর্তীকালে মাদ্রাজ, বোম্বাই, কানপুর ও দিল্লিতে আই. আই. টি. প্রতিষ্ঠিত হয়।

(৪) জাতীয় গবেষণাগার

নেহরুর উদ্যোগে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিষয়ে গবেষণার জন্য প্রায় ৫০টি জাতীয় গবেষণাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। শান্তিস্বরূপ ভাটনগর ও কে. এস. কৃষ্ণান এবিষয়ে তাঁকে বিশেষভাবে সহায়তা করেন।

(৫) পরমাণু গবেষণা

পরমাণু গবেষণার বিষয়ে নেহরুর প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন হোমি জাহাঙ্গির ভাবা। তাঁর সভাপতিত্বে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতের শক্তি কমিশন এবং ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে ‘Development of Atomic Energy প্রতিষ্ঠিত হয়।

(৬) বিজ্ঞান-নীতির প্রস্তাব

নেহরু সরকার ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় আইনসভায় বিজ্ঞান-নীতি বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করে। এই প্রস্তাবে ভারী শিল্পের বিকাশে উদ্যোগের কথা বলা হয়।

ভারতে ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশ

১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিভিন্ন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে ভারী শিল্প ও শিল্পের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি তৈরির ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়। এর ফলে ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালে ভারতে বার্ষিক শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৭.১ শতাংশ। এর মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ উৎপাদন হয় যন্ত্র, রাসায়নিক ও ধাতব শিল্পক্ষেত্রে। স্বাধীনতা লাভের পরবর্তীকালে ভারতে ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশ সম্পর্কে নীচে উল্লেখ করা হল –

(ক) শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ

এক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক গুলি হল –

(১) প্রথম পরিকল্পনা

ভারতের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার (১৯৫১-৫৬ খ্রি.) ফলে শিল্পোৎপাদন ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। সিমেন্ট, ভারী রাসায়নিক দ্রব্য, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পজাত দ্রব্য প্রভৃতির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে। ৩৭০ মাইল নতুন রেলপথ নির্মিত হয়। সরকারি উদ্যোগে পেট্রোলিয়াম শোধনাগার, রেল ইঞ্জিন তৈরি, সার উৎপাদন, নিউজপ্রিন্ট উৎপাদন প্রভৃতি ভারী শিল্পের কারখানা গড়ে ওঠে।

(২) দ্বিতীয় পরিকল্পনা

ভারতের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য ছিল ভারতের শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধি করা। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, রেল ও সড়ক পরিবহণ, জাহাজ ও বিমান চলাচল প্রভৃতি ক্ষেত্রে অগ্রগতি ঘটে। সামগ্রিক বিচারে সরকার তার শিল্পোৎপাদনের লক্ষ্যপুরাণে ব্যর্থ হয়। যেমন – ইস্পাত, কয়লা ও সিমেন্ট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৪.৩, ৬০ ও ১৩ কোটি টন। কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন হয় যথাক্রমে ২.২, ৫৪.৫ ও ৮ কোটি টন।

(খ) প্রথম তিনটি লৌহ-ইস্পাত কারখানা

দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৫৬-৬১ খ্রি.) নেহরু-মহলানবিশ মডেল অনুসারে দেশে ভারী শিল্প গড়ে তোলার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রে হিন্দুস্থান স্টিল লিমিটেড (HSL) নামে কোম্পানির অধীনে ভারতে তিনটি ইস্পাত কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। যথা –

(১) রাউরকেল্লা ইস্পাত কারখানা

জার্মানির সহযোগিতায় ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাউরকেল্লা স্টিল প্ল্যান্ট (R.S.P) নামে উড়িষ্যার রাউরকেল্লায় প্রথম ইস্পাত কারখানা গড়ে ওঠে। এর সহযোগী কোম্পানিগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল কুপ ডেমাগ, ফ্রায়েড কুপ, এসেন, ডেমাড প্রভৃতি। এই কারখানায় ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে উৎপাদন শুরু হয়।

(২) ভিলাই ইস্পাত কারখানা

দ্বিতীয় ইস্পাত কারখানাটি সোভিয়েত ইউনিয়নের সহযোগিতায় মধ্যপ্রদেশের ভিলাই-এ প্রতিষ্ঠিত হয় (১৯৫৭ খ্রি.)। এই কারখানায় ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে উৎপাদন শুরু হয়।

(৩) দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা

বিড়লা ব্রাদার্স নামে সংস্থার উদ্যোগে এবং ব্রিটেনের সহযোগিতায় ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরে তৃতীয় ইস্পাত কারখানাটি স্থাপিত হয়। এই কারখানায় ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দে উৎপাদন শুরু হয়। এই তিনটি ইস্পাত কারখানা প্রতিষ্ঠায় মোট ব্যয় হয়েছিল ৩৫৩ কোটি টাকা।

(গ) পরবর্তী লৌহ-ইস্পাত কারখানা

দ্বিতীয় পদ্মবার্ষিকী পরিকল্পনায় ভারতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম তিনটি লৌহ-ইস্পাত কারখানা ভারী শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীকালে গুরুত্বপূর্ণ আরও কয়েকটি লৌহ-ইস্পাত কারখানা গড়ে ওঠে। যেমন  –

  • (১) তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার শেষভাগে ‘বোকারো স্টিল লিমিটেড’ (BSL) নামে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অধীনে বিহারের বোকারোতে লৌহ-ইস্পাত কারখানা প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়। এই কারখানায় ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে উৎপাদন শুরু হয়।
  • (২) এরপর তামিলনাড়ুর সালেম-এ একটি সংকর ইস্পাত উৎপাদন কারখানা (১৯৮২ খ্রি.), অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম-এ ‘রাষ্ট্রীয় ইস্পাত নিগম লিমিটেড’ নামে একটি কারখানা (১৯৯২ খ্রি.) এবং কর্ণাটকের বিজয়নগর-এ দুটি বড়ো লৌহ-ইস্পাত কারখানা (১৯৯৮ খ্রি.) স্থাপিত হয়।

(ঘ) পেট্রো-রাসায়নিক শিল্প

  • (১) স্বাধীনতার পরবর্তীকালে ভারতে পেট্রো রাসায়নিক শিল্পের সূচনা হয়। বিদেশ থেকে আমদানি করা কাঁচামালের ওপর ভিত্তি করে ১৯৫০-এর দশকে আই.সি.আই. কোম্পানি পশ্চিবঙ্গের রিষড়ায় পলিইথিলিন তৈরির একটি কারখানা গড়ে তোলে।
  • (২) এরপর ক্রমে উত্তরপ্রদেশের বেরিলিতে ‘সিন্থেটিক অ্যান্ড কেমিক্যালস লিমিটেড’, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম এ ‘পলিকেম লিমিটেড’ ও ‘কেমিক্যালস অ্যান্ড প্লাস্টিকস লিমিটেড’, মহারাষ্ট্রের ট্রম্বেতে ইউনিয়ন কার্বাইড (ইন্ডিয়া) লিমিটেড’ প্রভৃতি পেট্রো রাসায়নিক কারখানা গড়ে ওঠে।
  • (৩) এ ছাড়া মহারাষ্ট্রের থানে, গুজরাটের জওহরনগর ও জামনগর, তামিলনাড়ুর তুতিকোরিন, কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোর, পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া প্রভৃতি স্থানেও পেট্রো রাসায়নিক শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে।

(ঙ) অন্যান্য ডারী শিল্প

উপরোক্ত শিল্পগুলি ছাড়াও ভারতে গুরুত্বপূর্ণ ভারী শিল্পও গড়ে উঠেছিল। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল “ভারত হেভি ইলেকট্রিক লিমিটেড’ (BHEL), হিন্দুস্থান মেশিন টুলস্ (HMT), ‘হিন্দুস্থান এরোনটিকস্ লিমিটেড’ (HAL), ইন্ডিয়ান রেয়ার আর্থ (IRE) প্রভৃতি।

উপসংহার :- সবশেষে বলা যায় স্বাধীনোত্তর কালে ভারতে ভারী শিল্পের ধারাবাহিক বিকাশ ঘটেছে এবং শিল্প উৎপাদন খুব দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

(FAQ) স্বাধীন ভারতে ভারী শিল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. ভারতের কোথায় প্রথম আই আই টি প্রতিষ্ঠিত হয়?

খড়্গপুরে।

২. ভারতের পরমাণু গবেষণা বিষয়ে নেহেরুর প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?

হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা।

৩. ভারতের শক্তি কমিশন কখন কার সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়?

১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার সভাপতিত্বে।

৪. ভারতের প্রথম লৌহ ইস্পাত কারখানা কখন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?

১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে উড়িষ্যার রাউরকেল্লায় (আর এস পি)।

Leave a Comment