সুলভা

প্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী সুলভা প্রসঙ্গে জনক রাজার সভায় সুলভার আগমন, সুলভার পরিচয় জানতে উৎসুক জনক রাজা, জনক রাজার নিকট সুলভার আত্মপরিচয় দান, সুলভার হৃদয়বত্তা ও জ্ঞানগরিমা এবং সুলভা কর্তৃক জনক রাজাকে উপদেশ প্রদান সম্পর্কে জানবো।

প্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী সুলভা

ঐতিহাসিক চরিত্রসুলভা
পরিচিতিপ্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী
জন্মরাজ বংশ
ব্রতব্রহ্মচর্য
রাজ সভায় উপস্থিতজনক রাজা
প্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী সুলভা

ভূমিকা :- প্রাচীন ভারতের অন্যতম বিদুষী নারী ছিলেন সুলভা। বিদুষী সুলভা রাজকন্যা হয়েও ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করেছিলেন।

জনক রাজার সভায় সুলভার আগমন

একবার জনক রাজার সভায় মহামান্য মহাতপা ঋষিরা উপস্থিত আছেন, এইরূপ সময়ে সুলভা জনকরাজার সভায় এসে উপস্থিত হলেন।

সুলভার পরিচয় জানতে উৎসুক জনক রাজা

জনকরাজা একজন অপরিচিত ব্রহ্মচারিণীকে উপস্থিত হতে দেখে তার পরিচয় জিজ্ঞাসা করলেন।

জনক রাজার নিকট সুলভার আত্মপরিচয় দান

সুলভা বলেন “আমি রাজবংশে জন্মগ্রহণ করেছি। আমার ব্রহ্মচর্যব্রত পরিসমাপ্ত হলে গার্হস্থ্যধর্ম গ্রহণে অভিলাষিণী হয়ে বিবাহ করবার জন্য উৎসুক হয়েছিলাম, কিন্তু আমার যোগ্য বিদ্বান, বুদ্ধিমান এবং বিবিধগুণবিভূষিত পাত্র মিলল না বলে আর বিবাহ করা হয় নি। আজীবন ব্রহ্মচর্যব্রত অবলম্বন করে একাকিনী ঋষিধর্ম পালন করে আসছি।”

সুলভার হৃদয় বলবত্তা ও জ্ঞানগরিমা

মহারাজ জনকের সভা ছিল জ্ঞানী ও মহাপ্রাজ্ঞ ব্যক্তির আদর্শ স্থান। সেখানে বড় বড় ঋষি তাপসেরা শাস্ত্রজ্ঞান আলোচনা করতে আসতেন। কাজেই যে তেজস্বিনী নারী সাহস করে এসে জনকের সভাস্থলে উপস্থিত হলেন, তাঁর হৃদয়ের বল, জ্ঞানগরিমা ও প্রতিষ্ঠা যে বিশেষ ভাবেই ছিল তা সহজেই অনুমান করা যেতে পারে।

সুলভা কর্তৃক জনক রাজাকে উপদেশ প্রদান

মহারাজ জনককে সুলভা যুক্তিতত্ত্ব সম্বন্ধে বিবিধ উপদেশ প্রদান করে আনন্দিত করতে পেরেছিলেন।

উপসংহার :- সুলভার নারীত্বের গর্বও প্রশংসনীয়। উপযুক্ত পাত্র না পেলে বিবাহ করব না, এইরূপ পণ করে আজীবন ব্রহ্মচর্যব্রত অবলম্বন করে জীবনযাপন করায় যে কত বড় মনের বলের প্রয়োজন, সুলভার চরিত্র থেকেই তা সুস্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে।

(FAQ) প্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী সুলভা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. সুলভা কে ছিলেন?

প্রাচীন ভারতের বিদুষী নারী।

২. কোন বংশে সুলভা জন্মগ্ৰহণ করেন?

রাজবংশে।

৩. সুলভা কার রাজ সভায় উপস্থিত ছিলেন?

জনক রাজা।

অন্যান্য ঐতিহাসিক চরিত্রগুলি

Leave a Comment