ঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি

ঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি প্রসঙ্গে ইরান নিয়ে বিরোধ, তুরস্কের ঘটনা, গ্রিসের ঘটনা, উইনস্টন চার্চিলের ফালটন বক্তৃতা, ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল প্লান সম্পর্কে জানবো।

ঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি

ঐতিহাসিক ঘটনাঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি
রুশ-ইরান চুক্তি১৯৪৬ খ্রি
মার্কিন-ইরান চুক্তি১৯৪৭ খ্রি
ট্রুম্যান নীতিহ্যারি ট্রুম্যান
মার্শাল পরিকল্পনাজর্জ সি মার্শাল
ফালটন বক্তৃতাউইনস্টন চার্চিল
ঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি

ভূমিকা :- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ থেকে বিভিন্ন ঘটনায় রাশিয়া ও আমেরিকার নেতৃত্বাধীন পরস্পর বিরোধী জোটের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে এসে পড়ে। ফলে এই সময় থেকে উভয় শক্তির মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়। ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর লড়াইয়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। এই তীব্রতা ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত একটানা চলে।

(ক) ইরান নিয়ে বিরোধ

অক্ষশক্তি যাতে যুদ্ধের সময় ইরানের তৈলসম্পদ ব্যবহারের সুযোগ না পায় সেই উদ্দেশ্যে ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে রাশিয়া ও ব্রিটেন ইরানে সেনা পাঠায়। তখন সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে, যুদ্ধের পর রাশিয়া ও ইংল্যান্ড উভয়েই ইরান থেকে সেনা সরিয়ে নেবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক গুলি হল –

(১) রুশ হস্তক্ষেপ

যুদ্ধ চলাকালে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাশিয়া নানাভাবে হস্তক্ষেপ শুরু করে। রুশ মদতে সেদেশের কমিউনিস্ট মনোভাবাপন্ন ‘তুদে দল’ (Tudeh Party) বিদ্রোহ ঘোষণা করে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে আজারবাইজানে স্বাধীন প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে। এই ঘটনায় উৎসাহিত হয়ে উত্তর ইরান ও অন্যান্য প্রদেশের বিদ্রোহী কমিউনিস্টরা ‘কুর্দ প্রজাতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করে।

(২) রুশ-ইরান চুক্তি

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রুশ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান জাতিপুঞ্জে অভিযোগ জানালে উভয় দেশের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (এপ্রিল, ১৯৪৬ খ্রি.)। এই চুক্তির দ্বারা রাশিয়া উত্তর ইরানের তৈলসম্পদের ওপর পরবর্তী ২৫ বছর মেয়াদের অধিকার লাভ করে।

(৩) মার্কিন ইরান চুক্তি

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ইরানের নতুন পার্লামেন্ট রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তিতে আমেরিকা ইরানকে সামরিক ও অসামরিক সব ধরনের সহায়তাদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। এর ফলে ইরানের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে বিরোধ বৃদ্ধি পায়।

(খ) তুরস্কের ঘটনা

রাশিয়া তুরস্কের কাছ থেকে কিছু সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের শেষ দিকে তুরস্ককে চাপ দিতে শুরু করে। এই সময় দার্দানালিশ প্রণালী ও বসফরাস অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে রাশিয়া পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেয়। এই উদ্দেশ্যে তুরস্কের সীমান্তে রুশ সেনাদল উপস্থিত হলে আমেরিকাও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবহর পাঠায়। ফলে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

(গ) গ্রিসের ঘটনা

এক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক গুলি হল –

(১) গ্রিসে ব্রিটিশ সেনার কর্তৃত্ব

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলা কালে জার্মান সেনাবাহিনী ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে গ্রিস ছেড়ে চলে গেলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী গ্রিসে প্রবেশ করে এবং নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করে। এই সময় এক চুক্তি অনুসারে রাশিয়া গ্রিসে ব্রিটিশ কর্তৃত্ব মেনে নেয়।

(২) রাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা

উল্লেখ্য এই ঘটনার পরও গ্রিসে রাজতন্ত্রী ও কমিউনিস্টদের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। ইংল্যান্ডের সহযোগিতায় রাজতন্ত্রীরা জয়ী হলে কমিউনিস্টরা পার্বত্য অঞ্চলে আশ্রয় নেয়। রাজতন্ত্রীরা ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে জয়ী হলে সেদেশে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু প্রতিবেশী যুগোশ্লাভিয়া, আলবেনিয়া ও বুলগেরিয়ার কমিউনিস্টদের সাহায্য নিয়ে গ্রিসের কমিউনিস্টরা রাজতান্ত্রিক সরকারকে অস্থির করে তোলে।

(৩) গ্রিসে রুশ-মার্কিন বিরোধ

এই পরিস্থিতিতে গ্রিস জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি তুললে রাশিয়া গ্রিসের কমিউনিস্টদের এবং পশ্চিমি দেশগুলি গ্রিসের রাজতান্ত্রিক সরকারকে সমর্থন করে। এভাবে রুশ-মার্কিন বিরোধ দেখা দেয়।

(৪) ব্রিটিশ সেনার গ্রিস ত্যাগ

এদিকে আমেরিকাকে ইংল্যান্ড জানিয়ে দেয় যে, গ্রিসের প্রতিরক্ষার ব্যয়ভার বহন করা তাদের পক্ষে আর সম্ভব নয়। তাই ব্রিটিশ সেনা শীঘ্রই গ্রিস ত্যাগ করবে। এই অবস্থায় কমিউনিস্টদের প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে আমেরিকা গ্রিসের দিকে নজর দেয়।

(ঘ) ফালটন বক্তৃতা

উইনস্টন চার্চিলের ফালটন বক্তৃতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন দিক গুলি হল –

(১) কমিউনিস্টদের প্রসার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্ট প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছিল। এই সময় পূর্ব ইউরোপের পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া ও রুমানিয়ায় কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। গ্রিস, তুরস্ক, ইরান প্রভৃতি দেশেও কমিউনিস্টরা অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে। ফ্রান্স এবং ইতালির নির্বাচনে তারা দারুণ সাফল্য পায়। ইউরোপে কমিউনিস্টদের সাফল্য এবং রাশিয়ার সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক পশ্চিমি দেশগুলিকে আতঙ্কিত করে।

(২) চার্চিলের সতর্কবার্তা

এই পরিস্থিতিতে প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ মার্চ আমেরিকার মিসৌরি প্রদেশের ফালটনের ওয়েস্ট মিনস্টার কলেজে এক বক্তৃতায় পূর্ব ইউরোপে রুশ আগ্রাসন সম্পর্কে আমেরিকাকে সতর্ক করেন। চার্চিলের এই বক্তৃতা ‘ফালটন বক্তৃতা’ নামে পরিচিত।

(৩) চার্চিলের বক্তব্য

উইনস্টন চার্চিল বলেন যে, উত্তরে বাল্টিক সাগরের উপকূলের তীরবর্তী স্টেটিন থেকে দক্ষিণে অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলের তীরবর্তী ট্রিয়েস্ট পর্যন্ত অঞ্চল এখন সোভিয়েত রাশিয়ার লৌহ যবনিকার অন্তরালে আচ্ছাদিত। আমেরিকা এখনই প্রতিরোধের উদ্যোগ না নিলে একদিন রাশিয়া সারা ইউরোপে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করবে। রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চার্চিল ইঙ্গ-মার্কিন মিত্রতা ও যৌথ প্রতিরোধ গঠনের প্রস্তাব দেন।

(৪) বক্তৃতায় আলোড়ন সৃষ্টি

চার্চিলের বক্তৃতা মার্কিন প্রশাসনে আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং রুশ-বিরোধী সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রুম্যানের ওপর নানা মহল থেকে চাপ আসতে থাকে।

(ঙ) টুম্যান নীতি

মার্কিন রাষ্ট্রপতি হ্যারি টুমান ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ মার্কিন কংগ্রেসে এক বক্তৃতা দেন। এই বক্তৃতার বিষয়গুলি ট্রুম্যান নীতি নামে পরিচিত। প্রদত্ত এই বক্তৃতায় তিনি বলেন যে,

  • (১) বিশ্ব এখন দুটি পরস্পরবিরোধী আদর্শ ও জীবনচর্যার বিষয় একটি হল মুক্ত গণতান্ত্রিক দুনিয়া, অন্যটি হল সাম্যবাদী দুনিয়া।
  • (২) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হল মুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা।
  • (৩) আন্তর্জাতিক কমিউনিজম বা সাম্যবাদের আদর্শ অতি সক্রিয় ও সম্প্রসারণশীল। এই সাম্যবাদী ভাবধারার প্রধান কার্যালয় মস্কো থেকে সমস্ত নির্দেশ পাঠানো হয়।
  • (৪) বিশ্বের যে-কোনো স্থানে কোনো মুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সশস্ত্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠী অর্থাৎ কমিউনিস্ট গোষ্ঠী বা কোনো বিদেশি রাষ্ট্র অর্থাৎ কমিউনিস্ট রাষ্ট্র দ্বারা আক্রান্ত হলে আক্রান্ত রাষ্ট্রকে আমেরিকা সব ধরনের সহায়তা দান করবে।

(চ) ট্রুম্যান নীতির মূল্যায়ন

ট্রুম্যান নীতি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে একদিকে যেমন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য লাভে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অন্যদিকে তেমনি আন্তর্জাতিক সংকট বৃদ্ধি করেছিল। যেমন –

(১) সক্রিয় বৈদেশিক নীতি

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে বৈদেশিক ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে নিষ্ক্রিয় ও উদাসীন নীতি নিয়ে চলত ট্রুম্যান নীতির দ্বারা এর পরিবর্তন ঘটে। এখন থেকে আমেরিকা বৈদেশিক বিষয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সক্রিয় হস্তক্ষেপের নীতি নেয়।

(২) ঠাণ্ডা লড়াইয়ের সূচনা

ট্রুম্যান নীতির ফলে পৃথিবীতে আপাতত প্রত্যক্ষ যুদ্ধের অবসান হলেও আমেরিকার নেতৃত্বাধীন পশ্চিমি ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রজোট ও সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রজোটের মধ্যে ঠাণ্ডা লড়াই শুরু হয়। ঐতিহাসিক আইজ্যাক ডয়েচার ট্রুম্যান নীতিকে ঠান্ডা লড়াইয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বলে অভিহিত করেছেন।

(৩) বেষ্টনী নীতি

ট্রুম্যান নীতির দ্বারা সোভিয়েত রাশিয়ার প্রসার ও প্রভাবকে আমেরিকা সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করে। এজন্য এই নীতিকে ‘বেষ্টনী নীতি’ নামেও অভিহিত করা হয়।

(৪) গ্রিস ও তুরস্কে অর্থ সাহায্য

ট্রুম্যান নীতির সিদ্ধান্ত অনুসারে গ্রিস ও তুরস্কে আমেরিকা ৪০ কোটি ডলার সাহায্য পাঠায়। এর দ্বারা গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

(৫) আন্তর্জাতিক সংকট

ডি. এফ. ফ্লেমিং বলেছেন, টুম্যান ঘোষণার ফলে এমন ধারণার সৃষ্টি হয় যে, এখন থেকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘চাপ’ ও ‘পালটা চাপ’ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে না। তিনি এই পরিস্থিতিকে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে অভিহিত করেছেন।

(ছ) মার্শাল পরিকল্পনা

ট্রুম্যান নীতি ঘোষণার কয়েক মাস পর ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ৫ জুন মার্কিন পররাষ্ট্র-সচিব জর্জ সি. মার্শাল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তৃতা দেন। এই বক্তৃতায় তিনি বলেন যে, যেখানে দারিদ্র্য, ক্ষুধা ও হতাশা থাকে সেখানেই কমিউনিজমের প্রসার ঘটে। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের দারিদ্র্য দূর করতে না পারলে ইউরোপে সাম্যবাদের প্রসার রোধ করা যাবে না। এজন্য যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আর্থিক পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে মার্শাল কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর বক্তৃতায় ইউরোপীয় পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনা নামে এক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন। মার্শালের নামানুসারে এই কর্মসূচি সাধারণভাবে ‘মার্শাল পরিকল্পনা’ নামে পরিচিত হয়।

(জ) মার্শালের ঘোষণা

জর্জ মার্শাল বলেন যে,

  • (১) মার্কিন নীতি কোনো দেশ বা মতাদর্শের বিরুদ্ধে নয়। এই নীতি ক্ষুধা, দারিদ্র্য, হতাশা ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে।
  • (২) পশ্চিম ইউরোপের দারিদ্র্য, ক্ষুধা, হতাশা, বেকারত্ব ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সংকট দূর করার উদ্দেশ্যে আমেরিকা অর্থসাহায্য করবে।
  • (৩) কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলিও এই পরিকল্পনা অনুযায়ী মার্কিন অর্থসাহায্য লাভ করতে পারবে।
  • (৪) সাহায্য গ্রহণকারী দেশকে মূল মার্কিন পরিকল্পনা অনুযায়ী সাহায্যপ্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে।
  • (৫) সাহায্যপ্রাপ্ত দেশগুলির রাজস্ব মার্কিন পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থির করা হবে।

উপসংহার :- তৎকালীন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় রাজনীতি ও অর্থনীতি পরস্পরবিরোধী সুস্পষ্ট দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে যায়। পশ্চিম ইউরোপে মার্শাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কালে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে ঠান্ডা লড়াইয়ের তীব্রতা যথেষ্ট বৃদ্ধি পায়।

(FAQ) ঠাণ্ডা লড়াইয়ের অগ্ৰগতি সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. রুশ-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কখন?

১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে।

২. ফালটন বক্তৃতা কে কখন দেন?

উইনস্টন চার্চিল, ৫ মার্চ ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে।

৩. কে কখন ট্রুম্যান নীতি ঘোষণা করেন?

মার্কিন রাষ্ট্রপতি হ্যারি ট্রুম্যান ১২ মার্চ ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে।

৪. কে কখন মার্শাল পরিকল্পনা ঘোষণা করেন?

মার্কিন পররাষ্ট্রসচিব জর্জ সি মার্শাল ৫ জুন ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে।

Leave a Comment