আর্যদের আদি বাসস্থান

আর্যদের আদি বাসস্থান প্রসঙ্গে আদি বাসস্থান ভারত, ভারতের বাসস্থান তত্ত্ব নস্যাৎ, বাঘ ও হাতি অনুল্লেখ, আদি বাসস্থান ইউরোপ, ভারতের বাইরে বাসস্থান, গাইলসের অভিমত, হার্ট-এর অভিমত ও ব্রান্ডেনস্টাইনের অভিমত সম্পর্কে জানবো।

আর্যদের আদি বাসস্থান

বিষয় আর্যদের আদি বাসস্থান
সভ্যতা বৈদিক সভ্যতা
ভিত্তি বেদ
পূর্ববর্তী সভ্যতা হরপ্পা সভ্যতা
আর্যদের আদি বাসস্থান

ভূমিকা :- আর্যদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল এই প্রশ্নটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। সাধারণত মনে করা হয় যে, আর্যরা বাইরে থেকে এসে ভারত -এ বসবাস করে। এ সম্পর্কে প্রমাণ হিসেবে কোনো লিখিত দলিল বা শিলালিপি নেই। কেবলমাত্র ভাষাতাত্ত্বিক প্রমাণের সহায়তায় আর্যদের আদি বাসস্থান নির্ণয়ের চেষ্টা পণ্ডিতেরা করেন।

বৈদিক আর্যদের আদি বাসস্থান ভারত

ডঃ এ. সি. দাস, পণ্ডিত গঙ্গানাথ ঝা, ডঃ ত্রিবেদী, পারগিটার প্রভৃতি পণ্ডিতেরা বলেন যে, আর্য জাতি আদিযুগ হতে ভারতে বসবাস করত। মূলতানের দেবকী নদী অঞ্চল অথবা কাশ্মীরে অথবা পাঞ্জাবের ‘সপ্তসিন্ধু’ অঞ্চলে তাদের আদি বাসস্থান ছিল। ঋকবেদে সপ্তসিন্ধুর কথা উল্লিখিত আছে। এই মতের সমর্থনে বলা হয় যে,

  • (১) বৈদিক সাহিত্য -এ যে সকল গাছ ও পশু-পাখীর উল্লেখ আছে তা ভারতের এই সকল স্থানে দেখা যায়।
  • (২) যারা দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে চলে যায়, তারা তাদের আদি দেশের কথা গৌরবের সঙ্গে স্মরণ করে থাকে। কিন্তু বৈদিক সাহিত্যে সপ্তসিন্ধু ছাড়া অন্য কোনো দেশের নাম পাওয়া যায় নি। আর্য জাতির সাহিত্য বলতে বৈদিক সাহিত্য বুঝায়। যদি ভারতের বাইরে আর্যরা বসবাস করত তবে তাদের সাহিত্যে অন্য দেশের উল্লেখ থাকত।
  • (৩) সংস্কৃত ভাষার মধ্যে যেরূপ সর্বাধিক সংখ্যক আর্য ভাষাগোষ্ঠীর শব্দসম্ভার বিদ্যমান অন্য কোনো ভাষাগোষ্ঠীতে তা দেখা যায় না।
  • (৪) এই পণ্ডিতেরা বলেন, ভারতের বাইরে যে আর্য ভাষার নিদর্শন দেখা যায় তার অর্থ হল এই যে, আর্যদের একটি শাখা ভারত হতে পশ্চিম এশিয়া ও অন্যান্য স্থানে যায়। তারা আর্য জাতির মূল শাখা ছিল না। ভারতীয় আর্য জনগোষ্ঠীর উদ্বৃত্ত অংশই ভারতের বাইরে অভিপ্রয়াণ করে। তাদের সংস্কৃতি মূল ভারতীয় আর্যদের সংস্কৃতি থেকে নীচু মানের ছিল।
  • (৫) পারগিটারের মতে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আর্যদের ভারতের ভেতর অভিপ্রয়াণের কোনো প্রমাণ ভারতের ইতিহাসে নেই। বরং উত্তর-পশ্চিম হতে আর্যদের ভারতের বাইরে যাত্রা সম্ভব।
  • (৬) ঋকবেদ -এর নদী স্তোত্রে যে নদ-নদীগুলির নাম আছে তা পূর্বদিক থেকে প্রথমে গঙ্গার নাম দিয়ে আরম্ভ হয়ে উত্তর-পশ্চিমে সরস্বতীর নাম দিয়ে শেষ হয়েছে। এই নদী স্তোত্র প্রমাণ করে যে, আর্য জাতি পূর্ব থেকে উত্তর-পশ্চিমে যাত্রা করে।
  • (৭) বৈদিক আর্যরা ভারতের বাইরে থেকে ভারতে আসে এর সমর্থনে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রত্নতাত্বিক প্রমাণ নেই।
  • (৮) উত্তর ভারতের অধিকাংশ ভাষা হল সংস্কৃতের দুহিতা। সংস্কৃত যদি মূল ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে আসে তবে উত্তর ভারতের ভাষাগুলি সংস্কৃত ও অপভ্রংশ থেকে এসেছে। কিন্তু ইউরোপ -এর ভাষাগুলিতে মূল ইন্দো-ইওরোপীয় ভাষায় ঐরূপ অনুপ্রবেশ ঘটে নি। যদি আর্যরা আদিতে ইওরোপে বসবাস করত তবে ইউরোপের ভাষায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার অনুপ্রবেশ ঘটত।
  • (৯) যদি ভারতের বাইরে আর্য জাতি বাস করত তবে বৈদিক সাহিত্যের মত তাদের একটি সাহিত্য থাকত। কিন্তু এরকম কোনো সাহিত্য ভারতের বৈদিক সাহিত্য ছাড়া আর কোথাও নেই। এই সকল যুক্তি দেখিয়ে বলা হয় যে, ভারতেই আর্যভাষী লোকেরা আদিতে বসবাস করত।

বাঘ ও হাতি অনুল্লেখ

অনেকে বলেন যে, ঋকবেদে দুটি প্রধান ভারতীয় প্রাণী যথা বাঘ ও হাতীর নাম নেই। আর্যরা বাইরে থেকে ভারতে আসায় ভারতের এই দুটি প্রাণীর কথা তারা জানত না। এই মতের বিরুদ্ধে বলা হয় যে, ঋকবেদে এই দুটি প্রাণীর কথা বলতেই হবে এমন দাবী যুক্তিহীন। ঋকবেদে লবণের উল্লেখ নেই। তাহলে কি ধরতে হবে যে আর্যরা লবণ ছাড়া খাদ্য গ্রহণ করত?

আর্যদের আদি বাসস্থান ইউরোপ

মার্শালের মতো কোনো কোনো পণ্ডিত মনে করেন যে, আর্যদের আদি বাসস্থান ছিল ইউরোপ। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তিগুলি হল –

  • (১) আর্য জাতির ভারতে আদি বসবাস সম্পর্কে এ পর্যন্ত কোনো প্রত্নতাত্বিক প্রমাণ পাওয়া যায় নি।
  • (২) বোঘাজকোই নামে একটি শিলালিপি এশিয়া মাইনরে আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রথম শিলালিপিটি ১৪০০ খ্রিস্টপূর্বের। এই লিপিতে হিটাইট রাজাগণ বৈদিক দেবতা ইন্দ্র, মিত্র ও বরুণ প্রভৃতির নাম উল্লেখ করেছেন।
  • (৩) মিশরে আবিস্কৃত তেল-এল-আমানা লিপিতে প্রাচীন সিরীয় রাজাদের নাম ছিল আর্যদের নামের মতই। এই কারণে অনুমান করা হয় যে, আর্যরা বিদেশ হতে ভারতে আসে। ভারতে আসার আগে আর্যরা এই স্থানে বসবাস করত।
  • (৪) যদি আদি যুগ হতে আর্যরা ভারতে বসবাস করত তাহলে দ্রাবিড় জাতি ভারতে কখন ও কিভাবে আসে সেকথা নিশ্চয় বৈদিক সাহিত্য বা পুরাণে বলা হত। কিন্তু বৈদিক সাহিত্যে এ সম্পর্কে কোনো উল্লেখ না থাকায় মনে করা হয় যে, আর্যদের আগে দ্রাবিড় জাতি ভারতে বসবাস করত। উত্তর ভারতে অনার্য জাতিগুলি কিভাবে এল তার কোনো উত্তর বৈদিক সাহিত্যে পাওয়া যায় না।
  • (৫) প্রাগৈতিহাসিক যুগ -এর সিন্ধু সভ্যতা হল বৈদিক সভ্যতা অপেক্ষা পৃথক ও উন্নত। এই সভ্যতা উত্তর-পশ্চিম ভারতের এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ে গড়ে ওঠে। যদি আর্যরা গোড়া থেকে ভারতে বসবাস করে তবে কখন ও কিভাবে এই সভ্যতা স্থাপিত হল সে কথা বৈদিক সাহিত্যে বলা হত।
  • (৬) সিন্ধু লিপি থেকে একথা প্রমাণ হয় না যে, হরপ্পার অধিবাসীররা সংস্কৃত ভাষায় কথা বলত। সিন্ধুলিপি হল চিত্রলিপি। বৈদিক আর্যরা গোড়ায় লিখতে জানত না। পরে তারা যে লিপি ব্যবহার করে তা হল রৈখিক লিপি। এই সকল কারণে পণ্ডিতেরা মনে করেন যে, সিন্ধু সভ্যতার বিস্তার ঘটবার পর ভারতে আর্যরা প্রবেশ করে।
  • (৭) পূর্ব ইওরোপের লিথুয়ানিয়ার ভাষার সঙ্গে প্রাচীন আর্য ভাষার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখা যায়। ইউরোপে গ্রীক, ল্যাটিন, জার্মান প্রভৃতি আর্য ভাষাগুলির যেরূপ ঘন সন্নিবেশ দেখা যায়, ভারত বা তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলে ততটা দেখা যায় নি। এই অঞ্চলে সংস্কৃত ও প্রাচীন পারসিক ছাড়া অন্য কোনো আর্য ভাষার অস্তিত্ব দেখা যায় নি। যেহেতু ইউরোপে আর্য গোষ্ঠীর ভাষার সংখ্যা বেশী, সেহেতু পণ্ডিতেরা বলেন যে, ইউরোপেই আর্য জাতি আদিতে বসবাস করত। ইউরোপ হতে তারা ক্রমে ভারতে চলে আসে।
  • (৮) ভারত যদি আর্যদের আদি বাসস্থান হত তবে ভারত হতে বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আগে তারা গোটা ভারতে আর্য বসতি বিস্তার করত। কিন্তু দক্ষিণ ভারত দীর্ঘকাল আর্য সভ্যতার বাইরে ছিল।
  • (৯) সংস্কৃত ভাষায় তালব্য বর্ণ যথা ‘ন’, ‘ৎ’, ‘ং’ প্রভৃতির প্রভাব দেখা যায় যা ইউরোপের ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষায় নেই। আর্যরা ভারতে আসার পর দ্রাবিড় ভাষার প্রভাব পড়ার ফলে এ রকম হয়েছে।
  • (১০) বৈদিক সাহিত্যে সিংহের কথা আছে কিন্তু বাঘ ও হাতীর উল্লেখ নেই। আর্যরা যদি গোড়া থেকে ভারতে থাকত তবে ভারতের এই দুটি প্রাণীর নাম নিশ্চয় তারা উল্লেখ করত। বৈদিক সাহিত্যে মৃগ হস্তীন কথাই পাওয়া যায় যা হাতীর কাব্যিক নাম। সম্ভবতঃ আর্যরা আগে কখনোও হাতী দেখেনি। তারা কাব্যিকভাবে হাতীর নাম দেয়।

ভারতে বাসস্থান তত্ত্ব নস্যাৎ

এই সকল যুক্তির দ্বারা ভারতে আর্যদের আদি বাসস্থান তত্ত্বকে নস্যাৎ করা হয়। বেশীর ভাগ পণ্ডিত বলেন যে, আর্যরা বাইরে থেকে ভারতে আসে।

ভারতের বাইরে আর্যদের বাসস্থান

ভারতের বাইরে আর্যদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল সে সম্পর্কে বহু পণ্ডিত বহু প্রকার অভিমত দিয়েছেন। যেমন –

(ক) এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মত

  • (১) এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার মতে, ইউরোপ ছিল আর্যদের আদি বাসভূমি। কারণ, এখন পৃথিবীতে মোট সাতটি ইন্দো-ইউরোপীয় প্রধান ভাষা প্রচলিত আছে। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাই হল আর্যগোষ্ঠীর ভাষা। এই সাতটির মধ্যে পাঁচটি হল ইউরোপে। ইউরোপের বাইরে মাত্র দুটি যথা সংস্কৃত ও প্রাচীন পারসিক ভাষা।
  • (২) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার এই ঘন সংস্থানের ফলে ইউরোপের দাবী প্রবল হয়েছে। তাছাড়া ইউরোপীয় লিথুয়ানিয়ান ভাষার বাগধারা হল প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার খুব কাছাকাছি। তা সংস্কৃত অপেক্ষাও অনেক বেশী মূল্যের কাছে।
  • (৩) উত্তর ইউরোপের ফিনো-উগ্ৰিয় ভাষার সঙ্গেও আদি ভাষা বা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার ঘনিষ্ঠতা দেখা যায়। বাল্টিক ও স্নাত ভাষার সঙ্গেও ইন্দো-ইরানীয় আর্যভাষার সম্পর্ক দেখা যায়। এতগুলি ভাষাগোষ্ঠীর সঙ্গে মূল আর্যভাষার সম্পর্কের কারণে ইউরোপকেই আর্যদের আদি বাসভূমি ধরা হয়।

(খ) পশু ও পশুপালন

পোল্যাণ্ড হতে মধ্য এশিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ণ স্তেপ বা তৃণভূমি অঞ্চলে আর্যরা পশু চারণ করত। এ যুগে পশুপালন ছিল আর্যদের প্রধান জীবিকা। বৈদিক সাহিত্যে ওক, উইলো, বার্চ বা ভূর্জপত্রের গাছ, ঘোড়া, গাভী, ষাঁড়, শূকর প্রভৃতি জন্তুর উল্লেখ দেখা যায়। প্রাচ্যদেশের জন্তু যথা হাতী, বাঘ, সিংহ, উট, গাধার উল্লেখ বৈদিক সাহিত্যে দেখা যায় না।

নির্দিষ্ট স্থান বিতর্ক

আর্যরা ইউরোপে আদিযুগে বাস করলেও ইউরোপের ঠিক কোন স্থানে আর্যদের আদিবাস ছিল এ সম্পর্কে বিভিন্ন রকম মত আছে। যেমন –

(১) গাইলসের অভিমত

অধ্যাপক গাইলস প্রভৃতির মতে, দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অস্ট্রিয়াহাঙ্গেরি বোহেমিয়া অঞ্চলে আর্যদের আদি বাসস্থান ছিল। গাইলস বলেন যে, আদি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষায় সমুদ্রের উল্লেখ নেই। সুতরাং তারা কোনো উপকূলে ছিল না। তারা যে সকল গাছপালার ও পশু-পাখীর নাম উল্লেখ করেছে তা নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের। এজন্য তিনি অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরীকেই আর্যদের আদি বাসস্থান মনে করেন। কারণ, এখানে ঘোড়া ও পশু চরাবার তৃণভূমি ছিল।

(২) হার্ট-এর অভিমত

অধ্যাপক হার্ট (Hirt)-এর মত হল যে, আর্যরা ইউরোপ হতে ককেশাস পর্বত পার হয়ে ইরাণ বা পারস্যে প্রবেশ করে। পরে তারা ভারতে প্রবেশ করে। বোঘাজকোই শিলালিপিতে (১৫০০ খ্রীঃ পূঃ) অধ্যাপক হার্ট সিরিয়ার রাজাদের ভারতীয় আর্যদের মত নাম লক্ষ্য করে এই অভিমত দিয়েছেন।

(৩) ব্রান্ডেনস্টাইনের অভিমত

  • (ক) অধ্যাপক ব্রান্ডেনস্টাইনের অভিমত অধিকাংশ পণ্ডিত গ্রহণ করেন। তার মতে ইউরাল পর্বতের দক্ষিণের কিরঘিজের স্তেপ বা তৃণভূমি অঞ্চলে আর্যরা আদিতে বসবাস করত।
  • (খ) ব্রাণ্ডেস্টাইন তার মতের সমর্থনে বলেন যে, আদিযুগের ইন্দো-ইউরোপীয় আর্য ভাষায় স্তেপ অঞ্চলের বিশেষ উল্লেখ আছে। স্তেপিতে পশুচারণের সুবিধা ছিল। এই স্তেপ ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে কিরঘিজের স্তেপ।
  • (গ) এই স্থান হতে আর্যদের একটি শাখা পশ্চিমে চলে আসে। পরে এই শাখা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এক ভাগ ইরাণে অপর ভাগ ভারতে প্রবেশ করে। এই মত সর্বাধিক গৃহীত হয়।

উপসংহার :- ব্রাণ্ডেনস্টাইনের মতের জনপ্রিয়তার কারণ এই যে, তিনি শব্দতত্ত্বের দ্বারা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে, আদি আর্যভাষা বা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষায় পর্বতের পাদদেশের তৃণভূমিতে আর্যদের আদি বাস ছিল। এই স্থান ছিল তার মতে কিরঘিজের স্তেপ অঞ্চল

(FAQ) আর্যদের আদি বাসস্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. “আর্যদের আদি বাসস্থান ভারত” – এই মতের সমর্থক কে?

পণ্ডিত গঙ্গানাথ ঝাঁ।

২. আর্যদের আদি বাসস্থান সম্পর্কে কার মত সর্বাধিক গৃহীত হয়?

অধ্যাপক ব্রাণ্ডেনস্টাইন।

৩. অধ্যাপক ব্রাণ্ডেনস্টাইনের মতে আর্যদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল?

কিরঘিজের স্তেপ অঞ্চল।

Leave a Reply

Translate »