ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা প্রসঙ্গে পাশ্চাত্য শিক্ষায় ব্রিটিশদের উদ্যোগ, মিশনারিদের উদ্যোগ, ভারতীয়দের উদ্যোগ, প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী, মেকলের মিনিট, বেন্টিঙ্কদের উদ্যোগ, উডের ডেসপ্যাচ, পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাশ্চাত্য শিক্ষার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানবো।

ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা

ঐতিহাসিক ঘটনাভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ১৮০০ খ্রি
হিন্দু কলেজ১৮১৭ খ্রি
কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ১৮৩৫ খ্রি
হেয়ার স্কুলডেভিড হেয়ার
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়১৮৫৭ খ্রি
ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা

ভূমিকা :- ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার সুচনালগ্নে ভারতে পাঠশালা, টোল, মক্তব, মাদ্রাসা প্রভৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভারতীয়রা আরবি, ফারসি ও সংস্কৃত ভাষার মাধ্যমে শিক্ষালাভ করত। ব্রিটিশ শাসকরাও প্রথম দিকে এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারে বিশেষ আগ্রহ দেখায় নি।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় ব্রিটিশদের উদ্যোগ

এই সময় বড়োলাট ওয়ারেন হেস্টিংসের উদ্যোগে কলিকাতা মাদ্রাসা (১৭৮১ খ্রি.), উইলিয়াম জোন্‌স-এর উদ্যোগে কলিকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি (১৭৮৪ খ্রি.) এবং জোনাথান ডানকানের উদ্যোগে বারাণসীতে সংস্কৃত কলেজ (১৭৯১/৯২ খ্রি.) প্রভৃতি প্রাচ্যবাদী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় মিশনারিদের উদ্যোগ

  • (১) খ্রিস্টান মিশনারি মার্শম্যান, ওয়ার্ড ও উইলিয়াম কেরি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। এই মিশন ১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন, চার্চ মিশনারি সোসাইটি ও লন্ডন মিশনারি সোসাইটি-র উদ্যোগে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বেশকিছু ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • (২) স্কটল্যান্ডের মিশনারি আলেকজান্ডার ডাফ-এর উদ্যোগে ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে ‘জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন’ (বর্তমান স্কটিশ চার্চ কলেজ), বেলজিয়াম থেকে আগত জেসুইট মিশনারিদের উদ্যোগে ‘সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ’ এবং ‘লরেটো হাউজ কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া মিশনারিদের উদ্যোগে শিবপুরে বিশপ কলেজ’ (১৮২০ খ্রি.) এবং মাদ্রাজে ‘খ্রিস্টান কলেজ’ (১৮৩৭ খ্রি.) প্রতিষ্ঠিত হয়।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় উদার হৃদয় ভারতীয় ও বিদেশীদের  উদ্যোগ

  • (১) কয়েকজন মুক্তমনা ভারতীয় এবং কয়েকজন বিদেশি এদেশে ইংরেজি ও আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। রামমোহন রায় ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘অ্যাংলো-হিন্দু স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
  • (২) ডেভিড হেয়ার, রাধাকান্ত দেব, বৈদ্যনাথ মুখোপাধ্যায়, স্যার এডওয়ার্ড হাইড ইস্ট প্রমুখের প্রচেষ্টায় এবং রামমোহন রায়ের উৎসাহে কলকাতায় ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে ‘হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে প্রেসিডেন্সি কলেজ নামে পরিচিত হয়। হেয়ার ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় পটলডাঙা একাডেমি (বর্তমানে হেয়ার স্কুল) নামে আরও একটি ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
  • (৩) এ ছাড়া হেয়ারের উদ্যোগে ইংরেজি ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনার উদ্দেশ্যে ‘কলকাতা স্কুল বুক সোসাইটি’ (১৮১৭ খ্রি.) এবং বিভিন্ন স্থানে ইংরেজি বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্দেশ্যে ‘কলকাতা স্কুল সোসাইটি’ (১৮১৮ খ্রি.) প্রতিষ্ঠা করেন। এ ছাড়া সারবর্ন, মার্টিন, বাউল, আরটুন পিট্রাস, ডেভিড ড্রামন্ড প্রমুখ বিদেশি কলকাতায় ইংরেজি শিক্ষার বিদ্যালয় স্থাপন করেন।

পাশ্চাত্য শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রাচ্যবাদী ও পাশ্চাত্যবাদী

বড়োলাট লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের (১৮২৮-৩৫ খ্রি.) আমলে টমাস ব্যাবিংটন মেকলে নামে একজন খ্যাতনামা পণ্ডিত তাঁর আইন সচিব হয়ে ভারতে আসেন এবং কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশনের সভাপতি নিযুক্ত হন। এই সময় ভারতে প্রাচ্য না পাশ্চাত্য রীতিতে সরকারের শিক্ষাদান করা উচিত – এই বিষয়ের আলোচনায় কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশনের সদস্যরা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা – প্রাচ্যবাদী বা ওরিয়েন্টালিস্ট এবং পাশ্চাত্যবাদী বা অ্যাংলিসিস্ট।

(১) প্রাচ্যবাদী

যাঁরা প্রাচ্য রীতিতে ভারতে শিক্ষাদানের পক্ষপাতী ছিলেন তাঁরা প্রাচ্যবাদী নামে পরিচিত হন। প্রাচ্যবাদের সমর্থকদের মধ্যে ছিলেন। এইচ. টি. প্রিন্সেপ, কোলব্রুক ও উইলসন। তাঁরা প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য ও দর্শন সম্পর্কে শিক্ষাদানে আগ্রহী ছিলেন।

(২) পাশ্চাত্যবাদী

যাঁরা পাশ্চাত্য রীতিতে ভারতে শিক্ষাদানের পক্ষপাতী ছিলেন তাঁরা পাশ্চাত্যবাদী নামে পরিচিত হন। স্বয়ং মেকলে ছিলেন উগ্র পাশ্চাত্যবাদী। মেকলের সমর্থকদের মধ্যে ছিলেন আলেকজান্ডার ডাফ, সন্ডার্স, কলভিন প্রমুখ পাশ্চাত্যবাদীগণ।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় মেকলের মিনিট

মেকলে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের ২ ফেব্রুয়ারি তাঁর বিখ্যাত ‘মিনিট’ বা প্রস্তাব বড়োলাট লর্ড বেন্টিঙ্কের কাছে পেশ করে সরাসরি পাশ্চাত্য শিক্ষার পক্ষে অভিমত দেন। তাঁর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য ছিল –

  • (১) প্রাচ্যের শিক্ষায় কোনো বৈজ্ঞানিক চেতনা নেই এবং তা পাশ্চাত্য শিক্ষার চেয়ে সম্পূর্ণ নিকৃষ্ট।
  • (২) মেকলের মতে, “ভালো ইউরোপীয় গ্রন্থাগারের একটি তাক আরব ও ভারতের সমগ্র সাহিত্যের সমকক্ষ।”
  • (৩) তিনি মনে করতেন যে, পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের ফলে এমন একটি ভারতীয় সম্প্রদায়ের সৃষ্টি হবে যারা ‘রক্তে ও বর্ণে হবে ভারতীয়, কিন্তু রুচি, মত, নৈতিকতা এবং বুদ্ধিমত্তায় হবে ইংরেজ।”
  • (৪) ভারতের উচ্চ ও মধ্যবিত্তদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তৃত হলে তা মধ্যবিত্তদের মাধ্যমে ক্রমে সাধারণ জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে। মেকলের পরিকল্পিত এই নীতি ‘চুঁইয়ে পড়া নীতি’ বা ‘ক্রমনিম্ন পরিশ্রুত নীতি’ নামে পরিচিত।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় বেন্টিঙ্কের উদ্যোগ

মেকলের বাগ্মিতা ও যুক্তির ফলে পাশ্চাত্যবাদীরা জয়যুক্ত হন এবং লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দের ৭ মার্চ ইংরেজি শিক্ষা সরকারের নীতি হিসেবে ঘোষণা করেন। তাঁর উদ্যোগের ফলে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশ্যে কলকাতা মেডিকেল কলেজ (১৮৩৫ খ্রি.), সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, বোম্বাই-এ এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন (১৮৩৫ খ্রি.) রুরকী-তে থমাসোন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (১৮৪৭ খ্রি.), মাদ্রাজে মাদ্রাজ ইউনিভার্সিটি হাই স্কুল প্রভৃতি স্থাপিত হয়।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় উডের ডেসপ্যাচ

  • (১) বোর্ড অব কন্ট্রোলের সভাপতি চার্লস উড ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে শিক্ষা-সংক্রান্ত এক নির্দেশনামা প্রকাশ করে যা উডের ডেসপ্যাচ’ নামে পরিচিত। একে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারের ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা ‘মহাসনদ’ বলা হয়। মূলত এই নির্দেশনামা অনুসারে আধুনিক ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
  • (২) এই নির্দেশনামায় দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল এবং কলেজ প্রতিষ্ঠা, একটি শিক্ষা বিভাগ, কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, শিক্ষক-শিক্ষণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নারীশিক্ষার প্রসার, মাতৃভাষার মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষাদান প্রভৃতির কথা বলা হয়।

পাশ্চাত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  • (১) মধ্যবিত্তদের ব্যক্তিগত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগেও ভারতে নতুন নতুন পাশ্চাত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে থাকে। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা, বোম্বাই ও মাদ্রাজে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার জেমস উইলিয়াম কোলভিল।
  • (২) ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে মধ্য লাহোরে এবং ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে এলাহাবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এদেশে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে যেখানে কলেজের সংখ্যা ছিল মাত্র ২৭টি, সেখানে ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে কলেজের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪৫-এ। এ ছাড়া সারা দেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাপ্রসারের সহায়ক অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • (৩) ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে ভারতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৯১৬ টি। এগুলিতে প্রায় সওয়া দুই লক্ষ শিক্ষার্থী পাশ্চাত্যের আধুনিক শিক্ষাগ্রহণ করত। এভাবে মধ্যবিত্তদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটে।

পাশ্চাত্য শিক্ষায় সীমাবদ্ধতা

মধ্যবিত্তদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পাশ্চাত্য ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলেও সেই হারে সরকারি চাকরি বৃদ্ধি পায় নি। পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের উচ্চশিক্ষিতরা শিল্প, বাণিজ্য এবং দেশীয় রাজাদের কাজে নিযুক্ত হলেও পূর্ব ভারতে সে সুযোগ ছিল খুব কম।

হান্টার কমিশন

এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে হান্টার কমিশন-এর সুপারিশ অনুসারে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান কমিয়ে দেয়। কিন্তু মধ্যবিত্তদের মধ্যে উচ্চশিক্ষার বিপুল চাহিদা থাকায় বেসরকারি উদ্যোগে সারা ভারতে বিভিন্ন উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠতে থাকে।

সর্বপ্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্ৰহণে আগ্ৰহী

ঔপনিবেশিক আমলে ভারতে মধ্যবিত্ত শ্রেণি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষাগ্রহণে এগিয়ে আসে। এদেশে প্রথম পর্বে খ্রিস্টান মিশনারি ও অন্যান্য বিদেশিদের উদ্যোগে পাশ্চাত্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে এবং শহুরে বিভিন্ন প্রগতিশীল মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যরা এই শিক্ষাগ্রহণে এগিয়ে আসে।

মধ্যবিত্তদের উপর পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাব

পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার সংস্পর্শে এসে এই মধ্যবিত্ত শ্রেণি উপলব্ধি করেছিল যে ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতিতে এমন কিছু মধ্যযুগীয় ভাবধারার প্রচলন রয়েছে যা এদেশের সমাজ ও সংস্কৃতির অগ্রগতির পথে বাধাস্বরূপ। তাই তাঁরা ভারতীয় সমাজ ও সভ্যতার কুসংস্কার ও জরাজীর্ণতা দূর করে পাশ্চাত্যের সমাজ ও সংস্কৃতির ভালো দিকগুলি ভারতীয় সমাজ ও সভ্যতায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেন।

এলিটিস্ট আন্দোলন

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির সংস্কার আন্দোলন সমাজের উচ্চশ্রেণির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এর বিশেষ যোগ ছিল না। এজন্য ড. অনীল শীল একে ‘এলিটিস্ট আন্দোলন’ বলে অভিহিত করেছেন।

উপসংহার :- ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে মধ্যবিত্তদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে সমাজসংস্কার আন্দোলনের ব্যাপক প্রসার ঘটে। বাংলায় সংস্কার আন্দোলনে রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠী বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

(FAQ) ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার সূচনা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. ভারতে কারা সর্বপ্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্ৰহণে এগিয়ে আসেন?

মধ্যবিত্ত শ্রেণি।

২. কে, কখন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন?

লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।

৩. শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠা করেন কারা?

উইলিয়াম কেরি, মার্শম্যান ও ওয়ার্ড।

৪. হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় কখন?

১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে।

৫. কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় কখন?

১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে।

৬. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় কখন?

১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে।

৭. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?

স্যার জেমস উইলিয়াম কোলভিল।

Leave a Comment