লোকনাথ বাবার বাণী

লোকনাথ বাবার বাণী প্রসঙ্গে লোকনাথ বাবার সিদ্ধি অর্জন, লোকনাথ বাবার বিখ্যাত উক্তি, লোকনাথ বাবার বাণী সমগ্র, ত্রিকালজ্ঞ লোকনাথ বাবার বাণী সকল, লোকনাথ বাবার প্রসিদ্ধ বাণী, লোকনাথ বাবার আদর্শ বাণী, লোকনাথ বাবার বাণী গুলি সম্পর্কে জানবো।

লোকনাথ বাবার বাণী

মনীষীদের বাণীলোকনাথ বাবার বাণী
ত্রিকালজ্ঞ ব্রহ্মচারীলোকনাথ ব্রহ্মচারী
প্রকৃত নামলোকনাথ ঘোষাল
গুরুভগবান গাঙ্গুলি
সিদ্ধি লাভ৯০ বছর বয়সে
মৃত্যু১৬০ বছর বয়সে
লোকনাথ বাবার বাণী

ভূমিকা :- ত্রিকালজ্ঞ ব্রহ্মচারী শ্রী শ্রী বাবা লোকনাথ যিনি বালক বয়সে উপনয়নের মাধ্যমে ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করেছিলেন ও তার বাল্য বন্ধু বেণীমাধব এবং গুরু ভগবান গাঙ্গুলীর সাথে ব্রহ্মচর্য পালনে গৃহ ত্যাগ করে বনে চলে গিয়েছিলেন। বালক লোকনাথ তার গুরুর সাথে বিভিন্ন দূর দূরান্তে ভ্রমণ ও বিভিন্ন দুর্গম স্থানে সাধন ক্ষেত্রের বিভিন্ন ধাপ খুব সহজেই নিষ্ঠা ও কঠোর তপস্যার মাধ্যমে অতিক্রম করেছেন।

লোকনাথ বাবার সিদ্ধি লাভ

লোকনাথ বাবা পরবর্তীতে তার গুরুর নির্দেশে হিমালয় পর্বতের গুহায় একশো বছর ধ্যানে তপস্যার মাধ্যমে সিদ্ধি লাভ করেন ঈশ্বরের দেখা পান। ঈশ্বর লাভের পরে তিনি মানব সমাজের মঙ্গলের ও উদ্ধারের জন্য লোকালয়ে ফিরে আসেন। তিনি বাদুরিতে তাঁর আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানেই তাঁর অসীম জ্ঞান ভক্তদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে থাকেন। এই মহান আত্মা লোকনাথ বাবার মহান উক্তিগুলি সম্পর্কে আজ আমরা জানব।

বাবা লোকনাথের বাণী যা তোমায় দেখাবে সঠিক পথ

  • ১. যাহারা আমার নিকট আসিয়া আমার আশ্রয় গ্রহণ করে, তাহাদের দুঃখে আমার হৃদয় আর্দ্র হয়। এই আর্দ্রতাই আমার দয়া, ইহাই আমার শক্তি যা তাহাদের উপর প্রসারিত হয় এবং তাহাদের দুঃখ দূর হয়।
  • ২. সত্যের মতো পবিত্র আর কিছুই নেই। সত্যই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপানস্বরূপ, সন্দেহ নেই।
  • ৩. অন্ধকার ঘরে থাকিলে, তোকে যদি কেহ জিগ্যেস করে তুই কে? তুই বলিস ‘আমি’। আমাকে যদি কেহ জিগ্যেস করে আমিও বলি ‘আমি’। নামে নামে এত মিত্রতা হয় আর আমিতে আমিতে কী কোনও মিত্রতা হইতে পারে না?
  • ৪. গর্ব করবি, কিন্তু আহাম্মক হবি না। ক্রোধ করবি, কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।
  • ৫. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ, আর যিনি কায়মনো বাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনিই যথার্থ জ্ঞানী।
  • ৬. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা আর তা ব্যয় করার সময় দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়। তাই অর্থ ব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোনও লাভ নেই।
  • ৭. ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, যে সন্তান মায়ের আদেশ পালন করে ভগবান তার মঙ্গল করেন।
  • ৮. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ, ধার্মিক, সত্যাচারী, উদারচিত্ত, ভক্তিপরায়ন, জিতেন্দ্রিয়, মর্যাদা রক্ষা করতে জানে, আর কখনও আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করে না, এমন ব্যক্তির সঙ্গেই বন্ধুত্ব করবি।
  • ৯. দীন, দরিদ্র, অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব, আমি গ্রহণ করব। দারিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার জন্য সর্বদা চেষ্টা করবি।
  • ১০. ওরে, সে জগতের কথা মুখে বলা যায় না, বলতে গেলেই কম পড়ে যায়। বোবা যেমন মিষ্টির স্বাদ বলতে পারে না, সে রকম আর কি!
  • ১১. আমিও তোদের মতোই খাই-দাই, মল-মূত্র ত্যাগ করি। আমাকে তোদের মতোই একজন ভেবে নিস। আমাকে তোরা শরীর ভেবে ভেবেই সব মাটি করলি। আমি যে কে, তা আর কাকে বোঝাবো, সবাই তো তার ছোট ছোট চাওয়া নিয়েই ভুলে রয়েছে আমার প্রকৃত আমি কে।
  • ১২. অন্ধ সমাজ চোখ থাকতেও অন্ধের মতো চলছে।
  • ১৩. রণে, বনে, জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়বি, আমাকে স্মরণ করবি, আমিই রক্ষা করবো।
  • ১৪. এই বিরাট সৃষ্টির মধ্যে এমন কিছু নেই যাকে উপেক্ষা করা চলে বা ছোট ভাবা যায়। প্রতিটি সৃষ্টি বস্তু বা প্রাণী নিজ নিজ স্থলে স্বমহিমায় মহিমান্বিত হয়ে আছে জানবি।
  • ১৫. যা মনে আসে তাই করবি, কিন্তু বিচার করবি।

ত্রিকালজ্ঞ বাবা লোকনাথের ২৫ টি অতি গুরুত্বপূর্ণ বাণী

  • ১৬. সচেতন হতে হবে। অচেতনাই জীবনের ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরন্তর অভ্যাস এবং চেষ্টার ফলে তাকে সচেতনতায় রূপান্তরিত করতে হবে।
  • ১৭. কাম, ক্রোধ সব রিপুই অবচেতন মনের স্তরে স্তরে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। সুযোগ পেলেই তারা প্রকাশ হয়, কারণ মানুষ তাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে সচেতন হয়। অচেতন মন রিপুদের অবাধ ক্রীড়াক্ষেত্র।
  • ১৮. মন যা বলে শোন, কিন্তু আত্মবিচার ছেড়ো না। কারণ মনে মতো প্রতারক আর কেউ নেই। মহাপুরুষদের বাক্য, শাস্ত্র বাক্যে শ্রদ্ধাবান না-হলে প্রকৃত আত্মবিচার সম্ভব নয়।
  • ১৯. বিদ্যা, তপস্যা, ইন্দ্রিয় সংযম ও লোক পরিত্যাগ ছাড়া কেউই শান্তি লাভ করতে পারে না।
  • ২০. অহং চলে গেলে নিজের মনই নিজের গুরু হয়, সৎ ও অসৎ বিচার আসে। জ্ঞানের সঙ্গে ভক্তির মণিকাঞ্চন যোগ হলে শ্রদ্ধা হবে তোদের আশ্রয়, শ্রদ্ধা হবে তোদের বান্ধব এবং শ্রদ্ধাই হবে তোদের পাথেয়।
  • ২১. সত্য এর মত পবিত্র আর কিছু নেই, সত্যিই স্বর্গ গমন এর একমাত্র সোপান রূপ সন্দেহ নেই।
  • ২২. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ। আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনি যথার্থ জ্ঞানী।
  • ২৩. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা, আর তা ব্যয় করা, সময় বিশ্ব দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়, তাই অর্থব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোন লাভ নেই।
  • ২৪. মন যা বলে শোন,কিন্তু আত্মবিচার ছাড়িস না।কারণ মনের মতন প্রতারক আর কেউ নেই, মহাপুরুষদের বাক্য,শাস্ত্র বাক্যে শ্রদ্ধাবান না হলে প্রকৃত আত্মবিচার সম্ভব নয়।
  • ২৫. ক্রোধ ভাল, কিন্তু ক্রোধান্ধ হওয়া ভাল নয়।
  • ২৬. দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব; আমি গ্রহণ করবো।
  • ২৭. দু:খ দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দু:খ দূর করার জন্য সর্বদা চেষ্টা করবি।
  • ২৮. তোরা যদি দীর্ঘায়ু হতে চাস তাহলে তোদের সদাচারী, শ্রদ্ধাশীল, ঈর্ষাহীন, সত্যবাদী, ক্রোধবিহীন ও সরল স্বভাব হতে হবে।
  • ২৯. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ। আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনি যথার্থ জ্ঞানী।
  • ৩০. গর্জন করবি কিন্তু আহাম্মক হবি না ক্রোধ করবি কিন্তু ক্রোধান্ধ হবি না।
  • ৩১. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ ধার্মিক সত্যচারী উদারচিত্ত ভক্তিপরায়ন জিতেন্দ্রিয় মর্যাদা রক্ষা করতে জানে আর কখনো আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করেন না এমন ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন।
  • ৩২. অন্ধকার ঘরে থাকিলে, তোকে যদি কেহ জিজ্ঞাস করে তুইকে? তুই বলিস ‘আমি’। আমাকে যদি কেহ জিজ্ঞাস করে আমিও বলি ‘আমি’। নামে নামে এত মিত্রতা হয় আর অমিতে অমিতে কি কোনো মিত্রতা হইতে পারে না?
  • ৩৩. সত্যের মতো পবিত্র আর কিছুই নেই ।
  • ৩৪. সত্যই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপানস্বরূপ, সন্দেহ নেই।
  • ৩৫. যে ব্যক্তি সকলের সুহৃদ, আর যিনি কায়মনোবাক্যে সকলের কল্যাণ সাধন করেন তিনিই যথার্থ জ্ঞানী।
  • ৩৬. ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, যে সন্তান মায়ের আদেশ পালন করে ভগবান তার মঙ্গল করেন।
  • ৩৭. দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব, আমি গ্রহণ করবো।
  • ৩৮. দারিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার জন্য সর্বদা চেষ্টা করবি।
  • ৩৯. ‘সত্যই স্বর্গ গমনের একমাত্র সোপানস্বরূপ, সন্দেহ নেই।’
  • ৪০. আমি ছাড়া তোরা নিঃস্ব, এ ভাবটি ভুলিস না। আমি তোদের মধ্যে আছি এবং থাকবো। আমি নিত্য, আমি অবিনাশী।

লোকনাথ বাবার বাণী বা উক্তি বা উপদেশ

  • ৪১. আমার ভালোবাসা, আশীর্বাদ ও দয়া সারা বিশ্বময় ছড়িয়ে রয়েছে, তোরা শ্রদ্ধার সঙ্গে চেয়ে নে, কুড়িয়ে নে।
  • ৪২. যে ব্যক্তি কৃতজ্ঞ ধার্মিক সত্যচারী উদারচিত্ত ভক্তিপরায়ন জিতেন্দ্রিয় মর্যাদা রক্ষা করতে জানে আর কখনো আপন সন্তানকে পরিত্যাগ করেন না এমন ব্যক্তির সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন
  • ৪৩. আমি নিত্য জাগ্রত । তোদের সুখে সুখী, তোদের দুঃখে দুঃখী। আমার বিনাশ নেই, আমি অবিনশ্বর। আমি আছি-আছি-আছি।
  • ৪৪. অর্থ উপার্জন করা, তা রক্ষা করা, আর তা ব্যয় করা, সময় বিশ্ব দুঃখ ভোগ করতে হয়। অর্থ সকল অবস্থাতেই মানুষকে কষ্ট দেয়, তাই অর্থব্যয় হলে বা চুরি হলে তার জন্য চিন্তা করে কোন লাভ নেই।
  • ৪৫. ওরে, সে জগতের কথা মুখে বলা যায় না, বলতে গেলেই কম পড়ে যায়। বোবা যেমন মিষ্টির স্বাদ বলতে পারে না, সেই রকম আর কি!
  • ৪৬. সমাধির উচ্চতম শিখরে গিয়ে যখন পরমতত্ত্বে পৌঁছালাম, তখন দেখি আমাতে আর অখিল ব্রহ্মান্ডের অস্তিত্বে কোন ভেদ নেই। সব মিলেমিশে একাকার।
  • ৪৭. অন্ধ সমাজ চোখ থাকতেও অন্ধের মতো চলছে।
  • ৪৮. এই বিরাট সৃষ্টির মধ্যে এমন কিছু নেই যাকে উপেক্ষা করা চলে বা ছোট ভাবা যায়। প্রতিটি সৃ্ষ্টি বস্তু বা প্রাণী নিজ নিজ স্থলে স্বমহিমায় মহিমান্বিত হয়ে আছে জানবি।
  • ৪৯. যে কর্ম মনে তাপের সৃষ্টি করে তাই পাপ। যে কর্মের মধ্য দিয়ে আত্মসচেতন বা শান্তির ভাব মনকে ভরিয়ে তোলে তাই পুণ্য এবং স্বর্গতুল্য।
  • ৫০. ধার্মিক হতে চাইলে প্রতিদিন রাতে শোবার সময় সারাদিন কাজের হিসাব নিকাশ করবি, অর্থাৎ ভাল কাজ কি করেছিস এবং মন্দ কাজ কি করেছিস, সেটা ভেবে মন্দ কাজ যাতে আর না করতে হয় তার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হবি।

মনীষী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর বাণী

  • ৫১. দেখ-যেখানে ত্যাগ নেই, আছে মোহ ও আসক্তি সেখানেই যত দুঃখ, দৈন্য ও অশান্তি।
  • ৫২. যারা ধর্ম নেই মনে করে সাধুগণকে উপহাস করে, আর ধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে, তারা নি:সন্দেহে বিনাশ প্রাপ্ত হয়।
  • ৫৩. সচেতন হতে হবে। অচেতনাই জীবনের ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিরন্তর অভ্যাস এবং চেষ্টার ফলে তাকে সচেতনায় রূপান্তরিত করতে হবে।
  • ৫৪. কাম, ক্রোধ সব রিপুই অবচেতন মনের স্তরে স্তরে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। সুযোগ পেলেই তারা প্রকাশ হয়, কারণ মানুষ তাদের অস্তিত্ব সম্বন্ধে সচেতন হয়। অচেতন মন রিপুদের অবাধ ক্রীড়াক্ষেত্র।
  • ৫৫. আত্ম-বিশ্লেষণের ধারাটিকে সদাজাগ্রত রাখতে না পারলে, কামগন্ধহীন শুদ্ধ মনের জগতে প্রবেশ করা যায় না। কাম কলুষিত বিক্ষিপ্ত চিত্তে ধ্যান বা সমাধিও সম্ভব নয়।
  • ৫৬. গুরু প্রদত্ত মন্ত্রের শুদ্ধাশুদ্ধ বিচার করা শিষ্যের কর্ম নয়। গুরু যা বলেছেন বিনা দ্বিধায় তা জপ করে যাওয়াই শিষ্যের কর্তব্য।
  • ৫৭. বিদ্যা, তপস্যা, ইন্দ্রিয়সংযম ‍ও লোক পরিত্যাগ ছাড়া কেউই শান্তিলাভ করতে পারে না।
  • ৫৮. যারা ধর্ম নেই মনে করে সাধুগণকে উপহাস করে আর ধর্মের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে, তাঁরা নিঃসন্দেহে বিনাশপ্রাপ্ত হয়।
  • ৫৯. তোরা আমার চরণ ধরিস না, তোরা আমার আচরণ ধর।
  • ৬০. বাক্যবাণ ও বিচ্ছেদবান সহ্য করতে পারলে। মৃত্যুকে হারিয়ে দেওয়া যায়।
  • ৬১. জীবন মুক্ত হতে চাইলে, সংসার বন্ধন ত্যাগ করতে হবে।
  • ৬২. প্রত্যক্ষেই হোক আর পরোক্ষেই হোক বাক্য-মন-ইঙ্গিত দ্বারা কারও নিন্দা করা উচিত নয়।
  • ৬৩. নিজেকে বড় না করে তাঁকে বড় কর, নিজে কর্তা না সেজে তাঁকে কর্তা জ্ঞান করার চেষ্টা কর, তাহলেই ত্যাগ আসবে।
  • ৬৪. যে কারনে মোহ আসে, তা যদি জানা থাকে, আসতে না দিলেই হয়।
  • ৬৫. বাক্যবাণ, বন্ধু-বিচ্ছেদবাণ এবং বিত্ত-বিচ্ছেদবাণ এই তিনটি বাণ সহ্য করতে পারলে মৃত্যুকে জয় করা যায়।
  • ৬৬. ‘আমি শরীর ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু ভক্তকে রক্ষার জন্য আমি সর্বদাই ভক্তের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছি, তোদের চোখ নেই,তাই তো তোরা আমায় দেখেও দেখিস না। বারদীতে অবস্থান কালে যেমন আমার কাছ থেকে শূন্য হাতে কেউ ফেরেনি, আজও শরণাগত অভীষ্ট ফল লাভে বিফল হবে না।’
  • ৬৭. এ আমার উপদেশের স্থল নয়, আদেশের স্থল।

(FAQ) লোকনাথ বাবার বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞাস্য?

১. লোকনাথ বাবার প্রকৃত নাম কি ছিল?

লোকনাথ ঘোষাল।

২. লোকনাথ বাবার গুরুর নাম কি?

ভগবান গাঙ্গুলি।

৩. লোকনাথ বাবা কত বছর বয়সে সিদ্ধি লাভ করেন?

৯০ বছর বয়সে।

৪. লোকনাথ বাবার বিখ্যাত উক্তি কি?

রণে, বনে, জঙ্গলে যখনই বিপদে পড়বি, আমাকে স্মরণ করবি, আমিই রক্ষা করবো।

৫. লোকনাথ বাবার মৃত্যু হয় কত বছর বয়সে?

১৬০ বছর বয়সে।

অন্যান্য মনীষীদের বাণীগুলি

Leave a Comment