ঝুলন যাত্রা

ঝুলন যাত্রা বা ঝুলন পূর্ণিমা প্রসঙ্গে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার বিশেষ উৎসব ঝুলন, ঝুলন যাত্রার সময়কাল, বৈষ্ণবদের জনপ্রিয় উৎসব ঝুলযাত্রা, বর্ষার প্রেমের উৎসব ঝুলন যাত্রা, শৈশব লীলার স্মৃতি ঝুলন, রাখি বন্ধন উৎসব, উৎসবের প্রধান স্থান, পৌরাণিক কাহিনি ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানবো।

ঝুলন পূর্ণিমা বা ঝুলন যাত্রা

উৎসবঝুলন পূর্ণিমা
অপর নামঝুলন যাত্রা, রাখি বন্ধন, হিন্দোল
পালনকারীহিন্দু সম্প্রদায়
ধরণধর্মীয় উৎসব
সময়শ্রাবণ পূর্ণিমা
সংঘটনবার্ষিক
সম্পর্কিতজন্মাষ্টমী
ঝুলন পূর্ণিমা বা ঝুলন যাত্রা

ভূমিকা :- হিন্দুদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসবের মধ্যে একটি অন্যতম উৎসব হল ঝুলন যাত্রা বা ঝুলন পূর্ণিমা। অমাবস্যায় পরের একাদশী থেকে আরম্ভ করে শ্রাবনী পূর্ণিমা পর্যন্ত চলে উৎসবের সমারোহ। এটি বৈষ্ণবদের দোল পূর্ণিমার পরবর্তী বড়ো উৎসব।

রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার বিশেষ উৎসব ঝুলন

দোলনা সজ্জিত করা, ভক্তিমূলক গান, নাচ, সব মিলিয়ে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার একটি বিশেষ উৎসব হল ঝুলন যাত্রা।

ঝুলন যাত্রার সময়কাল

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অনুসারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উত্‍সবগুলির মধ্যে অন্যতম হল ঝুলন যাত্রা, যা শ্রাবণ মাসে পালিত হয়। এই উত্‍সবটি জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই উদযাপিত হয়।

বৈষ্ণবদের জনপ্রিয় উৎসব ঝুলযাত্রা

বৈষ্ণবদের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ঝুলন যাত্রা।

বর্ষার প্রেমের উৎসব ঝুলন যাত্রা

ঝুলন হল ভারতে বর্ষাকালে রাধা কৃষ্ণের প্রেমের সাথে মিলিত আনন্দ উদযাপন করার একটি আনন্দের উৎসব।

ঝুলন যাত্রায় দেশ বিদেশের দর্শনার্থীদের আগমন

এই উৎসবে দেশ-বিদেশ থেকে বহু দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে আমাদের দেশ ভারতবর্ষে।

মহাসমারোহে ঝুলন পালন

নবদ্বীপের ঝুলন উৎসব একটি বিশেষ আকর্ষণ। বৃন্দাবন, মথুরা আর ইসকন মন্দিরে মহা সমারোহে পালিত হয় এই ঝুলন যাত্রা। এই উৎসব সাধারণত শ্রাবণ মাসেই হয়ে থাকে।

শৈশব লীলার স্মৃতি ঝুলন

শৈশবে গাছের শাখায় দোলনা বেঁধে ঝুলন দোলায় দোলার স্মৃতি অনেকেরই আছে। এখনও শিশুদের দেখা যায় এই ভাবে দোল খেতে। রাধা-কৃষ্ণের শৈশব-লীলার এমনই এক স্মৃতি ঝুলন।

শ্রাবণী পূর্ণিমা বা ঝুলন পূর্ণিমা

এই ঝুলনযাত্রা বা লীলা বর্ষার লীলা। ঝুলন পূর্ণিমাকে শ্রাবণী পূর্ণিমাও বলা হয়।

রাখি বন্ধন উৎসব

ঝুলন যাত্রা শ্রাবণ (আগস্ট) মাসে পালিত হয়। শুক্লা পক্ষের একাদশী থেকে পূর্ণিমার দিন পর্যন্ত এই উৎসব চলে। একে শ্রাবণ পূর্ণিমা বলা হয়, যা রাখী বন্ধন উৎসব নামেও পরিচিত।

ঝুলন যাত্রার সূচনা

বৃন্দাবনে রাধা-কৃষ্ণের শৈশব-স্মৃতি, বিশেষত সখা-সখীদের সাথে দোলনায় দোলার প্রেমলীলাকে কেন্দ্র করে দ্বাপরযুগে এই ঝুলন উৎসবের সূচনা হয়েছিল। এর পর থেকে এখনো গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের প্রিয় অনুষ্ঠান এই ঝুলন যাত্রা।

উৎসবের প্রধান স্থান

  • (১) সারা বিশ্ব থেকে হাজার হাজার কৃষ্ণ ভক্ত পবিত্র শহর মথুরা, বৃন্দাবন, উড়িষ্যার পুরী এবং পশ্চিমবঙ্গের মায়াপুরে যান। রাধা এবং কৃষ্ণের মূর্তিগুলিকে বেদী থেকে সরানো হয় এবং ভারী অলঙ্কৃত দোলনায় স্থাপন করা হয়। সকল ভক্তরা প্রভুর প্রেমে মগ্ন হন।
  • (২) বৃন্দাবনের শ্রী রূপ-সনাতন গৌড়ীয় মঠ, বাঁকে বিহারী মন্দির এবং রাধা-রমণ মন্দির, মথুরার দ্বারকাধীশ মন্দির, জগন্নাথ পুরীর গৌড়ীয় মঠ, ইসকন মন্দির, গোবর্ধন পীঠ, শ্রী রাধা কান্ত মঠ, শ্রী জগন্নাথ বল্লভ মঠ এবং ইসকন প্রভৃতি জায়গা যেখানে এই উৎসব তাদের সবচেয়ে বড় জাঁকজমকের সঙ্গে পালিত হয়।

ঝুলন যাত্রার বিখ্যাত স্থান

বর্তমানে ভারতের সমস্ত স্থানের মধ্যে মথুরা, বৃন্দাবন এবং মায়াপুর ঝুলন যাত্রা উদযাপনের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত।

রাধা কৃষ্ণের প্রেমের পূর্ণ প্রকাশের দিন ঝুলন পূর্ণিমা

ঝুলনযাত্রার দিন শ্রীকৃষ্ণ এবং রাধার প্রেমের পূর্ণ প্রকাশ ঘটেছিল বলে অনুমান করা হয়।

বৃন্দাবনে প্রতিদিনই উৎসব

একটি বিখ্যাত প্রবাদ আছে যে বৃন্দাবনে প্রতিদিনই উৎসব। এই কারণে, সারা বছর লোকেরা বৃন্দাবনের মন্দিরে এসে ভগবানের দর্শনের অপেক্ষায় থাকে। এর পাশাপাশি ব্রজের সমস্ত উৎসবও সারা বিশ্বের ভক্তদের আকর্ষণ করে। শ্রী রাধারমণ মন্দির বৃন্দাবনের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটি। এর সঙ্গে এই মন্দিরটি সপ্ত দেবালয়ের অন্তর্ভুক্ত। এই মন্দিরে হরিয়ালি তিজ থেকে শুরু হয়েছে ভগবানের ঝুলন মহোৎসব।

ঝুলন যাত্রার দিন বহু অলৌকিক সভা

এই উৎসবে প্রতি তৃতীয় দিনে দেবতাকে আলাদা দোলনায় বসানো হয়। এর পাশাপাশি, এই দিনগুলির ঈশ্বরের বহু অলৌকিক শোভা শুধুমাত্র এই ঝুলন মহোৎসবের সময় দেখা যায়।

ঝুলন উৎসব বিষয়ে চন্দ্রকুমার গোস্বামীর মন্তব্য

চন্দ্রকুমার গোস্বামী জানান, ঝুলন উৎসবে ঈশ্বরকে বিশেষ ভোগও দেওয়া হয়। মন্দির সেবায়েত রাধাকান্ত গোস্বামী জানান, ভগবান শ্রী রাধারমণের হরিয়ালি তীজ ঝুলন মহোৎসব শুরু হয়। একে হিন্দোল উৎসবও বলা হয়, যা চলবে রাখি বন্ধন পর্যন্ত।

ঝুলন যাত্রার দিন কীর্তন ও আনন্দ

শাস্ত্র অনুযায়ী, শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমকে সম্মান দিতে এই উত্‍সব পালন করা হয়। সখী ও রাধাকে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ যে লীলা করতেন, তারই কৃত্রিম রূপ দিতে রাধাকৃষ্ণকে নিয়ে কীর্তন ও আনন্দ করা হয়। সঙ্গে চলে কৃষ্ণভক্তদের মধ্যে নাচ ও গান।

ঝুলন যাত্রায় গ্ৰাম বাংলার সাবেক প্রথা ও রীতি

এই ঝুলন পূর্ণিমার উত্‍সবকে কেন্দ্র করে গ্রামবাংলায় প্রচুর সাবেক প্রথা ও রীতি আছে। এছাড়াও রয়েছে ঝুলন যাত্রার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তাত্‍পর্য। এই দিন নানাধরনের মাটির ও প্লাস্টিকের পুতুল, কাঠের দোলনা ও গাছপালা, পুকুর দিয়ে ঝুলন সাজানোর প্রথা রয়েছে।

দ্বাদশ যাত্রার অন্যতম ঝুলন যাত্রা

ঝুলন যাত্রায় প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ রকমের ফলের নৈবেদ্য, লুচি, সুজি নিবেদন করা হয়ে থাকে। শ্রীকৃষ্ণের দ্বাদশ যাত্রার মধ্যে রয়েছে এই ঝুলন যাত্রা। এছাড়াও রথযাত্রা, রাসযাত্রা, স্নানযাত্রা, দোলযাত্রা এর মধ্যে পড়ে।

ঝুলন যাত্রায় বিগ্ৰহ স্থাপন প্রথা

প্রথা অনুসারে, ঝুলন যাত্রায় রাধা-গোবিন্দের যুগল বিগ্রহকে পূর্ব-পশ্চিম দিকে দোলনায় রাখা হয়। দোলনা দোলানোর সময় পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে দোল দেওয়া হয়। সূর্যের উদয় ও অস্তের সঙ্গে সঙ্গে দিক নির্দিষ্ট করে পুজো করা হয়।

হিন্দু বৈষ্ণবের মননে ঝুলন যাত্রা

বৃন্দাবনের কুঞ্জবনে সেই কোন প্রাচীন সময়ে সখীদের মাঝে রাধা ও কৃষ্ণ দুই ঐশী নর ও নারী পরস্পর পরস্পরের প্রতি প্রেমাস্পদ হয়ে এই ঝুলনে মেতেছিলেন, আজও সেই রীতি সমানে বয়ে চলেছে প্রতিটি হিন্দু বৈষ্ণবের মননে।

ঝুলন যাত্রার পৌরাণিক কাহিনি

  • (১) হিন্দু পুরাণ অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণ দ্বাপরযুগে ঈশ্বরের অবতার হিসেবে এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। বয়োঃবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৃন্দাবন তথা নন্দালয়ে তিনি নানারকম লীলাসাধন করেছিলেন। কিশোর কৃষ্ণ আর রাধারানীর যে মাধুর্যপূর্ণ প্রেমের পরিপূর্ণ প্রকাশ বৃন্দাবনে স্থাপিত হয়েছিল তারই লীলাস্বরূপ এই ঝুলনযাত্রা পালিত হয়ে থাকে।
  • (২) ভক্তদের মতে রাধা-কৃষ্ণ বৃন্দাবনের কুঞ্জবনে বিশুদ্ধ প্রেমের আদানপ্রদানের মাধ্যমে এই জীবজগতে প্রথম প্রেমের প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন। সেই লীলার নানারূপ এই ঝুলন-যাত্রায় ভক্তকুলের সামনে পরিবেশিত হয়। এখানে শ্রীকৃষ্ণ প্রকৃতির রূপক আর রাধা হলেন তাঁর পরম ভক্তস্বরূপিনী।
  • (৩) শ্রীকৃষ্ণের নিত্য অষ্টপ্রহরের আটটি লীলার কথা বলা আছে পুরাণে। এর মধ্যে একটি দিব্যলীলা হল এই ঝুলনযাত্রা। শ্রীকৃষ্ণ রাধার অষ্টসখীর সঙ্গে একত্রে বৃন্দাবন কুঞ্জে নৃত্য-গীত সহযোগে রাধার সঙ্গে দোলনায় ঝুলেছিলেন। পুরাণ অনুযায়ী এই অষ্টসখীর নাম হল ইন্দুরেখা, চিত্রা, চম্পকলতা, ললিতা, বিশাখা, তুঙ্গবিদ্যা, সুদেবী এবং রঙ্গদেবী।
  • (৪) এই দিনে কদম গাছে দোলনা বেঁধে সখীরা রাধা-কৃষ্ণের ঝুলন পালন করেছিলেন বলেই বিশ্বাস করেন বৈষ্ণবেরা। শাস্ত্রে শ্রীকৃষ্ণের বারোটি পৃথক যাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যার মধ্যে রথযাত্রা, স্নানযাত্রা, দোলযাত্রা, রাসযাত্রা ছাড়াও এই ঝুলনযাত্ৰা অতি বিখ্যাত যাদের একত্রে ‘দ্বাদশযাত্রা’ বলা হয়।

বউবাজারের ঝুলন যাত্রা

কলকাতার বউবাজারের বিখ্যাত রামকানাই অধিকারীর ঝুলনবাড়িতে ঝুলন যাত্রার উৎসব দেখার জন্য বহু দর্শক সমাগম হয়। একসময় বউবাজারের এই ঝুলনবাড়ির উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল ধ্রুপদী সঙ্গীতের আসর যা এখন সম্পূর্ণ হারিয়ে গেছে।

দুশো বছর ধরে মেদিনীপুরের ঝুলন যাত্রা

মেদিনীপুরের মহিষাদল রাজবাড়িতে প্রায় দুশো বছর ধরে সমানভাবে ঐতিহ্যমণ্ডিত মদনমোহন গোপালজীউর মন্দিরে রাধা-কৃষ্ণের ঝুলন অনুষ্ঠিত হয়।

ঝুলন যাত্রার গুরুত্ব

মনে করা হয় ঝুলন উৎসবে রাধা-কৃষ্ণের পুজো করলে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি ভরে ওঠে। এদিন রাধা-কৃষ্ণকে হলুদ বস্ত্র দিয়ে সাজিয়ে, হলুদ ফুল উৎসর্গ করা শুভ। এছাড়াও এই দিনে কৃষ্ণকে ময়ূরের পালক দিয়ে সাজিয়ে, ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানোর রীতি আছে। আর অবশ্যই পুজোর আগে রাধা-কৃষ্ণের পায়ে তুলসি পাতা অর্পণ করতে হয়।

২০২৩ সালে ঝুলন যাত্রা

এই বছর ঝুলনযাত্রা শুরু হচ্ছে আগামী ২৬ আগস্ট রবিবার। আর বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুসারে এই বছরে শনিবার ২৬ আগস্ট একাদশী তিথি শুরু হচ্ছে। একাদশী শুরু হচ্ছে রাত ১২.১০ মিনিটে। এই পঞ্জিকা অনুসারে রবিবার রাত ৯.৩৩ মিনিট পর্যন্ত থাকবে একাদশী তিথি। আবার গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা অনুযায়ী শনিবার ২৬ আগস্ট সন্ধ্যা ৭ টা ৪ মিনিটে লাগছে একাদশী। একাদশী তিথি থাকবে ২৭ অগাস্ট বিকেল ৫.১৪ মিনিট পর্যন্ত। এবছর ঝুলনযাত্রা সমাপ্তি ঘটবে ৩০ অগাস্ট, বুধবার।

লীলা সম্পর্কে শাস্ত্রের বক্তব্য

শাস্ত্রে বলা হয়েছে,

“অনুগ্রহায় ভূতানাং মানুষং দেহমাশ্রিতঃ।

ভজতে তাদৃশীঃ ক্রীড়াঃ যাঃ শ্রুত্বা তৎপরো ভবেৎ।।”

অর্থাৎ, ভগবান ভক্ত অভক্ত নির্বিশেষে সকলকে অনুগ্রহ করবার জন্য গোলকধাম থেকে ভূলোকে এসে লীলা করেন।

উপসংহার :- শ্রীকৃষ্ণের ভক্তদের কাছে ও বাংলার এক ঐতিহ্যবাহী উৎসব ঝুলনযাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। তবে বর্তমানে শহরাঞ্চলে এই উৎসবের রেশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। কিন্তু আজও গ্রাম্য অঞ্চলে বাংলার এই ঐতিহ্য টিকে রয়েছে।

(FAQ) ঝুলন যাত্রা বা ঝুলন পূর্ণিমা সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. ঝুলন যাত্রার অন্য নাম কি?

ঝুলন পূর্ণিমা, রাখি পূর্ণিমা, হিন্দোল উৎসব।

২. ঝুলন যাত্রার সময়কাল কখন?

শ্রাবণ-ভাদ্র বা জুলাই আগস্ট মাস।

৩. ঝুলন যাত্রা কারা উদযাপন করে?

হিন্দু সম্প্রদায়।

৪. ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত ঝুলন যাত্রা উদযাপনের স্থান কোন গুলি?

মথুরা, বৃন্দাবন এবং মায়াপুর।

৫. ঝুলন যাত্রা উপলক্ষে কার পূজা করা হয়?

রাধা ও কৃষ্ণের।

Leave a Comment