সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো

সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো প্রসঙ্গে ফিফকে কেন্দ্র করে সামন্ততন্ত্র, ম্যানর, জমি ও কৃষক সমাজ, জমি ও কৃষকদের বিভাগ, সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় হোমেজ, ইসচিট, সার্ফ ও লর্ডের সম্পর্ক, সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় রিলিফ, লর্ডের ভূমিকা, সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় প্রধান উপাদান, সামন্ততান্ত্রিক স্তরবিন্যাস, সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় বেনিফিসিয়াম, সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় প্রিকারিয়াম ও সামরিক ব্যবস্থার কাঠামো সম্পর্কে জানবো।

সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো

ঐতিহাসিক ঘটনাসামন্ততান্ত্রিক কাঠামো
ফিফদান করা জমি
ফিফ প্রদানকারীলর্ড
ফিফ গ্ৰহণকারীভ্যাসাল
হোমেজজমি প্রদানের অনুষ্ঠান
সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো

ভূমিকা :- অধ্যাপিকা মায়ার্স ফিউড সামন্ততন্ত্রকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন যে, সামন্ততন্ত্রে বিকাশ একাদশ, দ্বাদশ এবং ত্রয়োদশ শতকে বিশেষভাবে দেখা যায়।

ফিফকে কেন্দ্র করে সামন্ততন্ত্র

  • (১) সামন্তরা সম্রাটের কাছ থেকে ফিফ বা জমি গ্রহণ করার পর ন্যায় নীতি বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিতেন। সম্রাট সামন্তপ্রভুকে ফিফ দিতে পারতেন এবং সম্রাট যে কোনো শক্তিকে ভ্যাসাল হিসাবে ফিফ দিতে পারতেন। ভ্যাসাল কোনো একটি ফিফ গ্রহণ করার পর সেই ফিফ তার অধঃস্তন ব্যক্তিকে, ওই ব্যক্তি আবার তাঁর অধঃস্তন ব্যক্তিকে ফিফ দিতে পারতেন।
  • (২) এইভাবে ফিফ বা জমি বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে খণ্ড বিখণ্ড হয়ে যেত। সবার নিচে অবস্থানকারী যিনি ফিফ বা জমি পেতেন, তাকে বলা হত নাইট। সামন্ত প্রভু সম্রাটের কাছে, সম্রাট ভ্যাসালের কাছে, ভ্যাসাল তার অধঃস্তন ভ্যাসালের কাছে প্রয়োজন হলে সামরিক সাহায্য গ্রহণ করতে পারতেন।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় ম্যানর, জমি ও কৃষক সমাজ

সামস্ত প্রভুর অধীনে থাকা ভূখণ্ডগুলি ‘ম্যানরে’ বিভক্ত থাকত। প্রত্যেকটি ম্যানরে প্রায় ৩০০ বা ৪০০ একর জমি থাকত। এই জমিগুলি ছিল উর্বর জমি। দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করা যায় এমন পণ্য এখানে উৎপাদন করা হত। ম্যানরের একপাশে সামন্ত প্রভুর দুর্গ ও তার সাথে যুক্ত উৎকৃষ্ট আবাদযোগ্য জমি থাকত। এর থেকে একটু দূরে থাকত চার্চ, আবাদযোগ্য জমি, বন্যভূমি অঞ্চল, চারণক্ষেত্র প্রভৃতি। সামন্ত প্রভুর দুর্গের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে কৃষকদের বাসগৃহ এবং চাষের জমি ছিল।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় ইউরোপের জমি ও কৃষকদের বিভাগ

মধ্যযুগের ইউরোপের জমিগুলিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হত – বসন্ত সময়কালীন জমি, শরৎ সময়কালীন জমি ও পতিত জমি। কৃষকদেরকেও প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হত – ভিলেন, সার্ফ, ক্রফটার, কটার।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় হোমেজ

  • (১) সামন্ততন্ত্রের ক্ষেত্রে যে বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ফিফ বা জমি দেওয়া হত তা ‘হোমেজ’ নামে পরিচিত ছিল। ফিফ বা জমি ভূস্বামীদের কাছ থেকে যে নিত সে চাষ আবাদের দিকটি দেখাশোনা করত এবং জমির ভোগদখলকারীর মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে জমির ভোগদখলকারীকে হাঁটু মুড়ে আনুগত্যের শপথ নিতে হত।
  • (২) ‘হোমেজ’ নামক অনুষ্ঠানে ভ্যাসাল খালি মাথায় ভূস্বামী বা প্রভুর কাছে নতজানু হয়ে বসত। প্রভুর পায়ে হাত রেখে ভ্যাসাল তার ও তার পরিজনদের সারাজীবন ধরে সেবা করবার এবং নিজের জীবন দিয়েও তার প্রাণরক্ষার শপথ গ্রহণ করত।
  • (৩) প্রভু তখন তাকে মাটি থেকে উঠবার আদেশ দিতেন, তার হাতে চুম্বন করতেন এবং তাকে অনুগত হিসাবে গ্রহণ করতেন। তার সাথে তাঁর জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্বও স্বীকার করতেন। হোমেজ অনুষ্ঠানে ভূস্বামী বা প্রভু তার সামন্ত বা ভ্যাসালকে সরাসরি রাজ্য দিয়ে দিতেন।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় ইসচিট

‘ইসচিট’ হল সামন্ততান্ত্রিক ধারার অন্যতম উপাদান। অবাধ্যতা কিংবা ইসচিট উত্তরাধিকারীর অভাবে রাজ্য বা ফিফ তার কাছে দেওয়া হয়। এড (Aid) হল কন্যার বিবাহের ক্ষেত্রে যৌতুকের প্রয়োজনে অথবা প্রভুর মুক্তি পণের জন্য যে অর্থ প্রভুকে দিতে হত।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় সার্ফ ও লর্ডের সম্পর্ক

  • (১) সামন্ততন্ত্রে সামন্ত ছাড়াও ভূমিদাসদের পরিচয় পাওয়া যায়। এই ভূমিদাসরাই সার্ফ নামে পরিচিত ছিল। ভূমিদাস বা সার্ফরা কিছু জমি পেত এবং সেই জমি চাষ করতে বাধ্য থাকত। লর্ড পরিবর্তিত হলে সার্ফরাও নতুন লর্ডের অধীন হয়ে যেত। লর্ড সার্ফদের বসবাসের জন্য একটি গৃহ ও ৩০ একর জমি চাষ করার জন্য দিতেন।
  • (২) এর পরিবর্তে সার্ফরা লর্ডকে কর দিতে বাধ্য থাকত।  সার্ফরা এই কর কোনো বস্তুর দ্বারা কিংবা ব্যক্তিগত কাজ করে পরিশোধ করতে পারত। ব্যক্তিগত কাজের মধ্যে ছিল লর্ডের জমিতে সপ্তাহে দুইদিন কাজ করে দেওয়া, শস্য ভাঙ্গা, লর্ডের জন্য রুটি তৈরি করা প্রভৃতি। এইভাবে কর দেওয়ার পর অবশিষ্ট শস্য সার্ফ নিজের কাছে রাখতে পারত।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় রিলিফ

লর্ডের কাজকর্ম করার ক্ষেত্রে অধঃস্তন সামন্ত ছিল একজন দায়িত্বপূর্ণ ব্যক্তি। লর্ড ভ্যাসালকে তার কাজের বিনিময়ে নিরাপত্তা দিতেন। ভ্যাসালরা লর্ডকে সাধারণভাবে সামরিক সাহায্য করত। একটি বছরে ভ্যাসাল প্রায় ৪০ দিন লর্ডকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকত। ভ্যাসাল কোনো ফিফ বা রাজ্য পেলে তার উর্দ্ধতন লর্ডকে সাহায্য করতে হত। একে বলা হয় রিলিফ।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় লর্ডের ভূমিকা

সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় যারা সম্রাটের কাছ থেকে জমি বা সম্পত্তি ভোগের অধিকার পেত তাদের বলা হত লর্ড, ব্যারন বা ডিউক। জমির মালিকানা থাকায় এবং অর্থ থাকায় তারা ছিল সমৃদ্ধশালী। এদের অধীনে থাকত সামরিক বাহিনী এবং সুরক্ষিত প্রাসাদ-দুর্গ বা ক্যাল। এরা সম্রাটের প্রতি অনুগত থাকত এবং বাইরের আক্রমণ অথবা অভ্যন্তরীণ কোনো বিদ্রোহের জন্য রাজ্যে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে লর্ডরা সম্রাটের প্রয়োজনে তাদের অধীনে থাকা সৈন্যদের নিয়ে সম্রাটকে সাহায্য করতেন।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় প্রধান উপাদান

মার্ক ব্লখ সামন্ততন্ত্র সম্পর্কে ‘Feudal Society’ নামক একটি গ্রন্থ লিখেছিলেন। তার মতে ইউরোপের সামন্ততান্ত্রিক সমাজের মূল উপাদানগুলি হল – অধীনস্থ কৃষক, নগদ অর্থের পরিবর্তে সেবার শর্তে দেওয়া অঞ্চল বা ফিফ, দক্ষতাসম্পন্ন যোদ্ধাশ্রেণীর প্রাধান্য, ভ্যাসালেজ, অধীনতা ও রক্ষাণাবেক্ষণের বন্ধন, শাসনতান্ত্রিক অধিকারের বিচ্ছিন্ন রূপ প্রভৃতি।

সামন্ত্রতান্ত্রিক স্তরবিন্যাস

  • (১) সামন্ততন্ত্রকে বা সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোটিকে একটি পিরামিডের আকৃতির সঙ্গে কল্পনা করা যেতে পারে। পিরামিডের একেবারে উঁচুতে সম্রাটের অবস্থান। তার নিচে অবস্থান সামন্তপ্রভু বা লর্ডের। এর পরের স্তরে ডিউক, কাউন্ট, ব্যারন প্রভৃতিকে স্থান দেওয়া হয়। সবচেয়ে নিচের অংশটিতে কৃষক বা ভূমিদাস, প্রধানত সার্ফদের অবস্থান।
  • (২) সার্ফরা লর্ড বা সামন্তপ্রভুর প্রতি কর্তব্য পালন করলেও তাদের কোনো কিছুর প্রতি অধিকার ছিল না। সমস্ত ভূসম্পত্তির মালিক হল সম্রাট। এই কথাটির উপরেই সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোটি টিকে রয়েছে। সম্রাট তার জমির কিছু অংশ অবশ্য তার অধীনস্থ ভূস্বামীদের মধ্যে দিয়ে দিতেন।
  • (৩) ভূস্বামীদের মধ্যে যে জমি বণ্টন করা হত তার কতকগুলো শর্ত ছিল। সম্রাট প্রথমেই বড় সামন্তদের জমি দিতেন। এই সামন্তরা ‘প্রধান ভূমি সত্ত্বাধিকারী’ বলে পরিচিত ছিল। এরা বিভিন্ন উপাধি গ্রহণ করত, যেমন – ডিউক, আর্ল, মারগ্রেভ, কাউন্ট প্রভৃতি।
  • (৪) এই ভূস্বামীরাও তাদের জমি অধস্তন ভূস্বামীদের কাছে বণ্টন করে দিতেন। এদের উপাধি ছিল ব্যারন, ভাইকাউন্ট প্রভৃতি। এটাই শেষ স্তর ছিল না। এর পরেও বিভিন্ন স্তরে জমি বণ্টন করার প্রক্রিয়া চলত। সবার শেষ পর্যায়ে যে ভূস্বামী ছিল তারা ছিল ‘নাইট’। নাইটরা কিন্তু জমিকে আর বণ্টন করতে পারত না।
  • (৫) বড় ভূস্বামীরা লর্ড বা প্রভু বলে পরিচিতি পেয়েছিলেন। ছোট জমিদার বা সাধারণ কৃষক যারা লর্ডের কাছ থেকে জমি গ্রহণ করত তারা ছিল ‘ভ্যাসাল’। সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় সম্রাটকে কেউ জমি দান করত না তাই সম্রাট কারোরই ভ্যাসাল নন।

সামন্ততন্ত্রিক কাঠামোয় রোমান-জার্মান সংমিশ্রণ

  • (১) F. L. Ganshof সান্ততন্ত্র প্রসঙ্গে বলেছেন যে, “সাধারণভাবে সামন্ততন্ত্র হল প্রধানত সামরিক সেবার পরিবর্তে লর্ডকে রক্ষার দায়িত্ব নেওয়া।” মধ্যযুগের ইউরোপে সামন্ততন্ত্র রোমান ও জার্মান সমাজব্যবস্থার সংমিশ্রণে গড়ে উঠেছিল বলে মনে করা হয়।
  • (২) H. Pirenne তাঁর “Economic and Social History of Medieval Europe” গ্রন্থে এই প্রসঙ্গে জার্মানরাই যে রোমান ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ধ্রুপদী যুগের অবসান ঘটিয়েছিল এবং সামন্ততন্ত্র গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল তা মানতে চান নি।
  • (৩) Alfons Dopsch তাঁর “The Economic and Social Foundations of European Civilization” গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে, জার্মানরা বহুদিন ধরে রোমান সাম্রাজ্য অধিকার করলেও রোমান সংস্কৃতিকে বজায় রাখতে চেষ্টা করেছিল। রোমান ও জার্মান সমাজব্যবস্থার সংমিশ্রণেই যে সামন্ততন্ত্রের উদ্ভব সে সম্পর্কে বিতর্ক আজও বর্তমান।

সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় বেনিফিসিয়াম

  • (১) মার্ক ব্লখের বক্তব্য থেকে জানা যায়, বেনিফিসিয়াম (Beneficium)-এর বিষয়টি। ১০৮৭ খ্রিস্টাব্দের এক পাণ্ডুলিপি থেকে জানা যায়, সাধারণভাবে বেনিফিসিয়ামই ছিল ফিফ। বেনিফিসিয়াম ফিফ ছিল কিনা সে বিতর্কে না গিয়ে বরং ‘বেনিফিসিয়াম’-এর অর্থটা জেনে নেওয়া যাক।
  • (২) কোনোরকম শর্ত ছাড়াই স্বেচ্ছায় দেওয়া উপহারই ছিল ‘বেনিফিসিয়াম’। এক্ষেত্রে জমি বা পদ এবং দপ্তরকেই উপহার-এর মধ্যে ধরা হত। বেনিফিসিয়াম-এ কোনোরকম শর্ত পালন করতে হত না। বেনিফিসিয়াম বংশানুক্রমিক অধিকারের আওতায় ছিল না।

সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় প্রিকারিয়াম

‘প্রিকারিয়াম’ (Precarium) নামক একটি ব্যবস্থা সামন্ততন্ত্রের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ছিল। কোনো ব্যক্তি জমির জন্য আবেদন করলে তাকে যে জমি দান হিসাবে দেওয়া হত তা ‘প্রিকারিয়াম’ নামে পরিচিত ছিল। যে ব্যক্তি প্রিকারিয়াম পেত, সে কিন্তু জমি ব্যবহার করতে পারলেও জমির মালিকানা সত্ত্ব পেত না। প্রিকারিয়ামও বংশানুক্রমিকভাবে অধিকার করে রাখা যেত না।

সামরিক ব্যবস্থার কাঠামো

  • (১) F. L. Ganshof সামন্ততন্ত্রকে ব্যখ্যা করতে গিয়ে সামন্ততন্ত্রের মধ্যে সামরিক ধারার বিষয়টির উল্লেখ করেছেন। সামন্ততন্ত্রের মধ্যেই সামরিক ব্যবস্থার কাঠামো লক্ষ্য করা যায়। সম্রাট যুদ্ধে অংশগ্রহণ করলে সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী হওয়ার জন্য ভ্যাসালের শরণাপন্ন হতেন।
  • (২) সামরিক যোদ্ধা ও যুদ্ধের সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে লর্ড তাদের অধীনস্থ ছোট লর্ডদের উপর নির্ভর করতেন। সবচেয়ে নিচে অবস্থানকারী লর্ডরা নাইটদের উপর নির্ভর করতেন। ভ্যাসালরা লর্ডকে অস্ত্র ও বর্মসজ্জিত অশ্বারোহী বাহিনী সরবরাহ করতেন। ভ্যাসাল যুদ্ধের সময়ে লর্ডের সেনানিবাস ও দুর্গ পাহারা দিত এবং প্রয়োজন পড়লে যুদ্ধে লর্ডের সঙ্গে অংশ নিত।

উপসংহার :- সুতরাং সামন্ততন্ত্র সামরিক সংগঠন ও সামরিক কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছিল। যদিও কার্ল মার্কস সামন্ততন্ত্রকে সম্পূর্ণভাবে সামরিক কাঠামোগত ব্যবস্থা হিসাবে না দেখে একটি সুনির্দিষ্ট উৎপাদন ব্যবস্থা হিসাবে দেখেছেন।

(FAQ) সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় যে জমি দান করা হত তাকে কি বলে?

ফিফ।

২. ফিফ গ্ৰহণকারী ব্যক্তি কি নামে পরিচিত ছিলেন?

ভ্যাসাল।

৩. ফিফ প্রদানকারী ব্যক্তি কি নামে পরিচিত ছিলেন?

লর্ড।

৪. হোমেজ কি?

সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় যে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফিফ বা জমি দেওয়া হত তা হোমেজ নামে পরিচিত।

Leave a Comment