ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ

ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ প্রসঙ্গে হল্যান্ডের অধীনে ইন্দোনেশিয়া, জাপানের অধীনে ইন্দোনেশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসার, স্বাধীনতা লাভ, ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র প্রবর্তন, ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচি ও জাতি সংগঠন সম্পর্কে জানবো।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ

ঐতিহাসিক যুদ্ধইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ
উপনিবেশহল্যাণ্ড ও জাপান
ন্যাশনাল পার্টিইন্দোনেশিয়া
স্বাধীনতা লাভ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৯ খ্রি
প্রথম রাষ্ট্রপতিড. সুকর্ণ
প্রথম প্রধানমন্ত্রীমহম্মদ হাত্তা
ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ

ভূমিকা :- জাভা, সুমাত্রা, বোর্নিও-সহ অসংখ্য ছোটো ছোটো দ্বীপ নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে ইন্দোনেশিয়া বা পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ গড়ে উঠে।

হল্যান্ডের অধীনে ইন্দোনেশিয়া

এখানকার বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং উৎপাদিত ধান, নারকেল ও রবার-এর প্রতি হল্যান্ডের লোভাতুর দৃষ্টি পড়ে। ফলে সপ্তদশ শতকের শেষদিকে হল্যান্ডের অধিবাসী অর্থাৎ ডাচ বা ওলন্দাজরা এখানে তাদের আধিপত্য কায়েম করে। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া ডাচ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল।

জাপানের অধীনে ইন্দোনেশিয়া

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন এই অঞ্চলে মিত্র শক্তির বিরুদ্ধে জাপানের অভূতপূর্ব অগ্রগতি ঘটে এবং জাপান সাম্রাজ্যবাদী নীতি চালিয়ে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমি ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তির হাত থেকে ইন্দোনেশিয়াকে ছিনিয়ে নেয়।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট

জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত হয়ে আত্মসমর্পণ (১৭ আগস্ট ১৯৪৫ খ্রি.) করলে হল্যান্ড পুনরায় ইন্দোনেশিয়া দখলের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ডাচদের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দারা তীব্র প্রতিরোধ সংগ্রাম চালিয়ে সেখানে ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটায় (১৯৪৯ খ্রি.)। ইন্দোনেশিয়ায় ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের প্রেক্ষাপট ছিল –

(ক) হল্যান্ডের স্বৈরাচারী শাসন

  • (১) হল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে নির্বিচারে ইন্দোনেশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ ও কৃষিপণ্য লুণ্ঠন করে চলেছিল। বিংশ শতকের শুরুতে সেখানে তেলের খনি আবিষ্কৃত হলে হল্যান্ড এই তেলের ওপর নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। তারা ইন্দোনেশিয়ার জনগণের ওপর নির্বিচারে শোষণ চালাতে থাকে।
  • (২) হল্যান্ডের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থায় ইন্দোনেশিয়ার সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ ছিল না। এর ফলে সেখানকার মানুষের মনে ক্রমাগত ক্ষোভ জমতে থাকে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি মিত্রপক্ষে যোগদানকারী হল্যান্ড দখল করে নিলে ইন্দোনেশিয়ার শাসনক্ষেত্রে শূন্যতা দেখা দেয়।

(খ) জাপানের অগ্রগতি

  • (১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হল্যান্ড জার্মানির দখলে চলে যায়। এই সময় হল্যান্ডের উপনিবেশ ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশূন্যতার সৃষ্টি হলে জাপান সেই সুযোগ গ্রহণ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান এশীয় অঞ্চলে সাম্রাজ্যবাদী নীতি গ্রহণ করে। এশিয়ায় জাপানের কাছে পরাজয়ের ফলে পশ্চিমি শক্তিগুলি তাদের এশীয় অঞ্চলের উপনিবেশগুলিতে কোণঠাসা হয়ে পড়ে এবং এই অঞ্চলে জাপান আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
  • (২) এশীয় ভূখণ্ডে জাপানের কাছে ইউরোপীয় শক্তিগুলির পরাজয় ইন্দোনেশিয়া-সহ এশিয়ার অন্যান্য উপনিবেশগুলির বাসিন্দাদের উৎসাহিত করে। তারা উপলব্ধি করে যে, এশিয়ার পক্ষে ইউরোপীয় শক্তিকে পরাস্ত করে স্বাধীনতা লাভ সম্ভব।

(গ) জাগানের উদ্যোগ

  • (১) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পশ্চিমি শক্তিগুলিকে সরিয়ে জাপান এশিয়ার বিভিন্ন উপনিবেশে আধিপত্যের প্রসার ঘটায়। তবে জাপান এইসব উপনিবেশে ইউরোপীয় দেশগুলির মতো নগ্ন শোষণ ও নির্যাতন চালায় নি, বরং তারা এশিয়ার এইসব দেশে জাতীয়তাবাদের প্রসার ও মুক্তিসংগ্রামের মানসিকতাকে আরও শক্তিশালী হতে সহায়তা করে।
  • (২) জাপান ইন্দোনেশিয়ার রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিয়ে সেখানকার ডাচ আধিকারিকদের বন্দি করে। ইন্দোনেশিয়ায় ডাচ ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ করে জাপান সেখানে দেশীয় ভাষার ব্যবহার চালু করে।

(ঘ) জাতীয়তাবাদের প্রসার

  • (১) জাপানের উদ্যোগে ইন্দোনেশিয়ায় কয়েকটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল। জাপানের সদর্থক ভূমিকার ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইন্দোনেশিয়ায় জাতীয়তাবাদ অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বুদি উতামা, সারেকাত ইসলাম, কমিউনিস্ট দল প্রভৃতি জাতীয়তাবাদী সংগঠনের নেতৃত্বে ডাচদের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ায় মুক্তিসংগ্রাম অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে।
  • (২) ড. সুকর্ণ প্রতিষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী দল ইন্দোনেশিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এইসব জাতীয়তাবাদী দলের আন্দোলনের চাপে হল্যান্ড বিপাকে পড়ে ইন্দোনেশিয়ায় তীব্র অত্যাচার ও নির্যাতন শুরু করে।

(ঙ) ইন্দোনেশিয়ায় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইন্দোনেশিয়ায় জাপানের আধিপত্যের অবসান ঘটলে ওলন্দাজরা সেখানে নিজেদের ঔপনিবেশিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে তৎপর হয়ে ওঠে। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদীরা এর বিরুদ্ধে তীব্র সংগ্রাম শুরু করে এবং হল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা ঘোষণা করে সেখানে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে। জাপান এই প্রজাতন্ত্রকে স্বীকৃতি দেয়।

(চ) সুমাত্রা ও জাভা আক্রমণ

  • (১) হল্যান্ডের সামরিক তৎপরতায় সুমাত্রা ও জাভা ছাড়া অবশিষ্ট ইন্দোনেশিয়া ডাচদের অধীনে চলে যায়। ডাচরা ইন্দোনেশিয়ার ঘোষিত প্রজাতান্ত্রিক সরকারের রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ ও প্রধানমন্ত্রী হাত্তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ার মুক্তিসংগ্রাম তীব্র হয়ে ওঠে।
  • (২) এই অবস্থায় ব্রিটেনের মধ্যস্থতায় হল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির দ্বারা সুমাত্রা ও জাভায় ড. সুকর্ণ প্রতিষ্ঠিত প্রজাতান্ত্রিক সরকারের কর্তৃত্ব মেনে নেওয়া হয়।
  • (৩) কিন্তু হল্যান্ড শীঘ্রই এই চুক্তি অগ্রাহ্য করে হঠাৎ সুমাত্রা ও জাভা আক্রমণ করে। ফলে হল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার সর্বত্র বিদ্রোহের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ব জনমত ইন্দোনেশিয়াকে সমর্থন করে।

(ছ) আমেরিকার উদ্যোগ

ইন্দোনেশিয়া-সহ এশিয়ার বিভিন্ন উপনিবেশের মুক্তির ক্ষেত্রে আমেরিকার সদর্থক ভূমিকা যথেষ্ট সহায়ক হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ই মার্কিন রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট মতামত জানিয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার প্রতি ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সও সমর্থন জানায়। আমেরিকা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের চাপের ফলে ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা লাভের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

ইন্দোনেশিয়ায় স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রসার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের ফলে ইন্দোনেশিয়া জাপানের হাতছাড়া হয়। এই অবস্থায় ডাচরা আবার ইন্দোনেশিয়ায় তাদের ঔপনিবেশিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু ডাচদের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ায় মুক্তিসংগ্রাম শুরু হয়। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী নেতা ড. সুকর্ণ ও তাঁর দল ন্যাশনাল পার্টি-র উদ্যোগে ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ায় মুক্তিসংগ্রাম তীব্রতর হয়ে ওঠে।

ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা লাভ

প্রবল আন্দোলনের চাপে হল্যান্ড ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের ২৭ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা স্বীকার করে নিতে বাধ্য হয়। স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ড. সুকর্ণ।

ইন্দোনেশিয়ায় নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র প্রবর্তন

স্বাধীনতা লাভের পরপরই বহু জাতি ও ধর্ম অধ্যুষিত ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ঐক্য সংকটের মুখে পড়ে। ফলে রাষ্ট্রপতি ড. সুকর্ণ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে সেখানকার সংবিধান নাকচ করে ‘নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র’ প্রবর্তনে বাধ্য হন।

ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচি ও জাতি সংগঠন

আধুনিক ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ ও জাতি সংগঠনের ধারাকে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা – (ক) প্রথম পর্যায় (১৯০০-১৯৪৫ খ্রি.), (খ) দ্বিতীয় পর্যায় (১৯৪৫-১৯৫০ খ্রি.) এবং (গ) তৃতীয় পর্যায় (১৯৫০ খ্রি. থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত)।

(ক) ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচির প্রথম পর্যায়

  • (১) ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ ও জাতি সংগঠনের প্রথম পর্যায়ে ইন্দোনেশিয়া জাতি হিসেবে আত্মসচেতন হয়ে ওঠে। এই পর্বে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় এবং ইন্দোনেশিয়া’ ধারণাটির জন্ম হয়।
  • (২) ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে জাকার্তায় যুবকদের এক সম্মেলনে ইন্দোনেশীয় জাতির স্বাতন্ত্র্যের কথা ঘোষণা করা হয়। এই সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়ার সব প্রান্ত থেকে যুবকরা জড়ো হলে ঐক্যবদ্ধ জাতীয় চেতনা গড়ে ওঠে। এভাবেই বিচ্ছিন্ন ইন্দোনেশীয়রা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে।
  • (৩) ক্রমে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলন জোরদার হয়ে ওঠে এবং সুকর্ণ ও হাত্তা ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে ১৭ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

(খ) ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়

  • (১) ইন্দোনেশিয়ার জাতি সংগঠনের দ্বিতীয় পর্যায়ে ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। জাতীয় সংহতি ও জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ ইন্দোনেশিয়ার জনগণ বিদেশি শাসকদের বিতাড়িত করে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে জীবন-মরণ সংগ্রামে শামিল হয়।
  • (২) শেষপর্যন্ত ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তির পতন ঘটে এবং ঐক্যবদ্ধ, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতান্ত্রিক ইন্দোনেশিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই পর্বে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী মানসিকতার চূড়ান্ত আত্মপ্রকাশ ঘটে।

(গ) ইন্দোনেশিয়ার বিকাশ কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়

  • (১) তৃতীয় পর্যায়ে ইন্দোনেশিয়া একটি সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। প্রজাতান্ত্রিক ইন্দোনেশিয়ায় সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রজাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। দেশে সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • (২) ইন্দোনেশিয়ায় ক্রমে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে সংঘটিত ঠান্ডা লড়াইয়ের প্রসার ঘটে। রাশিয়ার প্রভাবে ইন্দোনেশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের ৩০ সেপ্টেম্বর নিজ দেশে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে।
  • (৩) এই সময় থেকে সুহার্তো-র শাসনাধীনে (১৯৬৫-১৯৯৮ খ্রি.) ইন্দোনেশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। দেশে শিল্পায়ন -এর প্রসার ঘটে এবং যথেষ্ট পরিমাণে গ্রামীণ উন্নয়ন ঘটে।

উপসংহার :- ইতিমধ্যে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে ইন্দোনেশিয়ায় সংস্কার আন্দোলনের চাপে সুহার্তোর পতন ঘটে এবং হাব্বিবি ক্ষমতা দখল করেন।

(FAQ) ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. ইন্দোনেশিয়ায় কাদের উপনিবেশ ছিল?

প্রথমে হল্যাণ্ড পরে জাপানের।

২. ইন্দোনেশিয়ায় ন্যাশনাল পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন কে?

ড. সুকর্ণ।

৩. ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে কখন?

২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে।

৪. স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?

ড. সুকর্ণ।

৫. স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

মহম্মদ হাত্তা।

Leave a Comment