জাদুঘর

জাদুঘর প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মন্তব্য, জাদুঘর বা মিউজিয়াম, জাদুঘরের সংজ্ঞা, জাদুঘর শব্দ ও ধারণার উৎপত্তি, জাদুঘরের উদ্ভব, জাদুঘরের প্রকারভেদ, জাদুঘরের বিকাশ, জাদুঘরের উদ্দেশ্য বা কার্যাবলী বা গুরুত্ব সম্পর্কে জানবো।

জাদুঘর

ঐতিহাসিক নিদর্শনজাদুঘর
মূল উৎসগ্ৰিক মউসিয়ন
ইংরেজি প্রতিশব্দমিউজিয়াম
আরবি প্রতিশব্দআজায়ব খানা
কাজদুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রর্দশন
জাদুঘর

ভূমিকা :- সময়ের অগ্রগতি সর্বদা সম্মুখবর্তী। তাই সুদূর অতীতের সময়কে আমরা কখনও দেখতে বা ফিরে পেতে পারি না। এজন্য ঐতিহাসিক মর্স স্টিফেন্স আক্ষেপ করেছেন, “যে সময়ে কোনো একজন পাঠক জন্মগ্রহণ করেন নি তার কাছে সেই সময়ের একটি চিত্র তুলে ধরার কাজটি কঠিন, খুবই কঠিন – একাজ প্রায় অসম্ভব।” তবে ইতিহাস মানবসমাজের হারিয়ে যাওয়া অতীতকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

জাদুঘর প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মন্তব্য

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ বলেছেন –

“কথা কও, কথা কও হে অনাদি অতীত

বিস্তৃত যত নীরব কাহিনি স্তম্ভিত হয়ে বও

ভাষা দাও তারে হে মুনি অতীত কথা কও।”

জাদুঘর বা মিউজিয়াম

অতীতকালের বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদানগুলি সংরক্ষণে থাকলে সেগুলি আমরা বর্তমান সময়েও দেখতে পারি। সেসব উপাদান থেকে আমরা অতীতের কিছু কিছু ছবি আমাদের মনে ফুটিয়ে তুলতে পারি, অতীতের আলোয় আমাদের বর্তমানকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারি। এই কাজ সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করে থাকে জাদুঘর বা মিউজিয়াম।

জাদুঘরের সংজ্ঞা

জাদুঘর বলতে সঠিক কী বোঝায় বা জাদুঘরের সংজ্ঞার্থ কী তা নিয়ে বিভিন্ন অভিমত পাওয়া যায়। যেমন –

(১) সাধারণ সংজ্ঞার্থ

সাধারণ অর্থে, জাদুঘর হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদানের সংগ্রহশালা, যেখানে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক, শিল্প-বিষয়ক প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ ক’রে তা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।

(২) জাদুঘর এককথায়

এক কথায়, বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহ করে সেগুলি যেসব প্রতিষ্ঠান বা ভবনে সংরক্ষণ করে রাখা হয় সেসব প্রতিষ্ঠান বা ভবনকে জাদুঘর বলে।

(৩)  বাংলা আকাদেমির অভিমত

পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির ‘আকাদেমি বিদ্যার্থী বাংলা অভিধান’ অনুসারে ‘যে ঘরে নানা অত্যাশ্চর্য জিনিস বা প্রাচীন জিনিস সংরক্ষিত থাকে তা-ই হল ‘জাদুঘর’।

(৪) জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাশের অভিমত

বিশিষ্ট ভাষাতত্ত্ববিদ জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাশের মতে, আরবি ‘আজায়ব ঘর’ বা ‘আজায়ব খানা’ শব্দটির সঙ্গে বাংলা ‘জাদুঘর’ শব্দটি তুলনীয়। বাংলায় ‘জাদুঘর’ শব্দটির অর্থ হল, “যে গৃহে অদ্ভুত অদ্ভুত পদার্থসমূহের সংগ্রহ আছে এবং যা দেখিয়া মন্ত্রমুগ্ধবত হতে হয়।”

(৫)  ‘আইকম’ প্রদত্ত সংজ্ঞা

জাদুঘরের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে International Council of Museums (ICOM) বলেছে, “জাদুঘর হল একটি অলাভজনক, জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত এবং স্থায়ী সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান যা শিক্ষালাভ, জ্ঞানচর্চা ও আনন্দলাভের উদ্দেশ্যে মানব ঐতিহ্যের স্পর্শযোগ্য ও স্পর্শ-অযোগ্য জিনিসপত্র সংগ্রহ করে, সংরক্ষণ করে, প্রদর্শন করে এবং সেগুলি নিয়ে গবেষণা করে।”

‘জাদুঘর’ শব্দ ও ধারণার উৎপত্তি

জাদুঘর ধারণার উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। যেমন –

(ক) প্রাচীন ধারণা

বর্তমানকালে ‘জাদুঘর’ বলতে ঐতিহাসিক বা প্রত্নসামগ্রীর সংগ্রহশালা বোঝালেও প্রাচীন গ্রিস লেখক পসেনিয়াস-এর রচনায় প্রাচীন এথেন্সের একটি পাহাড়কে ‘মিউজিয়াম’ বা জাদুঘর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রিসের ইতিহাসের ধ্রুপদি যুগে (খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম থেকে চতুর্থ শতক) অ্যাক্রোপলিশ-এর (ধ্রুপদি যুগে গ্রিসের শাসনকেন্দ্র) বিপরীত দিকে একটি ছোটো পাহাড় অবস্থিত ছিল। কথিত আছে যে, এই পাহাড়ে বসে মউসিয়াস নামে এক ব্যক্তি গান গাইতেন। বার্ধক্যে তিনি সেই পাহাড়েই মারা যান এবং সেখানেই তাঁকে সমাধি দেওয়া হয়। মউসিয়াস- এর নাম অনুসারে এই পাহাড়টির নাম হয়েছিল ‘মউসিয়ন’।

(খ) জাদুঘর শব্দের ব্যুৎপত্তি

বাংলা ‘জাদুঘর’ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হল ‘Museum’ (মিউজিয়াম)। ‘মিউজিয়াম’ শব্দটির মূল উৎস হল প্রাচীন গ্রিক শব্দ Mouseion (মউসিয়ন), যার অর্থ হল গ্রিক পুরাণের শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষক মিউসদের মন্দির। এই ধরনের মন্দিরগুলিকে কেন্দ্র করে প্রাচীন গ্রিসে পাঠাগার, প্রাচীন শিল্পকলা প্রভৃতির সংগ্রহশালা গড়ে উঠত।

(গ) পরিচালনা

বিভিন্ন জাদুঘর বিভিন্ন উদ্যোগে পরিচালিত হতে পারে। কোনো কোনো জাদুঘর সরকারি উদ্যোগে, আবার কোনো কোনো জাদুঘর বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হতে দেখা যায়। বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত জাদুঘরগুলি ব্যক্তিগত এবং প্রতিষ্ঠানগত – উভয় উদ্যোগেই পরিচালিত হতে পারে।

জাদুঘরের বিকাশ

সুদূর অতীতকালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রচলন ছিল। যুগের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে অতীত কালের নানান জাদুঘরের বিকাশ ঘটতে থাকে এই বিকাশের ধারায় প্রাচীন জাদুঘরগুলি বর্তমান যুগের আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত জাদুঘরে পরিণত হয়েছে।

জাদুঘরের প্রকারভেদ

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আজ অসংখ্য জাদুঘরের অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে বিভিন্নভাবে জাদুঘরের প্রকারভেদ করা যায়। যেমন – বিশ্বকোষ জাদুঘর, প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, শিল্প জাদুঘর, ঐতিহাসিক গৃহ জাদুঘর ইত্যাদি।

জাদুঘরের উদ্দেশ্য বা কার্যাবলি বা গুরুত্ব

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত বিভিন্ন জাদুঘরের উদ্দেশ্যও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। জাদুঘরের প্রধান উদ্দেশ্য ও কার্যাবলিগুলি হল –

(ক) দুর্লভ নিদর্শন সংগ্রহ

  • (১) জাদুঘরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ও কাজ হল দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন দুর্লভ ঐতিহাসিক নিদর্শনসমূহ খুঁজে বের করা এবং সেগুলি সংগ্রহ করা।
  • (২) হারিয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি সংগ্রহ করে ইতিহাস রচনার দরজা খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(খ) সংরক্ষণ

  • (১) আধুনিক জাদুঘরগুলিতে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক উপাদান সংরক্ষিত থাকে। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন জিনিসপত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল প্রাচীন মুদ্রা, লিপি, বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম (ভাস্কর্য, মূর্তি, চিত্রকলা), দুষ্প্রাপ্য পুরাতাত্ত্বিক বস্ত্র, আশ্চর্যজনক বস্তু, বিজ্ঞান-বিষয়ক বস্তু, পরিধেয় বস্ত্র, অলংকার, প্রাচীনকালে ব্যবহৃত ও প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের উপকরণ, সময়সূচক চার্ট, বিভিন্ন ধরনের মডেল ইত্যাদি।
  • (২) দিনের পর দিন বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদান জাদুঘরগুলিতে স্থানলাভ করার ফলে এখানে দুর্লভ জিনিসপত্রের সংখ্যা ও পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে। সংরক্ষিত জিনিসপত্র দীর্ঘস্থায়ী করতে বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

(গ) প্রতিকৃতি তৈরি

জাদুঘরগুলির কাজ হল জনগণের প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের প্রতিকৃতি বা মডেল তৈরি করা। এই মডেলগুলি প্রধানত দুটি উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। –

  • (১) যে ঐতিহাসিক নিদর্শন জাদুঘরটির সংগ্রহে নেই, সেই নিদর্শন সম্পর্কে দর্শকদের একটি সাধারণ ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিদর্শনের মডেল তৈরি করা হয়।
  • (২) জাদুঘরে এমন কিছু অতি মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য জিনিস থাকতে পারে যেগুলি নিরাপত্তা বা অন্য কোনো কারণে সাধারণ দর্শকদের প্রদর্শন করা সম্ভব নয়। এমন নিদর্শনগুলির প্রতিকৃতি বা মডেল তৈরি করে দর্শকদের কৌতূহল মেটোনোর চেষ্টা করা হয়।

(ঘ) প্রদর্শণ

  • (১) বিবর্তনের ধারায় মানবসমাজ ও সভ্যতার যে অগ্রগতি ঘটেছে তার বিভিন্ন প্রমাণ ও স্মৃতিচিহ্ন জাদুঘরের উপাদানগুলিতে পাওয়া যায়। জাদুঘর সেসব দুর্লভ ঐতিহাসিক বস্তুসামগ্রী সাধারণ দর্শক, পাঠক, গবেষক প্রভৃতি সব ধরনের মানুষের প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত করে দেয়।
  • (২) জাদুঘরে সংরক্ষিত সামগ্রীগুলি জনসাধারণকে প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে প্রদর্শনযোগ্য কোনো আধার বা ‘ডিসপ্লে কেস’-এ সাজিয়ে রাখা হয়। সেখানে তা স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জনসাধারণের প্রদর্শনের সুযোগ থাকে।

(ঙ) জনসচেতনতা

  • (১) ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলির মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা জাদুঘরের অন্যতম উদ্দেশ্য ও কাজ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে নানা উদ্যোগ নিয়ে থাকে।
  • (২) এই উদ্দেশ্যে তারা স্বাধীনতা উৎসব, বিজয় উৎসব, গণঅভ্যুত্থান দিবস, বিশ্ব মানবাধিকার দিবস, হিরোসিমা দিবস, চিত্র প্রদর্শনী, বইমেলা প্রভৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।

(চ) গবেষণার কাজ

  • (১) জাদুঘরে সংরক্ষিত সামগ্রীগুলি সর্বদা পণ্ডিত এবং গবেষকরা সংগ্রহ করে থাকেন এমন নয়। পণ্ডিত, গবেষক, সাধারণ পাঠক, এমনকি নিরক্ষর ব্যক্তিরাও কোনো স্থান থেকে ঐতিহাসিক নিদর্শন পেতে পারেন। যে-কোনো মানুষের সংগ্রহ করা ঐতিহাসিক নিদর্শনই জাদুঘরে সংরক্ষিত হতে পারে।
  • (২) সেসব নিদর্শনগুলির প্রকৃত ইতিহাস কী তা নিয়ে যথেষ্ট গবেষণার সুযোগ করে দেওয়া জাদুঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য ও কাজ। গবেষকদের স্কলারশিপ বা বৃত্তি প্রদান করে জাদুঘরগুলি গবেষকদের কাজে উৎসাহ দেয়।

(ছ) প্রকাশনা

জাদুঘরের একটি প্রধান কাজ হল বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশনার ব্যবস্থা করা। জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন সম্পর্কে গবেষণালব্ধ তথ্য সাম্প্রতিককালে যথেষ্ট আলোচিত কোনো ঐতিহাসিক বিষয়, কোনো সাধারণ ঐতিহাসিক পত্রিকা প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে এই প্রকাশনার ব্যবস্থা হতে পারে।

(জ) জ্ঞানের প্রসার

জাদুঘরের একটি প্রাথমিক উদ্দেশ্য ও কাজ হল এর সংগ্রহশালার বস্তুসামগ্রীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের প্রসার ঘটানো। পাঠ্য বইয়ের পাতায় বা দৈনন্দিন পড়াশোনায় পাঠকগণ যেসব ঐতিহাসিক বিষয় পড়ে থাকেন সেসব বিষয়ের ঐতিহাসিক নিদর্শন জাদুঘরে চোখের সামনে দেখে পাঠকের মনে বিষয়টি সম্পর্কে আরও কৌতূহল ও আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়।

(ঝ) প্রাণবন্ত ইতিহাস

জাদুঘরের ঐতিহাসিক উপাদানগুলিতে ইতিহাসের তাত্ত্বিকতার স্থান নেই, আছে অতীত ইতিহাসের বাস্তব অস্তিত্ব। জাদুঘর তার ঐতিহাসিক উপাদানগুলির সাহায্যে ইতিহাসকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

(ঞ) আনন্দদান

জাদুঘরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল সাধারণ দর্শকদের আনন্দদান করা। দর্শকরা সর্বদা গবেষকের দৃষ্টি নিয়ে জাদুঘরে আসবে এমন কোনো কথা নেই। বরং জাদুঘরে গবেষকের তুলনায় সাধারণ দর্শকদের সংখ্যাই বেশি হয়। এরূপ দর্শকদের কাছে জাদুঘর হল হালকা জ্ঞান সংগ্রহের মাধ্যমে কিছু আনন্দলাভের স্থান। জাদুঘর তার প্রদর্শনীর মাধ্যনে দর্শকদের সেই আনন্দ দান করে থাকে।

উপসংহার :- international council of museums জানিয়েছে যে পৃথিবীর দুশো দুটি দেশে ৫৫ হাজারেরও বেশি জাদুঘর রয়েছে। উদ্দেশ্য ও পরিচালনার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের এবং বিভিন্ন স্থানের জাদুঘর গুলির প্রকারভেদ বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

(FAQ) জাদুঘর সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. জাদুঘর কি?

জাদুঘর হল বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদানের সংগ্রহশালা, যেখানে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক, শিল্প-বিষয়ক প্রভৃতি বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষণ ক’রে তা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।

২. জাদুঘর শব্দের আরবি প্রতিশব্দ কি?

আজায়ব খানা।

৩. জাদুঘর শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ কি?

মিউজিয়াম

৪. মিউজিয়াম শব্দের মূল উৎস কি?

প্রাচীন গ্ৰিক শব্দ মউসিয়ন।

Leave a Comment